Dhaka , Friday, 18 September 2026
শিরোনাম :
বাগেরহাটে বসতবাড়ির তালা ভেঙে মূল্যবান মালামাল ও দলিলপত্র লুটের অভিযোগ বাগেরহাটে জাতীয়তাবাদী মহিলা দলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আলোচনা সভা বাগেরহাটে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ও আহতদের পরিবারের মাঝে ক্ষতিপূরণের চেক বিতরণ ৪০ কোটি টাকার পানি প্রকল্প অচল, পচা দিঘিতে মাছ শিকারের উৎসব ড্রেন না থাকায় জলাবদ্ধতা, হুমকির মুখে ব্রিজ ঋণের বোঝা, আ.লীগের ‘দায়’ বিএনপির ‘ঘাড়ে’ সমাজবিরোধী অপশক্তির বিরুদ্ধে সর্তক থাকার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর বগুড়ায় প্রতিমন্ত্রীর গাড়ির ধাক্কায় আহত নারীর মৃত্যু বাগেরহাটে শিক্ষার্থীদের মাঝে ক্রীড়া সামগ্রী বিতরণ তানজিন তিশার বিরুদ্ধে মামলার সত্যতা পায়নি পিবিআই, বাদীপক্ষের নারাজি

প্রতিকূল পরিবেশেও রামপালে বেড়েছে বোরো আবাদ

  • Md.Liton
  • আপডেট টাইম : 07:53:47 pm, Friday, 25 March 2022
  • 180 বার
রামপাল প্রতিনিধি

রামপাল উপজেলা কৃষি অফিস সূত্রে জানা গেছে, এ বছর উপজেলার ১০ ইউনিয়নের চার হাজার ৩৭৪ হেক্টর জমিতে বোরো আবাদের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ হয়। তবে পরে তা বেড়ে চার হাজার ৪০০ হেক্টর জমিতে আবাদ হয়েছে। এরমধ্যে গৌরম্ভা ইউনিয়নের ৫৩৫ হেক্টর, উজলকুড় ইউনিয়নের দুই হাজার ২৮০ হেক্টর, বাইনতলা ইউনিয়নের এক হাজার ২০ হেক্টর, রামপাল সদর ইউনিয়নের ৪৩০ হেক্টর, রাজনগর ইউনিয়নের ৬০ হেক্টর, হুড়কা ইউনিয়নের ৮ হেক্টর, পেড়িখালী ইউনিয়নে ২ হেক্টর, ভোজপাতিয়া ইউনিয়নে ২ হেক্টর, মল্লিকেরবেড় ইউনিয়নের ৫০ হেক্টর ও বাঁশতলী ইউনিয়নের ১২ হেক্টর জমিতে আবাদ হয়েছে।

গোবিন্দপুর গ্রামের কৃষক মারুফুল ইসলাম বলেন, আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় আবাদ খুবই ভালো হয়েছে। এবার পোকামাকড় দেখা যায়নি তবে ইঁদুরের উপদ্রুব রয়েছে। গাছ কেটে দিচ্ছে। একই কথা বলেন, মানিকনগরের মেহেদী হাসান। তিনি বলেন, এবার আবহাওয়া ভালো। পোকায় ধরেনি। এমন থাকলে ভালো ধান পাবো।

 এ বিষয়ে উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষ্ণা রানী মন্ডল বলেন, বিভিন্ন কারণে এ বছর বোরোর আবাদ বেড়েছে। এর মধ্যে প্রধান কারণ হলো গত বোরো মৌসুমে বাম্পার ফলনে কৃষক উদ্বুদ্ধ হয়েছে। সব ইউনিয়নে আবাদ সম্প্রসারণ কারা হয়েছে। প্রণোদনা পুনর্বাসনের মাধ্যমে কৃষককে বিনামূল্যে বীজ ও সার সহায়তা দেওয়া হয়েছে। কৃষি বিভাগের সব পর্যায়ের কর্মকর্তাগণ মাঠ পর্যায়ে কৃষকদের উদ্বুদ্ধ করেছেন। লবণ সহিষ্ণু জাতের ধান ব্রি-৬৭ ও বিনা ধান ১০ জাত সরবরাহের বৃদ্ধি, উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তাদের ওপর আস্থা বাড়া, সার-বীজ সঠিক সময়ে সরবরাহ, ন্যায্যমূল্য ও কৃষি যান্ত্রিকিকরণের ফলে আবাদ বৃদ্ধি পেয়েছে। তিনি আরও বলেন, কৃষকের ফলন যাতে বাড়ে সে জন্য সরকারের পক্ষ থেকে সবকিছু করা হবে।

