Dhaka , Thursday, 17 September 2026
শিরোনাম :
বাগেরহাটে বসতবাড়ির তালা ভেঙে মূল্যবান মালামাল ও দলিলপত্র লুটের অভিযোগ বাগেরহাটে জাতীয়তাবাদী মহিলা দলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আলোচনা সভা বাগেরহাটে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ও আহতদের পরিবারের মাঝে ক্ষতিপূরণের চেক বিতরণ ৪০ কোটি টাকার পানি প্রকল্প অচল, পচা দিঘিতে মাছ শিকারের উৎসব ড্রেন না থাকায় জলাবদ্ধতা, হুমকির মুখে ব্রিজ ঋণের বোঝা, আ.লীগের ‘দায়’ বিএনপির ‘ঘাড়ে’ সমাজবিরোধী অপশক্তির বিরুদ্ধে সর্তক থাকার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর বগুড়ায় প্রতিমন্ত্রীর গাড়ির ধাক্কায় আহত নারীর মৃত্যু বাগেরহাটে শিক্ষার্থীদের মাঝে ক্রীড়া সামগ্রী বিতরণ তানজিন তিশার বিরুদ্ধে মামলার সত্যতা পায়নি পিবিআই, বাদীপক্ষের নারাজি
ঝুঁকি নিয়ে মানুষের চলাচল

চার যুগেও হয়নি কাঠের পুল, বাঁশের সাঁকোই গ্রামবাসীর ভরসা

  • Md.Liton
  • আপডেট টাইম : 05:27:56 pm, Thursday, 19 January 2023
  • 274 বার

বাগেরহাট প্রতিনিধি:চার যুগ পার হলেও উন্নয়নের ছোঁয়া লাগেনি। গ্রামের মানুষের আজও ভরসা একটি বাসের সাঁকো। জনপ্রতিনিধিদের পরিবর্তন হলেও হয়নি সাঁকোর পরিবর্তন। পানগুছি নদীর তীরবর্তী মোরেলগঞ্জ উপজেলার হোগলাবুনিয়া ইউনিয়নের বদনীভাঙ্গা ৮ নং ওয়ার্ডের দু’পাড়ে মাঝে রয়েছে একটি সংযোগ খাল। এই খালে পার হওয়ার একমাত্র ব্যবস্থা হচ্ছে বাশের সাঁকো। জীবনের ঝুঁকি নিয়ে প্রতিনিয়ত মানুষ এই সাঁকো দিয়ে চলাচল করছে। হতভাগ্য এ গ্রামের মানুষের দাবি একটি পুল অথবা ব্রীজের।

জানা গেছে, ওই ওয়ার্ডে জনসংখ্যা রয়েছে প্রায় ৬ হাজার। দুই হাজার পরিবারের বসবাস। নদীর তীরঘেষা এ গ্রামটি ৪ যুগ অতিবাহিত হলেও উন্নয়নের ছোঁয়া লাগেনি। ছোট বেলা থেকে পার হওয়া সাঁকো আজও দাড়িয়ে আছে একই স্থানে। হয়নি কোন পরিবর্তন। নদীর অব্যাহত ভাঙ্গনে গ্রামটির চলাচলের রাস্তাঘাট প্রতিনিয়ত বিলীন হওয়ায় সিমাহীন দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে বদনীভাঙ্গা আদর্শ মাধ্যমিক বিদ্যালয়, ৮০নং বি পাঠামারা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শত শত শিক্ষার্থীসহ গ্রামবাসীর। এ সাঁকোটি পার হয়ে প্রতিনিয়ত ৩/৪ হাজার মানুষ চলাচল করছে পার্শ্ববতী পাঠামারাসহ বিভিন্ন গ্রামে, আসতে হচ্ছে উপজেলা শহরেও। এ সাকো পেরিয়ে একটি ইট ভাটায় দেড় শতাধিক শ্রমীক প্রতিদিন কাজ করছে।
এক কিলোমিটার পায়ে হেটে গ্রামবাসীদের আনতে হচ্ছে সুপেয় খাবার পানি।একদিকে ভেঙ্গে যাচ্ছে রাস্তাঘাট অন্যদিকে যুগের পর যুগ পেরিয়ে গেলেও হয়নি সাঁকোর পরিবর্তন।সাঁকো পার হওয়া ৮ম শ্রেনীর শিক্ষার্থী আয়শা সিদ্দিকা, রুবিনা আক্তার, শিশু শিক্ষার্থী আব্দুল্লাহ আল মাহিম, মারিয়া আক্তার, গৃহিনী সাবিনা ইয়াসমিন, বৃদ্ধ কৃষক আবুল হোসেন হাওলাদার, হাসানুজ্জামান শেখ, আব্দুস ছালাম শেখ সাঁকোটির স্থলে ব্রীজ অথবা কাঠের পুলের দাবি জানিয়েছে।

স্থানীয়রা বলছেন, ছোট বেলা থেকে এ সাঁকোটি দেখে আসছি। এখন ৭০ বছর বয়স সাঁকোটি সাঁকোই রয়ে গেলো। কোন পরিবর্তন হয়নি। বৃদ্ধ ও শিশুদের মারাত্মক ঝুঁকি নিয়ে পারাপার হতে হয়। কয়েকজন দুর্ঘটনার শিকার হতে হয়েছে। স্কুলে ছেলে মেয়েদের পাঠিয়ে দুশ্চিন্তায় থাকতে হয় তাদের।

