Dhaka , Sunday, 1 November 2026
শিরোনাম :
বাগেরহাটে জমি দখল ও হামলার প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন বাগেরহাটে ইউনিয়ন বিএনপির মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত বাগেরহাটে গ্রীন হার্ট স্কুলের বৃত্তিপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা, নজরুল বর্ষ ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত বাগেরহাট পৌর যুবদলের আয়োজনে যুবদলের ৪৮ তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আনন্দ শোভাযাত্রা বাগেরহাটে ১১ দলীয় ঐক্যের গণমিছিল ৩১ অক্টোবর, অংশগ্রহণের আহ্বান বাগেরহাট জেলা কারাগারে সাজাপ্রাপ্ত বন্দিদের জন্য ‘বৈদ্যুতিক ওয়ারিং ও রিপেয়ারিং’ প্রশিক্ষণ কোর্সের শুভ উদ্বোধন বাগেরহাটে মোটর সাইকেলের গতি রোধ করে বাংলালিংক ডিস্ট্রিবিউটরকে ছুরিকাঘাত ও ছিনতাই বাগেরহাটে স্কুল থেকে ফিরে এসএসসি পরীক্ষার্থীর আত্মহত্যা ‘না বুঝে ভুল করেছি’ ক্ষমা চেয়ে শ্যালিকাকে ‘তালাকে’র ঘোষণা মাসুদের রাশিয়াকে বিচ্ছিন্ন করার পশ্চিমা চেষ্টা শোচনীয়ভাবে ব্যর্থ: মারিয়া জাখারোভা

দীর্ঘ দুই যুগ পর বাগেরহাট-২ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য এম এ এইচ সেলিমসহ ১৩ আসামীকে খালাস দিল আদালত

  • Md.Liton
  • আপডেট টাইম : 06:15:03 pm, Tuesday, 30 September 2025
  • 185 বার

বাগেরহাট প্রতিনিধি:বাগেরহাটে দীর্ঘ ২৪ বছর পর জননিরাপত্তা আইনের মামলা থেকে অব্যাহতি পেয়েছেন (বিএনপি দলীয়) সাবেক সংসদ সদস্য এম এ এইচ সেলিম। মঙ্গলবার (৩০ সেপ্টেম্বর) দুপুরে বাগেরহাট অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক আব্দুর সবুরের আদালতে হাজির হয়ে মামলা থেকে অব্যাহতি চেয়ে আবেদন জানান তিনি। আদালত দীর্ঘ শুনানি শেষে মামলা থেকে সেলিমসহ ১৩ জনকে অব্যাহতি দেন।

আদালত সূত্রে জানা যায়, ২০০১ সালে রেল রোডস্থ আওয়ামী লীগ অফিস ভাঙচুরের ঘটনায় পুলিশ বাদী হয়ে সাবেক এমপি এম এ এইচ সেলিমসহ ৩০ থেকে ৩৫ জনের নামে জননিরাপত্তা আইনে মামলা করেন। পরবর্তীতে ১৩ জনকে অভিযুক্ত করে একটি চার্জশিট দাখিল করেন।

দীর্ঘ দুই যুগ পর বাগেরহাট-২ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য এম এ এইচ সেলিমসহ ১৩ আসামীকে খালাস দিল আদালত
আসামিপক্ষের আইনজীবী শহিদুল ইসলাম বলেন, ২০০১ সালে বাগেরহাটের কচুয়া উপজেলার সাইনবোর্ড এলাকায় হামলা, মারামারি ও ভাঙচুরের ঘটনায় জেলা বিএনপি’র তৎকালীন সভাপতি এম এ এইচ সেলিমকে প্রধান করে দলের আরও ১২ জনের বিরুদ্ধে জননিরাপত্তা আইনে একটি মামলা হয়। মামলাটি ছিল রাজনৈতিক। পরবর্তিতে উচ্চ আদালতের আদেশে মামলাটি স্থগিত হয়। ২০০৮ সালে জননিরাপত্তা আইনটি সরকার বাতিল করলেও মামলাটি নিন্ম আদালতে চলছিল। আজ বিচারক মামলার দীর্ঘ শুনানী শেষে সেলিমসহ সকল আসামীকে বেকসুর খালাস দেন। দুই যুগ পর বিচারক মামলা থেকে সবাইকে অব্যাহতি দেওয়ায় সন্তোষ প্রকাশ করেন এই আইনজীবী।
দীর্ঘ দুই যুগ পর বাগেরহাট-২ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য এম এ এইচ সেলিমসহ ১৩ আসামীকে খালাস দিল আদালত

