Dhaka , Friday, 18 September 2026
শিরোনাম :
বাগেরহাটে বসতবাড়ির তালা ভেঙে মূল্যবান মালামাল ও দলিলপত্র লুটের অভিযোগ বাগেরহাটে জাতীয়তাবাদী মহিলা দলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আলোচনা সভা বাগেরহাটে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ও আহতদের পরিবারের মাঝে ক্ষতিপূরণের চেক বিতরণ ৪০ কোটি টাকার পানি প্রকল্প অচল, পচা দিঘিতে মাছ শিকারের উৎসব ড্রেন না থাকায় জলাবদ্ধতা, হুমকির মুখে ব্রিজ ঋণের বোঝা, আ.লীগের ‘দায়’ বিএনপির ‘ঘাড়ে’ সমাজবিরোধী অপশক্তির বিরুদ্ধে সর্তক থাকার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর বগুড়ায় প্রতিমন্ত্রীর গাড়ির ধাক্কায় আহত নারীর মৃত্যু বাগেরহাটে শিক্ষার্থীদের মাঝে ক্রীড়া সামগ্রী বিতরণ তানজিন তিশার বিরুদ্ধে মামলার সত্যতা পায়নি পিবিআই, বাদীপক্ষের নারাজি

জরাজীর্ণ ভবনে চলছে ফকিরহাট মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসের কার্যক্রম

  • Md.Liton
  • আপডেট টাইম : 06:29:55 pm, Sunday, 29 May 2022
  • 123 বার
ফকিরহাট প্রতিনিধি: জরাজীর্ণ ভবনে ২৮ বছর ধরে চলছে উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসের কার্যক্রম। ভেজা স্যাঁতসেঁতে ভবনের ছাদ আর দেয়াল। কোথাও কোথাও পলেস্তারা খসে পড়ছে। ঝুঁকিপূর্ণ ভবন ও অস্বাস্থ্যকর পরিবেশের একটি ছোট কক্ষে চলছে অফিসের সব কাজ। এ ছাড়া মাধ্যমিক পর্যায়ের লক্ষাধিক বই রাখার জন্য নেই নিজস্ব গুদাম। মাধ্যমিক শিক্ষা অফিস সূত্রে জানা যায়, উপজেলা পরিষদসংলগ্ন একতলাবিশিষ্ট পুরোনো কোর্ট ভবনে ১৯৯৪ সালে একটি প্রকল্পের মাধ্যমে মাধ্যমিক শিক্ষা কার্যক্রম শুরু হয়েছিল। সেই থেকে ২৮ বছর ধরে জরাজীর্ণ ভবনেই চলছে শিক্ষা কার্যক্রম। ভবনটি অনেক পুরোনো হওয়ায় বর্তমানে ঝুঁকিপূর্ণ ও স্যাঁতসেঁতে অবস্থায় রয়েছে। এতে স্বাস্থ্যঝুঁকি হতে পারে। এই অফিস থেকে উপজেলার ৩১টি মাধ্যমিক বিদ্যালয়, পাঁচটি নিম্নমাধ্যমিক বিদ্যালয়, ছয়টি দাখিল মাদ্রাসা, দুটি আলিম মাদ্রাসা, একটি ফাজিল মাদ্রাসা ও ছয়টি মহাবিদ্যালয়ের কার্যক্রম পরিচালনা করা হয়।

উপজেলায় মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক পর্যায়ের প্রায় ১৮ হাজার ছাত্রছাত্রীর জন্য জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ড (এনসিটিবি) থেকে প্রতিবছর পাঠানো লক্ষাধিক বই রাখার জন্য নিজস্ব কোনো কক্ষ নেই। তাই মাধ্যমিক শিক্ষা অফিস বাধ্য হয়ে স্কুল পর্যায়ের পাঠ্যবই আট্টাকা কেরামত আলী মাধ্যমিক বিদ্যালয় ও মাদ্রাসার বই ফকিরহাট কারামাতিয়া ফাজিল মাদ্রাসার শ্রেণিকক্ষে রাখছেন। এতে ওই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ক্লাস নিতে সমস্যায় পড়তে হচ্ছে বলে জানিয়েছেন প্রতিষ্ঠানের প্রধানেরা।

