ক্ষতিগ্রস্ত চাষি নিলয় কুমার দে বলেন, ‘২৫ বিঘা জমিতে ধান ও মাছ চাষ করি। ১৫–২০ দিনের মধ্যে ধান কাটা শুরু করার কথা ছিল। মাছও বেশ বড় হয়েছিল, হঠাৎ গাবতলা গেটটি খুলে দেওয়ায় পানির স্রোতে ঘেরের পাড় ভেঙে প্রায় ১০ লাখ টাকার মাছ ও ধানের ক্ষতি হয়েছে। কীভাবে এ ক্ষতি পুষিয়ে উঠব আর কীভাবেই বা সংসার চালাব কিছুই বুঝে উঠতে পারছি না।’ পার্শ্ববর্তী আরেক কৃষক জাহাঙ্গীর আলম বলেন, ‘গেট খুলে দেওয়ায় গোনের সময় পানির চাপে আমারও ঘেরের ক্ষতি হয়েছে। আমার মতো অনেক কৃষক-ই ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন। কিন্তু আমাদের দুঃখ দেখার কেউ নেই, আর ভয়ে আমাদের প্রতিবাদেরও সাহস নেই। সরকার যদি অন্তত গেটগুলো যথাযথ ব্যবস্থাপনায় রাখে তাহলে আমাদের মতো কৃষকেরা বাঁচতে পারেন।’
চিতলমারী সদর ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) চেয়ারম্যান মোহাম্মদ নিজাম উদ্দীন শেখ বলেন, ‘স্লুইচ গেটগুলো পাউবোর। তাঁরা যদি আমাদের লিখিতভাবে রক্ষণাবেক্ষণের দায়িত্ব দেয় তাহলে আমরা যথাযথভাবে এর দেখভাল করব।’
পানি উন্নয়ন বোর্ড, বাগেরহাটের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. মাসুম বিল্লাহ বলেন, ‘ব্যক্তিস্বার্থের জন্য এক শ্রেণির অসাধু লোক গেটগুলোকে খুলে দেন। এতে ফসলের ক্ষতি হচ্ছে। আমাদের লোকবলের অভাব রয়েছে, তবে লোকবল নিয়োগ দেওয়া হলে এ সমস্যার সমাধান হয়ে যাবে।’
Md.Liton 











