রামপাল উপজেলার পেড়িখালী ইউনিয়নের ডাকরা গ্রামে সেদিন এভাবেই ব্যাপক গণহত্যা ও লুটতরাজ চালানো হয়। মুক্তিযুদ্ধের সময় এটিই ছিল জেলার সবচেয়ে বড় হত্যাকান্ডের ঘটনা। সেদিন ভাগ্যের জোড়ে বেঁচে যাওয়া ভীত সন্ত্রস্ত লোকগুলো আজও আতকে ওঠেন সেই দিনের কথা মনে করে।
গণহত্যার প্রত্যক্ষদর্শী শিশির মজুমদার বলেন, ভারতে যাওয়ার জন্য বিভিন্ন এলাকা থেকে আসা হিন্দু সম্প্রদায়ের সহস্রাধিক লোক ডাকরা এলাকায় নোয়া ঠাকুরের বাড়িতে আশ্রয় নেয়। কিন্তু রাজাকার বাহিনী দুই দিক থেকে নৌকায় এসে এলাকায় ব্যাপক হত্যাযজ্ঞ চালায়। শুধু হত্যা করেই থেমে থাকেনি তারা ধর্ষণ ও মূল্যবান সম্পদও লুট করেছিল সেদিন রাজাকার বাহিনীর সদস্যরা। সেদিনের ঘটনা মনে পড়লে আজও গা শিওরে ওঠে। কষ্টে চোখে জল চলে আসে।
বাগেরহাট ৩ আসনের (রামপাল-মোংলা) সংসদ সদস্য হাবিবুন নাহার বলেন, বর্তমান প্রজন্মের অনেকে মনে করেন বাংলাদেশের স্বাধীনতা সহজেই চলে এসেছে। এজন্য কাউকে কোন ত্যাগ বা মূল্য দিতে হয়নি। আসলে স্বাধীনতা অর্জন যে আমাদের জন্য কত কঠিন ছিল, শুধু মক্তিযোদ্ধা নয়, সাধারণ মানুষকেও স্বাধীনতা অর্জনের জন্য কত মূল্য দিতে হয়েছে, তা চিন্তার বাইরে।
Md.Liton 