এ বিষয়ে উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা দেবাশীষ কুমার বিশ্বাস বলেন, ‘জরাজীর্ণ ভবনের একটি ছোট কক্ষে ঝুঁকি নিয়ে সেবা দিয়ে যাচ্ছি। এখানে বিভিন্ন বিদ্যালয় থেকে কাজে আসা শিক্ষকদের বসতে দেওয়ার মতো পর্যাপ্ত জায়গা নেই। বিষয়টি খুবই অস্বস্তিকর।’

শিক্ষা কর্মকর্তা আরও বলেন, ‘নতুন ভবন নির্মাণের জন্য স্থান নির্বাচন করা হয়েছে। তবে কবে নাগাদ ভবন তৈরি হবে, তা জানি না।’

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

জনপ্রিয় সংবাদ

বাগেরহাটে বসতবাড়ির তালা ভেঙে মূল্যবান মালামাল ও দলিলপত্র লুটের অভিযোগ

জরাজীর্ণ ভবনে চলছে ফকিরহাট মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসের কার্যক্রম

আপডেট টাইম : 06:29:55 pm, Sunday, 29 May 2022
ফকিরহাট প্রতিনিধি: জরাজীর্ণ ভবনে ২৮ বছর ধরে চলছে উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসের কার্যক্রম। ভেজা স্যাঁতসেঁতে ভবনের ছাদ আর দেয়াল। কোথাও কোথাও পলেস্তারা খসে পড়ছে। ঝুঁকিপূর্ণ ভবন ও অস্বাস্থ্যকর পরিবেশের একটি ছোট কক্ষে চলছে অফিসের সব কাজ। এ ছাড়া মাধ্যমিক পর্যায়ের লক্ষাধিক বই রাখার জন্য নেই নিজস্ব গুদাম। মাধ্যমিক শিক্ষা অফিস সূত্রে জানা যায়, উপজেলা পরিষদসংলগ্ন একতলাবিশিষ্ট পুরোনো কোর্ট ভবনে ১৯৯৪ সালে একটি প্রকল্পের মাধ্যমে মাধ্যমিক শিক্ষা কার্যক্রম শুরু হয়েছিল। সেই থেকে ২৮ বছর ধরে জরাজীর্ণ ভবনেই চলছে শিক্ষা কার্যক্রম। ভবনটি অনেক পুরোনো হওয়ায় বর্তমানে ঝুঁকিপূর্ণ ও স্যাঁতসেঁতে অবস্থায় রয়েছে। এতে স্বাস্থ্যঝুঁকি হতে পারে। এই অফিস থেকে উপজেলার ৩১টি মাধ্যমিক বিদ্যালয়, পাঁচটি নিম্নমাধ্যমিক বিদ্যালয়, ছয়টি দাখিল মাদ্রাসা, দুটি আলিম মাদ্রাসা, একটি ফাজিল মাদ্রাসা ও ছয়টি মহাবিদ্যালয়ের কার্যক্রম পরিচালনা করা হয়।

উপজেলায় মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক পর্যায়ের প্রায় ১৮ হাজার ছাত্রছাত্রীর জন্য জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ড (এনসিটিবি) থেকে প্রতিবছর পাঠানো লক্ষাধিক বই রাখার জন্য নিজস্ব কোনো কক্ষ নেই। তাই মাধ্যমিক শিক্ষা অফিস বাধ্য হয়ে স্কুল পর্যায়ের পাঠ্যবই আট্টাকা কেরামত আলী মাধ্যমিক বিদ্যালয় ও মাদ্রাসার বই ফকিরহাট কারামাতিয়া ফাজিল মাদ্রাসার শ্রেণিকক্ষে রাখছেন। এতে ওই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ক্লাস নিতে সমস্যায় পড়তে হচ্ছে বলে জানিয়েছেন প্রতিষ্ঠানের প্রধানেরা।

এ বিষয়ে উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা দেবাশীষ কুমার বিশ্বাস বলেন, ‘জরাজীর্ণ ভবনের একটি ছোট কক্ষে ঝুঁকি নিয়ে সেবা দিয়ে যাচ্ছি। এখানে বিভিন্ন বিদ্যালয় থেকে কাজে আসা শিক্ষকদের বসতে দেওয়ার মতো পর্যাপ্ত জায়গা নেই। বিষয়টি খুবই অস্বস্তিকর।’

শিক্ষা কর্মকর্তা আরও বলেন, ‘নতুন ভবন নির্মাণের জন্য স্থান নির্বাচন করা হয়েছে। তবে কবে নাগাদ ভবন তৈরি হবে, তা জানি না।’