মামলার তদন্ত কর্মকর্তা প্রথমে থানার এসআই ঠাকুর দাস, পরিদর্শক তদন্ত তারক বিশ্বাস ও পরবর্তীতে সিআইডির পরিদর্শক সাইফুল ইসলাম দীর্ঘ তদন্ত শেষে ২০১৫ সালের ১০ জুলাই বাচ্চু মৃধা ও খোকন খান নামের দুই আসামির বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন। ২০১৭ সালের ১২ নভেম্বর আদালত আসামিদের বিরুদ্ধে চার্জ গঠন করেন। আদালতের বিজ্ঞ বিচারক এ মামলার ২০ জন স্বাক্ষীর স্বাক্ষ্য গ্রহণ শেষে অভিযোগ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হওয়ায় আসামি পায়লাতলা গ্রামের বারেক মৃধার ছেলে বাচ্চু মৃধাকে আমৃত্যু যাবজ্জীবন কারাদণ্ড ও ২০ হাজার টাকা জরিমানা অনাদায়ে আরো এক বছরের সশ্রম কারাদণ্ড প্রদান করেন। আর অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় মামলার অপর আসামি পার্শ্ববর্তী সমাদ্দার গ্রামের আছমত আলী খানের ছেলে খোকন খানকে বেকসুর খালাস প্রদান করেন।
রাষ্ট্রপক্ষের কৌশুলি রনজিৎ কুমার মন্ডল বলেন, মামলায় আনীত অভিযোগ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হওয়ায় বাচ্চু মৃধাকে আমৃত্যু কারাদণ্ড ও ২০ হাজার টাকা জরিমানা অনাদায়ে আরো এক বছরের সশ্রম কারাদণ্ড প্রদান করেন। অপর আসামিকে বেকসুর খালাস প্রদান করা হয়। এ দিকে রায় ঘোষণার পর আদালতে উপস্থিত মামলা বাদী লোকমান হোসেন বাবু বলেন আমার দুটি সন্তানকে একজনে হত্যা করতে পারে নাই। রায়ে খোকনকে খালাস দেয়ায় আমরা সন্তুষ্ট হতে পারি নাই। আমরা উচ্চ আদালতে যাব।
Md.Liton 











