Dhaka , Friday, 18 September 2026
শিরোনাম :
বাগেরহাটে বসতবাড়ির তালা ভেঙে মূল্যবান মালামাল ও দলিলপত্র লুটের অভিযোগ বাগেরহাটে জাতীয়তাবাদী মহিলা দলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আলোচনা সভা বাগেরহাটে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ও আহতদের পরিবারের মাঝে ক্ষতিপূরণের চেক বিতরণ ৪০ কোটি টাকার পানি প্রকল্প অচল, পচা দিঘিতে মাছ শিকারের উৎসব ড্রেন না থাকায় জলাবদ্ধতা, হুমকির মুখে ব্রিজ ঋণের বোঝা, আ.লীগের ‘দায়’ বিএনপির ‘ঘাড়ে’ সমাজবিরোধী অপশক্তির বিরুদ্ধে সর্তক থাকার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর বগুড়ায় প্রতিমন্ত্রীর গাড়ির ধাক্কায় আহত নারীর মৃত্যু বাগেরহাটে শিক্ষার্থীদের মাঝে ক্রীড়া সামগ্রী বিতরণ তানজিন তিশার বিরুদ্ধে মামলার সত্যতা পায়নি পিবিআই, বাদীপক্ষের নারাজি

জিয়া অর্ফানেজ ট্রাস্টের এতিমখানা ও কারিগরি প্রতিষ্ঠান চালুর দাবীতে মানববন্ধন

  • Md.Liton
  • আপডেট টাইম : 07:25:03 pm, Friday, 25 April 2025
  • 156 বার

বাগেরহাট প্রতিনিধিঃবাগেরহাটে জিয়া অর্ফানেজ ট্রাস্টের অধীনে পরিচালিত ফতেপুর এতিমখানা ও কারিগরি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ধ্বংশের হাত থেকে রক্ষা ও নতুন করে চালুর দাবীতে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে। শুক্রবার(২৫ এপ্রিল) বিকালে স্থানীয় জমিদানকারীদের বংশধরগণ ও এলাকাবাসীর আয়োজনে ঘন্ঠাব্যাপী এ মানববন্ধনে প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন বাগেরহাট জেলা বিএনপির বাগেরহাট সাবেক সহ-সভাপতি ও বতমান আহবায়ক কমিটির সদস্য খান মনিরুল ইসলাম। বেমরতা ইউনিয়ন বিএনপি নেতা হাও. আবু বক্কর সিদ্দিক এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত মানববন্ধনে অন্যন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন বিএনপি নেতা শরীফ মোস্তফা জামান লিটু, ওহিদুল ইসলাম পল্টু,এ্যাড.হিরক মিনা,মর্জিনা বেগম, আকরামুজ্জান রিক্ত,মোফাজ্জেল হোসেন প্রমুখ।
এ সময় বক্তারা বলেন, জিয়া অর্ফারেজ ট্রাস্ট বাংলাদেশের সাবেক রাষ্ট্রপতি ও বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমানের নামে বিএনপি সরকারের সময়ে বেশ কিছু দাতব্য সংস্থা চালু করা হয়। বিএনপি সরকারের (১৯৯১-১৯৯৬) আমলে সোনালী ব্যাংকের রমনা শাখায় “প্রধানমন্ত্রীর এতিম তহবিল” নামে একটি হিসাব চালু করা হয়। ১৯৯১ সালের ৯ই জুন একাউন্টটিতে এক সৌদি দাতার কাছ থেকে ইউনাইটেড কমার্শিয়াল ব্যাংকের মাধ্যমে ৪,৪৪,৮১,২১৬ টাকা বিদেশী অনুদান আসে। পরবর্তী দুই বছরে এই অনুদানের অর্থ কোনো এতিমখানায় দান করা হয়নি। দুই বছর পর, ১৯৯৩ সালের ৫ই সেপ্টেম্বর জিয়াউর রহমানের দুই ছেলে তারেক রহমান, আরাফাত রহমান এবং তাদের ফুপাতো ভাই মমিনুর জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট গঠন করেন। ট্রাস্ট গঠনের পর অনুদানটি দুই ভাগ করে ট্রাস্টের বগুড়া এবং বাগেরহাট শাখার জন্য বরাদ্দ দেওয়া হয়। প্রথম দিকে এটি ভালোভাবে চলছিল, কিন্তু ২০০৮ সালে আওয়ামী সরকার ক্ষমতায় আশার পর এটি আর ভালোভাবে চলেনি। বর্তমানে এই প্রতিষ্ঠানের প্রতিটি বিল্ডিং ব্যবহার অনুপযোগী হয়ে পরছে। এটি সংস্কার করে নতুন পরিচালনা পরিষদ গঠন করে নতুনভাবে চালুর দাবী জানান স্থানীরা।

