Dhaka , Friday, 18 September 2026
শিরোনাম :
বাগেরহাটে বসতবাড়ির তালা ভেঙে মূল্যবান মালামাল ও দলিলপত্র লুটের অভিযোগ বাগেরহাটে জাতীয়তাবাদী মহিলা দলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আলোচনা সভা বাগেরহাটে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ও আহতদের পরিবারের মাঝে ক্ষতিপূরণের চেক বিতরণ ৪০ কোটি টাকার পানি প্রকল্প অচল, পচা দিঘিতে মাছ শিকারের উৎসব ড্রেন না থাকায় জলাবদ্ধতা, হুমকির মুখে ব্রিজ ঋণের বোঝা, আ.লীগের ‘দায়’ বিএনপির ‘ঘাড়ে’ সমাজবিরোধী অপশক্তির বিরুদ্ধে সর্তক থাকার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর বগুড়ায় প্রতিমন্ত্রীর গাড়ির ধাক্কায় আহত নারীর মৃত্যু বাগেরহাটে শিক্ষার্থীদের মাঝে ক্রীড়া সামগ্রী বিতরণ তানজিন তিশার বিরুদ্ধে মামলার সত্যতা পায়নি পিবিআই, বাদীপক্ষের নারাজি

বাগেরহাটে মেয়ের বিরুদ্ধে পিতাকে হত্যা ও মাকে বাড়ি থেকে বের করে দেওয়ার অভিযোগ

  • Md.Liton
  • আপডেট টাইম : 06:31:13 pm, Tuesday, 11 October 2022
  • 165 বার

স্টাফ রিপোটার,বাগেরহাট:
বাগেরহাটে এবার মেয়ের বিরুদ্ধে পিতাকে থাপ্পর মেরে হত্যা ও সম্পত্তি লিখে নিয়ে নিজের গর্বধারিনী মাকে বাড়ি থেকে বের করে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় অসহায় মা আবেজান নেছা (৭০) বাদি হয়ে নিজের মেয়ে হাসিয়ারা বেগমকে (৪২) অভিযুক্ত করে কচুয়া থানায় অভিযোগ দায়ের করেছেন। ঘটনাটি ঘটেছে কচুয়া উপজেলার মঘিয়া ইউনিয়নের ঘোনারহুলা গ্রামে। আবেজান নেছা কচুয়া উপজেলার খলিশাখালী গ্রামের মৃত আব্দুল খালেক শেখের স্ত্রী এবং অভিযুক্ত হাসিয়ারা বেগম ঘোনারহুলা গ্রামের পুলিশ কনস্টেবল বাবর আলী শিকদারের স্ত্রী।
অসহায় বৃদ্ধা আবেজান নেছা তার লিখিত অভিযোগে জানান, আমার স্বামী মৃত আব্দুল খালেক শেখের ৩৭ শতক জমি আমার মেয়ে হাসিয়ারা বেগম ১ লক্ষ ১০ হাজার টাকায় ক্রয় করার চুক্তি করে। হাসিয়ারা বেগম দলিলের পূর্বে আমার স্বামীকে ৩৬ হাজার টাকা দিলে আমার স্বামী দলিল রেজিঃ করে দেয়। বাকী পাওনা ৭৪ হাজার টাকা চাইলে হাসিয়ারা আমার স্বামীর মুখে থাপ্পর মারে, থাপ্পর সহ্য করতে না পেয়ে তৎক্ষনাৎ আমার স্বামী স্টোক করে পরে দুঃখ ,কষ্ট ক্ষোভে সে মারা যায়। আমার কোন ছেলে সন্তান না থাকায় আমার স্বামী মারা যাওয়ার পর চরম অসহায়ের মধ্যে পড়ে যাই। আমার কোন আয় না থাকায় এক প্রকার বাধ্য হয়ে আমার মেয়ে হাসিয়ারার কাছে আশ্রয় নিতে হয়। আমার আমৃত্যু পর্যন্ত ভরন পোষন ও দেখা শুনা করবে বলে হাসিয়ারা আমার সরলতার সুযোগ নিয়ে আমার নামের ৯৫ শতক জমিও লিখে নেয়। কয়েক দিন যেতে না যেতেই হাসিয়ারা ও তার পরিবারের লোকজন আমার সহিত খারাপ আচরন শুরু করে এবং আমাকে বাড়ী থেকে বের করে দেয়। আমি বর্তমানে খুব অসহায় অবস্থায় মানবেতর জীবনযাপন করছি। খেয়ে পরে বেঁচে থাকা আমার পক্ষে অসম্ভব হয়ে দাড়িয়েছে। এ বিষয়ে হাসিয়ারা বেগম কোন বক্তব্য দিতে রাজি হননি।
এ বিষয়ে কচুয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোঃ মনিরুল ইসলাম বলেন, এ বিষয়ে লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। বিষয়টি সঠিক তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। ঘটনার সত্যতা পেলে দ্রæত আইনগত ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