এম এ এইচ সেলিম বলেন, ‘দীর্ঘদিন মামলাটি স্থগিত অবস্থায় ছিল। তারপর নিরপেক্ষ সরকার আসার পর বিজ্ঞ আদালত মামলা থেকে অব্যাহতি দিয়েছে। ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ করে দেওয়া ও আয়নাঘরে নেওয়ার হুমকির কারণে আমি জেলা বিএনপির সভাপতির পদ থেকে পদত্যাগ করেছিলাম।
দল যদি আমাকে মনোনয়ন দেয়, তাহলে আমি আবারও নির্বাচন করব।’

প্রসঙ্গত, এম এ এইচ সেলিম ২০০১ থেকে ২০০৬ সাল পর্যন্ত বাগেরহাট-২ আসনের সংসদ সদস্য ছিলেন। এ ছাড়া ১৯৯৮ সাল থেকে ২০০৯ সাল পর্যন্ত বাগেরহাট জেলা বিএনপির সভাপতির দায়িত্ব পালন করেছেন তিনি।

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

জনপ্রিয় সংবাদ

বাগেরহাটে জমি দখল ও হামলার প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন

দীর্ঘ দুই যুগ পর বাগেরহাট-২ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য এম এ এইচ সেলিমসহ ১৩ আসামীকে খালাস দিল আদালত

আপডেট টাইম : 06:15:03 pm, Tuesday, 30 September 2025

বাগেরহাট প্রতিনিধি:বাগেরহাটে দীর্ঘ ২৪ বছর পর জননিরাপত্তা আইনের মামলা থেকে অব্যাহতি পেয়েছেন (বিএনপি দলীয়) সাবেক সংসদ সদস্য এম এ এইচ সেলিম। মঙ্গলবার (৩০ সেপ্টেম্বর) দুপুরে বাগেরহাট অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক আব্দুর সবুরের আদালতে হাজির হয়ে মামলা থেকে অব্যাহতি চেয়ে আবেদন জানান তিনি। আদালত দীর্ঘ শুনানি শেষে মামলা থেকে সেলিমসহ ১৩ জনকে অব্যাহতি দেন।

আদালত সূত্রে জানা যায়, ২০০১ সালে রেল রোডস্থ আওয়ামী লীগ অফিস ভাঙচুরের ঘটনায় পুলিশ বাদী হয়ে সাবেক এমপি এম এ এইচ সেলিমসহ ৩০ থেকে ৩৫ জনের নামে জননিরাপত্তা আইনে মামলা করেন। পরবর্তীতে ১৩ জনকে অভিযুক্ত করে একটি চার্জশিট দাখিল করেন।

দীর্ঘ দুই যুগ পর বাগেরহাট-২ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য এম এ এইচ সেলিমসহ ১৩ আসামীকে খালাস দিল আদালত
আসামিপক্ষের আইনজীবী শহিদুল ইসলাম বলেন, ২০০১ সালে বাগেরহাটের কচুয়া উপজেলার সাইনবোর্ড এলাকায় হামলা, মারামারি ও ভাঙচুরের ঘটনায় জেলা বিএনপি’র তৎকালীন সভাপতি এম এ এইচ সেলিমকে প্রধান করে দলের আরও ১২ জনের বিরুদ্ধে জননিরাপত্তা আইনে একটি মামলা হয়। মামলাটি ছিল রাজনৈতিক। পরবর্তিতে উচ্চ আদালতের আদেশে মামলাটি স্থগিত হয়। ২০০৮ সালে জননিরাপত্তা আইনটি সরকার বাতিল করলেও মামলাটি নিন্ম আদালতে চলছিল। আজ বিচারক মামলার দীর্ঘ শুনানী শেষে সেলিমসহ সকল আসামীকে বেকসুর খালাস দেন। দুই যুগ পর বিচারক মামলা থেকে সবাইকে অব্যাহতি দেওয়ায় সন্তোষ প্রকাশ করেন এই আইনজীবী।
দীর্ঘ দুই যুগ পর বাগেরহাট-২ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য এম এ এইচ সেলিমসহ ১৩ আসামীকে খালাস দিল আদালত

এম এ এইচ সেলিম বলেন, ‘দীর্ঘদিন মামলাটি স্থগিত অবস্থায় ছিল। তারপর নিরপেক্ষ সরকার আসার পর বিজ্ঞ আদালত মামলা থেকে অব্যাহতি দিয়েছে। ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ করে দেওয়া ও আয়নাঘরে নেওয়ার হুমকির কারণে আমি জেলা বিএনপির সভাপতির পদ থেকে পদত্যাগ করেছিলাম।
দল যদি আমাকে মনোনয়ন দেয়, তাহলে আমি আবারও নির্বাচন করব।’

প্রসঙ্গত, এম এ এইচ সেলিম ২০০১ থেকে ২০০৬ সাল পর্যন্ত বাগেরহাট-২ আসনের সংসদ সদস্য ছিলেন। এ ছাড়া ১৯৯৮ সাল থেকে ২০০৯ সাল পর্যন্ত বাগেরহাট জেলা বিএনপির সভাপতির দায়িত্ব পালন করেছেন তিনি।