ওয়াসার উৎপাদন সক্ষমতা প্রসঙ্গে তাকসিম বলেন, ‘ঢাকায় পানির টোটাল চাহিদা ২১০ কোটি থেকে ২৫০ কোটি লিটার পর্যন্ত হয়। আমাদের উৎপাদন ক্ষমতা ২৭০ কোটি লিটার। তাই রমজানে কোথাও পানির সংকট হবে না। ঢাকা শহরের সেবা খাতগুলো সূচকের দিক থেকে নিচের দিকে থাকলেও পানি ব্যবস্থাপনায় ঢাকা ওয়াসা এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে ওপরের দিকে আছে।’
দেশের সার্বিক জিডিপির ৪৫ ভাগ ঢাকা থেকে আসে উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘ঢাকায় যদি পানি সংকট হয় তার প্রভাব সরাসরি জিডিপিতে পড়বে। এ কারণে ঢাকা ওয়াসা দেশের উন্নয়নের সঙ্গে তাল মিলিয়ে গতানুগতিকতার বাইরে এসে কর্মসূচি গ্রহণ করছে। পাশাপাশি নগরবাসীকে সেবা নিশ্চিত করে যাচ্ছে।’
ঢাকায় ক্রমাগত মানুষ বেড়ে যাওয়া সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ উল্লেখ করে ওয়াসা এমডি বলেন, ‘ঢাকায় কাগজে কলমে মানুষের সংখ্যা ১ কোটি ৭০ লাখ। আমরা ২ কোটি মানুষের কথা মাথায় রেখে সেবা দেই। এখন আবার অনেকে বলছেন মানুষ হয়ে গেছে বর্তমানে ২ কোটি ৩০ লাখ। এতো মানুষ হুট করে বেড়ে গেলে চাহিদা পূরণ করতে মাঝে মাঝে হিমশিম খেতে হয়।
তিনি বলেন, ‘কাউকে পানির আওতার বাইরে রেখে টেকসই উন্নয়ন সম্ভব নয়। তাই আমরা সব বস্তিবাসীদের পানির অধিকার নিশ্চিত করেছি।’
সংলাপে সভাপতিত্ব করেন ডুরার সভাপতি মো. রুহুল আমিন ও সঞ্চালনা করেন সাধারণ সম্পাদক শাহেদ শফিক। সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন সহ সভাপতি শফিকুল ইসলাম শামীম, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক জয়শ্রী বাদুড়ী, সাংগঠনিক সম্পাদক নিলয় মামুন প্রমুখ।
Md.Liton 