জনপ্রিয় সংবাদ

বাগেরহাটে বসতবাড়ির তালা ভেঙে মূল্যবান মালামাল ও দলিলপত্র লুটের অভিযোগ

বাগেরহাটে মেয়ের বিরুদ্ধে পিতাকে হত্যা ও মাকে বাড়ি থেকে বের করে দেওয়ার অভিযোগ

আপডেট টাইম : 06:31:13 pm, Tuesday, 11 October 2022

স্টাফ রিপোটার,বাগেরহাট:
বাগেরহাটে এবার মেয়ের বিরুদ্ধে পিতাকে থাপ্পর মেরে হত্যা ও সম্পত্তি লিখে নিয়ে নিজের গর্বধারিনী মাকে বাড়ি থেকে বের করে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় অসহায় মা আবেজান নেছা (৭০) বাদি হয়ে নিজের মেয়ে হাসিয়ারা বেগমকে (৪২) অভিযুক্ত করে কচুয়া থানায় অভিযোগ দায়ের করেছেন। ঘটনাটি ঘটেছে কচুয়া উপজেলার মঘিয়া ইউনিয়নের ঘোনারহুলা গ্রামে। আবেজান নেছা কচুয়া উপজেলার খলিশাখালী গ্রামের মৃত আব্দুল খালেক শেখের স্ত্রী এবং অভিযুক্ত হাসিয়ারা বেগম ঘোনারহুলা গ্রামের পুলিশ কনস্টেবল বাবর আলী শিকদারের স্ত্রী।
অসহায় বৃদ্ধা আবেজান নেছা তার লিখিত অভিযোগে জানান, আমার স্বামী মৃত আব্দুল খালেক শেখের ৩৭ শতক জমি আমার মেয়ে হাসিয়ারা বেগম ১ লক্ষ ১০ হাজার টাকায় ক্রয় করার চুক্তি করে। হাসিয়ারা বেগম দলিলের পূর্বে আমার স্বামীকে ৩৬ হাজার টাকা দিলে আমার স্বামী দলিল রেজিঃ করে দেয়। বাকী পাওনা ৭৪ হাজার টাকা চাইলে হাসিয়ারা আমার স্বামীর মুখে থাপ্পর মারে, থাপ্পর সহ্য করতে না পেয়ে তৎক্ষনাৎ আমার স্বামী স্টোক করে পরে দুঃখ ,কষ্ট ক্ষোভে সে মারা যায়। আমার কোন ছেলে সন্তান না থাকায় আমার স্বামী মারা যাওয়ার পর চরম অসহায়ের মধ্যে পড়ে যাই। আমার কোন আয় না থাকায় এক প্রকার বাধ্য হয়ে আমার মেয়ে হাসিয়ারার কাছে আশ্রয় নিতে হয়। আমার আমৃত্যু পর্যন্ত ভরন পোষন ও দেখা শুনা করবে বলে হাসিয়ারা আমার সরলতার সুযোগ নিয়ে আমার নামের ৯৫ শতক জমিও লিখে নেয়। কয়েক দিন যেতে না যেতেই হাসিয়ারা ও তার পরিবারের লোকজন আমার সহিত খারাপ আচরন শুরু করে এবং আমাকে বাড়ী থেকে বের করে দেয়। আমি বর্তমানে খুব অসহায় অবস্থায় মানবেতর জীবনযাপন করছি। খেয়ে পরে বেঁচে থাকা আমার পক্ষে অসম্ভব হয়ে দাড়িয়েছে। এ বিষয়ে হাসিয়ারা বেগম কোন বক্তব্য দিতে রাজি হননি।
এ বিষয়ে কচুয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোঃ মনিরুল ইসলাম বলেন, এ বিষয়ে লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। বিষয়টি সঠিক তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। ঘটনার সত্যতা পেলে দ্রæত আইনগত ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।