Dhaka , Friday, 18 September 2026
শিরোনাম :
বাগেরহাটে বসতবাড়ির তালা ভেঙে মূল্যবান মালামাল ও দলিলপত্র লুটের অভিযোগ বাগেরহাটে জাতীয়তাবাদী মহিলা দলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আলোচনা সভা বাগেরহাটে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ও আহতদের পরিবারের মাঝে ক্ষতিপূরণের চেক বিতরণ ৪০ কোটি টাকার পানি প্রকল্প অচল, পচা দিঘিতে মাছ শিকারের উৎসব ড্রেন না থাকায় জলাবদ্ধতা, হুমকির মুখে ব্রিজ ঋণের বোঝা, আ.লীগের ‘দায়’ বিএনপির ‘ঘাড়ে’ সমাজবিরোধী অপশক্তির বিরুদ্ধে সর্তক থাকার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর বগুড়ায় প্রতিমন্ত্রীর গাড়ির ধাক্কায় আহত নারীর মৃত্যু বাগেরহাটে শিক্ষার্থীদের মাঝে ক্রীড়া সামগ্রী বিতরণ তানজিন তিশার বিরুদ্ধে মামলার সত্যতা পায়নি পিবিআই, বাদীপক্ষের নারাজি

চিতলমারীতে অধিকাংশ সোলার স্ট্রিট লাইট নষ্ট, পথচারীদের চরম দূর্ভোগ

  • Md.Liton
  • আপডেট টাইম : 10:33:42 pm, Tuesday, 28 June 2022
  • 187 বার

মেরামতের জন্য দুটি প্রতিষ্ঠানকে চিঠি দিয়ে প্রতিকার পাইনি কর্তৃপক্ষ

চিতলমারী প্রতিনিধি:বাগেরহাটের চিতলমারীতে মাসের পর মাস ধরে রাতে জ্বলছে না সোলার স্ট্রিট লাইট। বহু আগেই অকেজো লাইট গুলো মেরামতের জন্য দুটি প্রতিষ্ঠানকে উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা (পিআইও) চিঠি দিয়েছেন। কিন্তু অদ্যবধি কর্তৃপক্ষ কোন প্রতিকার পাননি। মঙ্গলবার (২৮ জুন) দুপুরে এমনটাই জানালেন উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা (পিআইও) অপূর্ব দাস। দুর্যোগ ব্যাবস্থাপনা অধিদপ্তরের আওতায় বিভিন্ন অর্থ বছরে অপরাধ দমন ও পথচারীদের চলাচলের সুবিধার্থে এ উপজেলার ৭ টি ইউনিয়নের বিভিন্ন গুরুত্বপ‚র্ণ স্থান এবং রাস্তায় সোলার স্ট্রিট লাইট গুলো স্থাপন করা হয়েছিল। এখানে প্রায় ৪০০ সোলার স্ট্রিট লাইট ও ১ হাজার হোম সোলার রয়েছে।

উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তার অফিস থেকে জানা গেছে, দুর্যোগ ব্যাবস্থাপনা অধিদপ্তরের গ্রামীণ অবকাটামো সংস্কার ও রক্ষণাবেক্ষণ কর্মসূচীর আওতায় ২০১৫-১৬ ও ২০১৭-১৮ অর্থ বছরে ব্র্রীজ নামের একটি প্রতিষ্ঠান স্ট্রিট সোলার ও হোম সোলার স্থাপন করেন। এরপর ভেনাস নামের আরও একটি প্রতিষ্ঠান ২০১৮-১৯ অর্থ বছর হতে স্ট্রিট সোলার ও হোম সোলার স্থাপনের কাজ করেছেন। এ উপজেলায় প্রায় ৪০০ স্ট্র্রিট সোলার ও প্রায় ১ হাজার হোম সোলার রয়েছে। বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থান, রাস্তা, মসজিদ, মন্দির, স্কুল, কলেজ ও প্রতিষ্ঠানের সামনে পথচারীদের সুবিধার্থে ২৫, ৩০ ও ৫০ ওয়াটের এ স্ট্রিট সোলার গুলো বাসানো হয়। বর্তমানে অনেক গুরুত্বপূর্ণ স্থানের লাইট অকেজো হওয়ায় পথচারীদের চরম দূর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। মঙ্গলবার দুপুরে চিতলমারীর মোটরসাইকেল চালক মোঃ কামরান হোসেন, টিটাল শেখ, ভ্যান চালক আকবর আলী, মাহিন শেখ, ব্যবসায়ী অনুপ বাড়ৈ, মাসুদ মোল্লা মোঃ ও মেহেদী হাসান  জানান, চিতলমারী উপজেলা সদর বাজারের কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ জায়গার সোলার স্ট্রিট লাইটই দীর্ঘদিন ধরে অকেজো হয়ে পড়ে আছে। এ জন্য তাঁদেরসহ পথচারীদের চরম দূর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে।

চিতলমারী উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা (পিআইও) অপূর্ব দাস বাগেরহাট টুয়েন্টিফোরকে বলেন, ‘প্রতিটি সোলারের মেয়াদ ৩ বছর। মেয়াদোত্তীর্ণ হওয়ায় এ উপজেলার বিভিন্ন স্থানে প্রায় শতাধিক সৌর আলো নষ্ট আছে। বিষয়টি জানতে পেরে আমি দ্রুত মেরামতের জন্য ভেনাস ও ব্র্রীজ নামের দুটি প্রতিষ্ঠানকে চিঠি দিয়েছি। তাঁরা মেরামত করার কথা বলেছেন। কিন্তু অদ্যবধি কোন সোলার লাইট মেরামত করেনি।’