উল্লেখ্য, গত ২০২১ অর্থ বছরে বোরোর আবাদ হয়েছিল চার হাজার ৩৩৫ হেক্টর জমিতে। ২০২২ সালে তা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৪ হাজার ৩৮০ হেক্টরে যা গত বছরের চেয়ে ৩৫ হেক্টরের বেশি। চাল উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে ২০ হাজার ৩৭৪ মে.টন। গত বছর উৎপাদন হয়েছিল ১৮ হাজার ৫৮৫ মে.টন। যা বেড়ে লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে এক হাজার ৭৮৯ মে.টনে। আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে আশানুরূপ ফলন হতে পারে বলে কৃষি সংশ্লিষ্টরা আশা প্রকাশ করেছেন।

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

জনপ্রিয় সংবাদ

বাগেরহাটে বসতবাড়ির তালা ভেঙে মূল্যবান মালামাল ও দলিলপত্র লুটের অভিযোগ

প্রতিকূল পরিবেশেও রামপালে বেড়েছে বোরো আবাদ

আপডেট টাইম : 07:53:47 pm, Friday, 25 March 2022
রামপাল প্রতিনিধি

রামপাল উপজেলা কৃষি অফিস সূত্রে জানা গেছে, এ বছর উপজেলার ১০ ইউনিয়নের চার হাজার ৩৭৪ হেক্টর জমিতে বোরো আবাদের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ হয়। তবে পরে তা বেড়ে চার হাজার ৪০০ হেক্টর জমিতে আবাদ হয়েছে। এরমধ্যে গৌরম্ভা ইউনিয়নের ৫৩৫ হেক্টর, উজলকুড় ইউনিয়নের দুই হাজার ২৮০ হেক্টর, বাইনতলা ইউনিয়নের এক হাজার ২০ হেক্টর, রামপাল সদর ইউনিয়নের ৪৩০ হেক্টর, রাজনগর ইউনিয়নের ৬০ হেক্টর, হুড়কা ইউনিয়নের ৮ হেক্টর, পেড়িখালী ইউনিয়নে ২ হেক্টর, ভোজপাতিয়া ইউনিয়নে ২ হেক্টর, মল্লিকেরবেড় ইউনিয়নের ৫০ হেক্টর ও বাঁশতলী ইউনিয়নের ১২ হেক্টর জমিতে আবাদ হয়েছে।

গোবিন্দপুর গ্রামের কৃষক মারুফুল ইসলাম বলেন, আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় আবাদ খুবই ভালো হয়েছে। এবার পোকামাকড় দেখা যায়নি তবে ইঁদুরের উপদ্রুব রয়েছে। গাছ কেটে দিচ্ছে। একই কথা বলেন, মানিকনগরের মেহেদী হাসান। তিনি বলেন, এবার আবহাওয়া ভালো। পোকায় ধরেনি। এমন থাকলে ভালো ধান পাবো।

 এ বিষয়ে উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষ্ণা রানী মন্ডল বলেন, বিভিন্ন কারণে এ বছর বোরোর আবাদ বেড়েছে। এর মধ্যে প্রধান কারণ হলো গত বোরো মৌসুমে বাম্পার ফলনে কৃষক উদ্বুদ্ধ হয়েছে। সব ইউনিয়নে আবাদ সম্প্রসারণ কারা হয়েছে। প্রণোদনা পুনর্বাসনের মাধ্যমে কৃষককে বিনামূল্যে বীজ ও সার সহায়তা দেওয়া হয়েছে। কৃষি বিভাগের সব পর্যায়ের কর্মকর্তাগণ মাঠ পর্যায়ে কৃষকদের উদ্বুদ্ধ করেছেন। লবণ সহিষ্ণু জাতের ধান ব্রি-৬৭ ও বিনা ধান ১০ জাত সরবরাহের বৃদ্ধি, উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তাদের ওপর আস্থা বাড়া, সার-বীজ সঠিক সময়ে সরবরাহ, ন্যায্যমূল্য ও কৃষি যান্ত্রিকিকরণের ফলে আবাদ বৃদ্ধি পেয়েছে। তিনি আরও বলেন, কৃষকের ফলন যাতে বাড়ে সে জন্য সরকারের পক্ষ থেকে সবকিছু করা হবে।

উল্লেখ্য, গত ২০২১ অর্থ বছরে বোরোর আবাদ হয়েছিল চার হাজার ৩৩৫ হেক্টর জমিতে। ২০২২ সালে তা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৪ হাজার ৩৮০ হেক্টরে যা গত বছরের চেয়ে ৩৫ হেক্টরের বেশি। চাল উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে ২০ হাজার ৩৭৪ মে.টন। গত বছর উৎপাদন হয়েছিল ১৮ হাজার ৫৮৫ মে.টন। যা বেড়ে লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে এক হাজার ৭৮৯ মে.টনে। আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে আশানুরূপ ফলন হতে পারে বলে কৃষি সংশ্লিষ্টরা আশা প্রকাশ করেছেন।