Dhaka , Saturday, 19 September 2026
শিরোনাম :
বাগেরহাটে বসতবাড়ির তালা ভেঙে মূল্যবান মালামাল ও দলিলপত্র লুটের অভিযোগ বাগেরহাটে জাতীয়তাবাদী মহিলা দলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আলোচনা সভা বাগেরহাটে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ও আহতদের পরিবারের মাঝে ক্ষতিপূরণের চেক বিতরণ ৪০ কোটি টাকার পানি প্রকল্প অচল, পচা দিঘিতে মাছ শিকারের উৎসব ড্রেন না থাকায় জলাবদ্ধতা, হুমকির মুখে ব্রিজ ঋণের বোঝা, আ.লীগের ‘দায়’ বিএনপির ‘ঘাড়ে’ সমাজবিরোধী অপশক্তির বিরুদ্ধে সর্তক থাকার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর বগুড়ায় প্রতিমন্ত্রীর গাড়ির ধাক্কায় আহত নারীর মৃত্যু বাগেরহাটে শিক্ষার্থীদের মাঝে ক্রীড়া সামগ্রী বিতরণ তানজিন তিশার বিরুদ্ধে মামলার সত্যতা পায়নি পিবিআই, বাদীপক্ষের নারাজি

মোংলায় ডুবে যাওয়া জাহাজের ছিলনা ফিটনেস ও হালনাগাদ সার্ভে সনদ

  • Md.Liton
  • আপডেট টাইম : 06:03:51 pm, Friday, 25 November 2022
  • 102 বার

মোংলা প্রতিনিধি:মোংলা বন্দরের পশুর চ্যানেলে এখনও বন্ধ হয়নি ফিটনেসবিহীন মেয়াদোত্তীর্ণ নৌযান চলাচল। কিছুদিন হাঁকডাক দিয়ে ব্যবস্থা নেওয়ার কথা শোনা গেলেও কাজের কাজ কিছুই হয়নি। এখনও মেয়াদোত্তীর্ণ সার্ভে সনদ নিয়ে পণ্য পরিবহন করছে কোন কোন নৌযান। এ অবস্থায় বৃহস্পতিবার (২৪ নভেম্বর) দিবাগত রাত সোয়া ১২টায় ৬০০ টন পাথর নিয়ে মোংলা বন্দরের হারবাড়িয়া এলাকায় ডুবে গেছে একটি লাইটার জাহাজ। ডুবে যাওয়া ‘এম ভি মাষ্টার দিদার’ নামে জাহাজটির সার্ভে সনদ মেয়াদোত্তীর্ণ ও ফিটনেসবিহীন ছিল বলে জানিয়েছেন বন্দর কর্তৃপক্ষের হারবার মাষ্টার ক্যাপ্টেন মোহাম্মদ শাহীন মজিদ।
তিনি বলেন, পাথর নিয়ে ডুবে যাওয়া ‘মাষ্টার দিদার’ জাহাজের মালিক দেলোয়ার হোসেনকে ডাকা হয়েছে। দ্রুত এটি উত্তোলনের জন্য নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এছাড়া মেয়াদোত্তীর্ণ সার্ভে সনদ নিয়ে কিভাবে পণ্য পরিবহন করছে তারও ব্যাখ্যা চাওয়া হবে। তবে হারবাড়িয়া এলাকায় পাথর নিয়ে জাহাজ ডুবলেও মোংলা বন্দরের মূল চ্যানেল নিরাপদ রয়েছে বলেও জানান তিনি।
এব্যাপারে লাইটার জাহাজ মাষ্টার দিদারের মালিক দেলোয়ার হোসেনকে একাধিকবার ফোন করে তার বক্তব্য জানতে চাইলেও সম্ভব হয়নি। তিনি ফোনটি বারবার কেটে দিয়েছেন।
খুলনা নৌপরিবহন অধিদপ্তরের পরিদর্শক মোঃ রাশেদুল আলম বলেন, ‘আমাদের কাজ রেজিষ্ট্রেশন দেওয়া। ফিটনেসবিহীন ও মেয়াদোত্তীর্ণ যেসব নৌযান নদীতে চলাচল করবে তা দেখার দায়িত্ব বন্দর কর্তৃপক্ষের, বিআইডব্লিউটিএ এবং নৌ পুলিশের। সবার দায়িত্বে অবহেলা ছিল।
তিনি বলেন, পাথর নিয়ে যে জাহাজটি ডুবেছে, সেই ‘মাষ্টার দিদার’ নামে জাহজটির বিরুদ্ধে মেয়াদোত্তীর্ণ সার্ভে সনদ ও ফিটনেসবিহীন থাকায় গত মাসে মেরিন কোর্টে মামলা দিয়েছি। এখনও শুনানি হয়নি। এটি এখনও পণ্য পরিবহন করে পাথর নিয়ে ডুবছে। তদন্ত কমিটি গঠন করে এর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও জানান রাশেদুল আলম।
মোংলা বন্দরের ৬ নন্বর মুরিং বয়ায় অবস্থানরত একটি বিদেশি জাহাজ থেকে পাথর বোঝাই করে এম ভি মাষ্টার দিদার লাইটার জাহাজটি নওয়াপাড়ার উদ্দেশ্য ছেড়ে আসে। পথিমধ্যে পশুর নদীর হারবাড়িয়া এলাকায় অন্য একটি লাইটারেজ জাহাজের সাথে ধাক্কা লেগে তলাফেটে ডুবে যায় মাষ্টার দিদার জাহাজ। তবে এসময় ওই জাহাজে থাকা ১০ জন স্টাফ লাফ দিয়ে প্রাণে বেঁচে যায় বলে জানা গেছে।