এ বিষয়ে হোগলাবুনিয়া ইউপি চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. আকরামুজ্জামান বলেন, বদনীভাঙ্গা গ্রামের সংযোগ খালের সাঁকোটিতে সংস্কারের জন্য পরিষদ থেকে দু’বার বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। ওখানে ব্রীজ নির্মাণের জন্য উপজেলা প্রকৌশলী (এলজিইডি) দপ্তরে আবেদন করা হয়েছে।

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

জনপ্রিয় সংবাদ

বাগেরহাটে বসতবাড়ির তালা ভেঙে মূল্যবান মালামাল ও দলিলপত্র লুটের অভিযোগ

ঝুঁকি নিয়ে মানুষের চলাচল

চার যুগেও হয়নি কাঠের পুল, বাঁশের সাঁকোই গ্রামবাসীর ভরসা

আপডেট টাইম : 05:27:56 pm, Thursday, 19 January 2023

বাগেরহাট প্রতিনিধি:চার যুগ পার হলেও উন্নয়নের ছোঁয়া লাগেনি। গ্রামের মানুষের আজও ভরসা একটি বাসের সাঁকো। জনপ্রতিনিধিদের পরিবর্তন হলেও হয়নি সাঁকোর পরিবর্তন। পানগুছি নদীর তীরবর্তী মোরেলগঞ্জ উপজেলার হোগলাবুনিয়া ইউনিয়নের বদনীভাঙ্গা ৮ নং ওয়ার্ডের দু’পাড়ে মাঝে রয়েছে একটি সংযোগ খাল। এই খালে পার হওয়ার একমাত্র ব্যবস্থা হচ্ছে বাশের সাঁকো। জীবনের ঝুঁকি নিয়ে প্রতিনিয়ত মানুষ এই সাঁকো দিয়ে চলাচল করছে। হতভাগ্য এ গ্রামের মানুষের দাবি একটি পুল অথবা ব্রীজের।

জানা গেছে, ওই ওয়ার্ডে জনসংখ্যা রয়েছে প্রায় ৬ হাজার। দুই হাজার পরিবারের বসবাস। নদীর তীরঘেষা এ গ্রামটি ৪ যুগ অতিবাহিত হলেও উন্নয়নের ছোঁয়া লাগেনি। ছোট বেলা থেকে পার হওয়া সাঁকো আজও দাড়িয়ে আছে একই স্থানে। হয়নি কোন পরিবর্তন। নদীর অব্যাহত ভাঙ্গনে গ্রামটির চলাচলের রাস্তাঘাট প্রতিনিয়ত বিলীন হওয়ায় সিমাহীন দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে বদনীভাঙ্গা আদর্শ মাধ্যমিক বিদ্যালয়, ৮০নং বি পাঠামারা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শত শত শিক্ষার্থীসহ গ্রামবাসীর। এ সাঁকোটি পার হয়ে প্রতিনিয়ত ৩/৪ হাজার মানুষ চলাচল করছে পার্শ্ববতী পাঠামারাসহ বিভিন্ন গ্রামে, আসতে হচ্ছে উপজেলা শহরেও। এ সাকো পেরিয়ে একটি ইট ভাটায় দেড় শতাধিক শ্রমীক প্রতিদিন কাজ করছে।
এক কিলোমিটার পায়ে হেটে গ্রামবাসীদের আনতে হচ্ছে সুপেয় খাবার পানি।একদিকে ভেঙ্গে যাচ্ছে রাস্তাঘাট অন্যদিকে যুগের পর যুগ পেরিয়ে গেলেও হয়নি সাঁকোর পরিবর্তন।সাঁকো পার হওয়া ৮ম শ্রেনীর শিক্ষার্থী আয়শা সিদ্দিকা, রুবিনা আক্তার, শিশু শিক্ষার্থী আব্দুল্লাহ আল মাহিম, মারিয়া আক্তার, গৃহিনী সাবিনা ইয়াসমিন, বৃদ্ধ কৃষক আবুল হোসেন হাওলাদার, হাসানুজ্জামান শেখ, আব্দুস ছালাম শেখ সাঁকোটির স্থলে ব্রীজ অথবা কাঠের পুলের দাবি জানিয়েছে।

স্থানীয়রা বলছেন, ছোট বেলা থেকে এ সাঁকোটি দেখে আসছি। এখন ৭০ বছর বয়স সাঁকোটি সাঁকোই রয়ে গেলো। কোন পরিবর্তন হয়নি। বৃদ্ধ ও শিশুদের মারাত্মক ঝুঁকি নিয়ে পারাপার হতে হয়। কয়েকজন দুর্ঘটনার শিকার হতে হয়েছে। স্কুলে ছেলে মেয়েদের পাঠিয়ে দুশ্চিন্তায় থাকতে হয় তাদের।

এ বিষয়ে হোগলাবুনিয়া ইউপি চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. আকরামুজ্জামান বলেন, বদনীভাঙ্গা গ্রামের সংযোগ খালের সাঁকোটিতে সংস্কারের জন্য পরিষদ থেকে দু’বার বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। ওখানে ব্রীজ নির্মাণের জন্য উপজেলা প্রকৌশলী (এলজিইডি) দপ্তরে আবেদন করা হয়েছে।