সৌদি প্রবাসি আবুল বাশার খানের ভাই রহিম খান জানান, তারা তিন ভাই সৌদি প্রবাসি। তাদের প্রতিবেশী সুলতান মাষ্টারের ছেলে মিরাজ খানকে আমরা সৌদি নিয়ে যাই। সৌদি নেয়ার পরে আকামা নিয়ে তার সাথে বিরোধ সৃষ্টি হয়। এরই জের হিসেবে সুলতান মাষ্টারের ছেলেরা ডিবি পুলিশ নিয়ে এসে আমাদের ফাঁসানোর জন্য এ কাজ করেছে।
শরণখোলার রায়েন্দা ইউপি চেয়ারম্যান আজমল হোসেন মুক্ত জানান, এটি একটি ষড়যন্ত্র। প্রবাসি আবুল বাশারকে ফাঁসাতে প্রতিপক্ষ সুলতান মাষ্টারের ছেলেরা হরিণের চামড়া ও সিং রেখেছে।
সংশ্লিষ্ট ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য হেলাল সর্দার জানান, দুই পক্ষের বিরোধ নিয়ে তিনি সালিস বৈঠক করেছেন। তবে হরিণের চামড়া রাখার বিষয়টি সন্দেহজনক। সুলতান মাষ্টারের ছেলে আবু তৈয়ব ও তার আত্মীয় কচি মুন্সি সন্ত্রাসী প্রকৃতির। তারা মাদক, হরিণ শিকারসহ নানা অপরাধের সাথে জড়িত। এরা প্রবাসি আবুল বাশারকে ফাঁসাতে তার বাড়িতে হরিণের চামড়া ও সিং রেখে ডিবি পুলিশের সাথে থেকে তা উদ্ধার করিয়েছে।
বাগেরহাট গোয়েন্দা পুলিশের পরিদর্শক সুরেশ হালদার জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে তাদের একটি দল শরণখোলা উপজেলার উত্তর রাজাপুর গ্রামের সৌদি প্রবাসি আবুল বাশার খানের নির্মানাধীন বাড়ি থেকে পরিত্যাক্ত অবস্থায় দুটি চামড়া ও দুটি সিং উদ্ধার করা হয়। তবে উদ্ধারের সময় মনে হয়েছে প্রতিপক্ষকে ফাঁসানোর জন্য ষড়যন্ত্র করে চামড়া ও সিং রাখা হয়েছে। আমরা এখন ওই সোর্সকে আটকের জন্য অভিযান চালানো হচ্ছে।
Md.Liton 