তবে ভেনাস ও ব্র্রীজ নামের ওই দুটি প্রতিষ্ঠানের কোন কর্মকর্তা বা কর্মচারী চিতলমারীতে না থাকার কারণে তাদের কোন বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

জনপ্রিয় সংবাদ

বাগেরহাটে বসতবাড়ির তালা ভেঙে মূল্যবান মালামাল ও দলিলপত্র লুটের অভিযোগ

চিতলমারীতে অধিকাংশ সোলার স্ট্রিট লাইট নষ্ট, পথচারীদের চরম দূর্ভোগ

আপডেট টাইম : 10:33:42 pm, Tuesday, 28 June 2022

মেরামতের জন্য দুটি প্রতিষ্ঠানকে চিঠি দিয়ে প্রতিকার পাইনি কর্তৃপক্ষ

চিতলমারী প্রতিনিধি:বাগেরহাটের চিতলমারীতে মাসের পর মাস ধরে রাতে জ্বলছে না সোলার স্ট্রিট লাইট। বহু আগেই অকেজো লাইট গুলো মেরামতের জন্য দুটি প্রতিষ্ঠানকে উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা (পিআইও) চিঠি দিয়েছেন। কিন্তু অদ্যবধি কর্তৃপক্ষ কোন প্রতিকার পাননি। মঙ্গলবার (২৮ জুন) দুপুরে এমনটাই জানালেন উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা (পিআইও) অপূর্ব দাস। দুর্যোগ ব্যাবস্থাপনা অধিদপ্তরের আওতায় বিভিন্ন অর্থ বছরে অপরাধ দমন ও পথচারীদের চলাচলের সুবিধার্থে এ উপজেলার ৭ টি ইউনিয়নের বিভিন্ন গুরুত্বপ‚র্ণ স্থান এবং রাস্তায় সোলার স্ট্রিট লাইট গুলো স্থাপন করা হয়েছিল। এখানে প্রায় ৪০০ সোলার স্ট্রিট লাইট ও ১ হাজার হোম সোলার রয়েছে।

উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তার অফিস থেকে জানা গেছে, দুর্যোগ ব্যাবস্থাপনা অধিদপ্তরের গ্রামীণ অবকাটামো সংস্কার ও রক্ষণাবেক্ষণ কর্মসূচীর আওতায় ২০১৫-১৬ ও ২০১৭-১৮ অর্থ বছরে ব্র্রীজ নামের একটি প্রতিষ্ঠান স্ট্রিট সোলার ও হোম সোলার স্থাপন করেন। এরপর ভেনাস নামের আরও একটি প্রতিষ্ঠান ২০১৮-১৯ অর্থ বছর হতে স্ট্রিট সোলার ও হোম সোলার স্থাপনের কাজ করেছেন। এ উপজেলায় প্রায় ৪০০ স্ট্র্রিট সোলার ও প্রায় ১ হাজার হোম সোলার রয়েছে। বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থান, রাস্তা, মসজিদ, মন্দির, স্কুল, কলেজ ও প্রতিষ্ঠানের সামনে পথচারীদের সুবিধার্থে ২৫, ৩০ ও ৫০ ওয়াটের এ স্ট্রিট সোলার গুলো বাসানো হয়। বর্তমানে অনেক গুরুত্বপূর্ণ স্থানের লাইট অকেজো হওয়ায় পথচারীদের চরম দূর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। মঙ্গলবার দুপুরে চিতলমারীর মোটরসাইকেল চালক মোঃ কামরান হোসেন, টিটাল শেখ, ভ্যান চালক আকবর আলী, মাহিন শেখ, ব্যবসায়ী অনুপ বাড়ৈ, মাসুদ মোল্লা মোঃ ও মেহেদী হাসান  জানান, চিতলমারী উপজেলা সদর বাজারের কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ জায়গার সোলার স্ট্রিট লাইটই দীর্ঘদিন ধরে অকেজো হয়ে পড়ে আছে। এ জন্য তাঁদেরসহ পথচারীদের চরম দূর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে।

চিতলমারী উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা (পিআইও) অপূর্ব দাস বাগেরহাট টুয়েন্টিফোরকে বলেন, ‘প্রতিটি সোলারের মেয়াদ ৩ বছর। মেয়াদোত্তীর্ণ হওয়ায় এ উপজেলার বিভিন্ন স্থানে প্রায় শতাধিক সৌর আলো নষ্ট আছে। বিষয়টি জানতে পেরে আমি দ্রুত মেরামতের জন্য ভেনাস ও ব্র্রীজ নামের দুটি প্রতিষ্ঠানকে চিঠি দিয়েছি। তাঁরা মেরামত করার কথা বলেছেন। কিন্তু অদ্যবধি কোন সোলার লাইট মেরামত করেনি।’

তবে ভেনাস ও ব্র্রীজ নামের ওই দুটি প্রতিষ্ঠানের কোন কর্মকর্তা বা কর্মচারী চিতলমারীতে না থাকার কারণে তাদের কোন বক্তব্য পাওয়া যায়নি।