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

জনপ্রিয় সংবাদ

বাগেরহাটে বসতবাড়ির তালা ভেঙে মূল্যবান মালামাল ও দলিলপত্র লুটের অভিযোগ

জিয়া অর্ফানেজ ট্রাস্টের এতিমখানা ও কারিগরি প্রতিষ্ঠান চালুর দাবীতে মানববন্ধন

আপডেট টাইম : 07:25:03 pm, Friday, 25 April 2025

বাগেরহাট প্রতিনিধিঃবাগেরহাটে জিয়া অর্ফানেজ ট্রাস্টের অধীনে পরিচালিত ফতেপুর এতিমখানা ও কারিগরি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ধ্বংশের হাত থেকে রক্ষা ও নতুন করে চালুর দাবীতে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে। শুক্রবার(২৫ এপ্রিল) বিকালে স্থানীয় জমিদানকারীদের বংশধরগণ ও এলাকাবাসীর আয়োজনে ঘন্ঠাব্যাপী এ মানববন্ধনে প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন বাগেরহাট জেলা বিএনপির বাগেরহাট সাবেক সহ-সভাপতি ও বতমান আহবায়ক কমিটির সদস্য খান মনিরুল ইসলাম। বেমরতা ইউনিয়ন বিএনপি নেতা হাও. আবু বক্কর সিদ্দিক এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত মানববন্ধনে অন্যন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন বিএনপি নেতা শরীফ মোস্তফা জামান লিটু, ওহিদুল ইসলাম পল্টু,এ্যাড.হিরক মিনা,মর্জিনা বেগম, আকরামুজ্জান রিক্ত,মোফাজ্জেল হোসেন প্রমুখ।
এ সময় বক্তারা বলেন, জিয়া অর্ফারেজ ট্রাস্ট বাংলাদেশের সাবেক রাষ্ট্রপতি ও বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমানের নামে বিএনপি সরকারের সময়ে বেশ কিছু দাতব্য সংস্থা চালু করা হয়। বিএনপি সরকারের (১৯৯১-১৯৯৬) আমলে সোনালী ব্যাংকের রমনা শাখায় “প্রধানমন্ত্রীর এতিম তহবিল” নামে একটি হিসাব চালু করা হয়। ১৯৯১ সালের ৯ই জুন একাউন্টটিতে এক সৌদি দাতার কাছ থেকে ইউনাইটেড কমার্শিয়াল ব্যাংকের মাধ্যমে ৪,৪৪,৮১,২১৬ টাকা বিদেশী অনুদান আসে। পরবর্তী দুই বছরে এই অনুদানের অর্থ কোনো এতিমখানায় দান করা হয়নি। দুই বছর পর, ১৯৯৩ সালের ৫ই সেপ্টেম্বর জিয়াউর রহমানের দুই ছেলে তারেক রহমান, আরাফাত রহমান এবং তাদের ফুপাতো ভাই মমিনুর জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট গঠন করেন। ট্রাস্ট গঠনের পর অনুদানটি দুই ভাগ করে ট্রাস্টের বগুড়া এবং বাগেরহাট শাখার জন্য বরাদ্দ দেওয়া হয়। প্রথম দিকে এটি ভালোভাবে চলছিল, কিন্তু ২০০৮ সালে আওয়ামী সরকার ক্ষমতায় আশার পর এটি আর ভালোভাবে চলেনি। বর্তমানে এই প্রতিষ্ঠানের প্রতিটি বিল্ডিং ব্যবহার অনুপযোগী হয়ে পরছে। এটি সংস্কার করে নতুন পরিচালনা পরিষদ গঠন করে নতুনভাবে চালুর দাবী জানান স্থানীরা।