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

জনপ্রিয় সংবাদ

বাগেরহাটে বসতবাড়ির তালা ভেঙে মূল্যবান মালামাল ও দলিলপত্র লুটের অভিযোগ

মোংলায় ডুবে যাওয়া জাহাজের ছিলনা ফিটনেস ও হালনাগাদ সার্ভে সনদ

আপডেট টাইম : 06:03:51 pm, Friday, 25 November 2022

মোংলা প্রতিনিধি:মোংলা বন্দরের পশুর চ্যানেলে এখনও বন্ধ হয়নি ফিটনেসবিহীন মেয়াদোত্তীর্ণ নৌযান চলাচল। কিছুদিন হাঁকডাক দিয়ে ব্যবস্থা নেওয়ার কথা শোনা গেলেও কাজের কাজ কিছুই হয়নি। এখনও মেয়াদোত্তীর্ণ সার্ভে সনদ নিয়ে পণ্য পরিবহন করছে কোন কোন নৌযান। এ অবস্থায় বৃহস্পতিবার (২৪ নভেম্বর) দিবাগত রাত সোয়া ১২টায় ৬০০ টন পাথর নিয়ে মোংলা বন্দরের হারবাড়িয়া এলাকায় ডুবে গেছে একটি লাইটার জাহাজ। ডুবে যাওয়া ‘এম ভি মাষ্টার দিদার’ নামে জাহাজটির সার্ভে সনদ মেয়াদোত্তীর্ণ ও ফিটনেসবিহীন ছিল বলে জানিয়েছেন বন্দর কর্তৃপক্ষের হারবার মাষ্টার ক্যাপ্টেন মোহাম্মদ শাহীন মজিদ।
তিনি বলেন, পাথর নিয়ে ডুবে যাওয়া ‘মাষ্টার দিদার’ জাহাজের মালিক দেলোয়ার হোসেনকে ডাকা হয়েছে। দ্রুত এটি উত্তোলনের জন্য নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এছাড়া মেয়াদোত্তীর্ণ সার্ভে সনদ নিয়ে কিভাবে পণ্য পরিবহন করছে তারও ব্যাখ্যা চাওয়া হবে। তবে হারবাড়িয়া এলাকায় পাথর নিয়ে জাহাজ ডুবলেও মোংলা বন্দরের মূল চ্যানেল নিরাপদ রয়েছে বলেও জানান তিনি।
এব্যাপারে লাইটার জাহাজ মাষ্টার দিদারের মালিক দেলোয়ার হোসেনকে একাধিকবার ফোন করে তার বক্তব্য জানতে চাইলেও সম্ভব হয়নি। তিনি ফোনটি বারবার কেটে দিয়েছেন।
খুলনা নৌপরিবহন অধিদপ্তরের পরিদর্শক মোঃ রাশেদুল আলম বলেন, ‘আমাদের কাজ রেজিষ্ট্রেশন দেওয়া। ফিটনেসবিহীন ও মেয়াদোত্তীর্ণ যেসব নৌযান নদীতে চলাচল করবে তা দেখার দায়িত্ব বন্দর কর্তৃপক্ষের, বিআইডব্লিউটিএ এবং নৌ পুলিশের। সবার দায়িত্বে অবহেলা ছিল।
তিনি বলেন, পাথর নিয়ে যে জাহাজটি ডুবেছে, সেই ‘মাষ্টার দিদার’ নামে জাহজটির বিরুদ্ধে মেয়াদোত্তীর্ণ সার্ভে সনদ ও ফিটনেসবিহীন থাকায় গত মাসে মেরিন কোর্টে মামলা দিয়েছি। এখনও শুনানি হয়নি। এটি এখনও পণ্য পরিবহন করে পাথর নিয়ে ডুবছে। তদন্ত কমিটি গঠন করে এর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও জানান রাশেদুল আলম।
মোংলা বন্দরের ৬ নন্বর মুরিং বয়ায় অবস্থানরত একটি বিদেশি জাহাজ থেকে পাথর বোঝাই করে এম ভি মাষ্টার দিদার লাইটার জাহাজটি নওয়াপাড়ার উদ্দেশ্য ছেড়ে আসে। পথিমধ্যে পশুর নদীর হারবাড়িয়া এলাকায় অন্য একটি লাইটারেজ জাহাজের সাথে ধাক্কা লেগে তলাফেটে ডুবে যায় মাষ্টার দিদার জাহাজ। তবে এসময় ওই জাহাজে থাকা ১০ জন স্টাফ লাফ দিয়ে প্রাণে বেঁচে যায় বলে জানা গেছে।