বনগ্রাম ইউনিয়নের চাষি আতাউর রহমান বলেন, ‘প্রথমদিকে এক বিঘা জমিতে কলা চাষ করেছিলাম। ভালো লাভ হওয়ায় আবারও দুই বিঘা জমিতে চাষ শুরু করি। এরপর থেকে কলার আবাদ প্রতি বছরই বাড়াচ্ছি। কলা চাষ করে মোরেলগঞ্জ উপজেলার চারটি ইউনিয়ন চিংড়াখালী, রামচন্দ্রপুর, বনগ্রাম ও হোগলাপাশার কয়েক হাজার মানুষের ভাগ্য বদলে গেছে।’ট্রাকে কলা নিতে আসা ঢাকা কারওয়ান বাজারের ব্যবসায়ী নাজমুল হোসেন জানান, মোরেলগঞ্জের কলা খেতে সুস্বাদু। তাই ঢাকার এর ব্যাপক চাহিদা। কারওয়ান বাজার মোকামে অনেক ফরিয়া এসে মোরেলগঞ্জের কলার খোঁজ করেন। প্রতি সপ্তাহে ৫-৬ ট্রাক কলা ঢাকায় নিয়ে বিক্রি করেন। এভাবে অনেক মোরেলগঞ্জ থেকে ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে কলা নিচ্ছেন।
তিনি আরও জানান, কৃষি বিভাগ সব ধরনের সহযোগিতার পাশাপাশি একই জমিতে দুই অথবা তিন বছরের বেশি সময়ে কলার চাষ না করতে চাষিদের বলছে। এতে জমির উবরতা শক্তি মারাত্মক হুমকির মুখে পড়বে। দুই বছর কলার চাষ ও পরের বছরে আবার অন্য যেকোনও সবজি আবাদের পর কলা চাষের জন্য কৃষকদের পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে।
Md.Liton 











