স্টাফ রিপোর্টার
মঙ্গলবার (২২ মার্চ) বিকেলে বিশ্ব ঐতিহ্য ষাটগম্বুজ মসজিদ ভ্রমণ শেষে বিশ্ব ঐতিহ্য ষাটগম্বুজ মসজিদের পাশ দিয়ে যাওয়া মহাসড়কের কারণে ষাটগম্বুজ ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের উত্তরে বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন প্রতিমন্ত্রী মো. মাহবুব আলী বলেন, ষাটগম্বুজ মসজিদ বিশ্ব ঐতিহ্যের তালিকাভুক্ত একটি স্থাপনা। অসাধারণ স্থাপত্য শৈলির এই মসজিদ আমাদের অতীতের সম্মৃদ্ধ ইতিহাস বহন করে। এই ঐতিহ্য যদি রাস্তার (মহাসড়কের) কারণে ঝুঁকিপূর্ণ হয়, অবশ্যই এই রাস্তা সরে যাবে। কিছুতেই এই ঐতিহাসিক স্থাপনা নষ্ট করতে দেওয়া যাবে না। এ বিষয়ে আমাদের সরকার প্রতিশ্রতিবদ্ধ। প্রয়োজনের হাইওয়ে অন্যদিক দিয়ে যাবে। কোন ভাবেই পুরাকীর্তি ও প্রত্নতত্ত্ব নষ্ট হতে দেওয়া হবে না।
মুজিব শতবর্ষ উপলক্ষে বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রদূত ও প্রতিনিধিদের নিয়ে আয়োজিত মুজিব ফ্যামিলাইজেশন ট্যুরের অংশ হিসেবে মন্ত্রীসহ ৬০ সদস্যের একটি প্রতিনিধি দলটি সুন্দরবন ভ্রমণ শেষে বিকেলে ষাটগম্বুজ মসজিদ কমপ্লেক্সে আসেন।
‘প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের লীলাভূমি বাংলাদেশের দুই বিশ্ব ঐতিহ্য সুন্দরবন ও ষাটগম্বুজ ঘুরে সন্তোষ প্রকাশ করেন তারা। এ সময় বাগেরহাটের জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ আজিজুর রহমান পর্যটকদের ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা জানান। বাগেরহাটের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক খোন্দকার মোহাম্মদ রিজাউল করিম, প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তর খুলনার আঞ্চলিক পরিচালক আফরোজা খানম মিতা, বাগেরহাটের কাস্টোডিয়ান মো. জায়েদ, ষারগম্বুজ ইউনিয়ন পরিষদের আক্তারুজ্জামান বাচ্চুসহ স্থানীয় গনমাধ্যমকর্মী ও সরকারি কর্মকর্তারা এ সময় উপস্থিত ছিলেন। প্রতিনিধি দলে ইন্দোনেশিয়া, ইরাক, ইতালি, থাইল্যান্ড, দক্ষিণ করিয়া, ফিলিপিন, নেপাল, পাকিস্থানসহ বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রদূত ও দুটি সংস্থার প্রতিনিধিরা অংশ নেন।
প্রতিনিধি দলে থাকা ঢাকায় কর্মরত নেপাল অ্যাম্বাসির কুমার রায় বলেন, বাংলাদেশের ষাটগম্বুজ মসজিদের ঘুরতে এসে আমি মুগ্ধ হয়েছি। এটার স্থাপত্যশৈলী অসাধারণ। আমি বিশ্বের বিভিন্ন দেশ ভ্রমণ করেছি। তবে এই মসজিদের স্থাপত্যশৈলী এবং ঐতিহাসিক গুরুত্ব বিবেচনায় এটি সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভ্রমণ। আমি বিশ্বের সকল পর্যটকদের অনুরোধ করবো এই স্থাপনাগুলো ঘুরে দেখার জন্য।
ষাটগম্বুজ মসজিদ প্রাঙ্গণে সাংবাদিকদের মন্ত্রী আরও বলেন, বাগেরহাটের লোকজন অত্যন্ত সৌভাগ্যবান। বিশ্ব ঐতিহ্যের বড় দুটি স্থানই পড়েছে বাগেরহাটে। একটি সুন্দরবন, অন্যটি ষাটগম্বুজ মসজিদসহ খানজাহানের অন্যান্য স্থাপনা। আজ এখানে ১৫টি দেশের রাষ্ট্রদূত এবং দুটি সংস্থার প্রতিনিধি এসেছেন। তারা সবাই আমাদের দেশের এই প্রাকৃতিক ও ঐতিহাসিক স্থাপনা দেখে মুগ্ধ হয়েছেন।
বাগেরহাটের মোংলা দিয়ে সুন্দরবন ভ্রমণ শেষে বিমান ও পর্যটন মন্ত্রীর নেতৃত্বে প্রতিনিধি দলটি ঐতিহাসিক ষাটগম্বুজ মসজিদ ও বাগেরহাট যাদুঘর ঘুরে দেখেন।
Md.Liton 











