Dhaka , Thursday, 17 September 2026
শিরোনাম :
বাগেরহাটে বসতবাড়ির তালা ভেঙে মূল্যবান মালামাল ও দলিলপত্র লুটের অভিযোগ বাগেরহাটে জাতীয়তাবাদী মহিলা দলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আলোচনা সভা বাগেরহাটে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ও আহতদের পরিবারের মাঝে ক্ষতিপূরণের চেক বিতরণ ৪০ কোটি টাকার পানি প্রকল্প অচল, পচা দিঘিতে মাছ শিকারের উৎসব ড্রেন না থাকায় জলাবদ্ধতা, হুমকির মুখে ব্রিজ ঋণের বোঝা, আ.লীগের ‘দায়’ বিএনপির ‘ঘাড়ে’ সমাজবিরোধী অপশক্তির বিরুদ্ধে সর্তক থাকার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর বগুড়ায় প্রতিমন্ত্রীর গাড়ির ধাক্কায় আহত নারীর মৃত্যু বাগেরহাটে শিক্ষার্থীদের মাঝে ক্রীড়া সামগ্রী বিতরণ তানজিন তিশার বিরুদ্ধে মামলার সত্যতা পায়নি পিবিআই, বাদীপক্ষের নারাজি

দীর্ঘ দুই যুগ পর বাগেরহাট-২ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য এম এ এইচ সেলিমসহ ১৩ আসামীকে খালাস দিল আদালত

  • Md.Liton
  • আপডেট টাইম : 06:15:03 pm, Tuesday, 30 September 2025
  • 169 বার

বাগেরহাট প্রতিনিধি:বাগেরহাটে দীর্ঘ ২৪ বছর পর জননিরাপত্তা আইনের মামলা থেকে অব্যাহতি পেয়েছেন (বিএনপি দলীয়) সাবেক সংসদ সদস্য এম এ এইচ সেলিম। মঙ্গলবার (৩০ সেপ্টেম্বর) দুপুরে বাগেরহাট অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক আব্দুর সবুরের আদালতে হাজির হয়ে মামলা থেকে অব্যাহতি চেয়ে আবেদন জানান তিনি। আদালত দীর্ঘ শুনানি শেষে মামলা থেকে সেলিমসহ ১৩ জনকে অব্যাহতি দেন।

আদালত সূত্রে জানা যায়, ২০০১ সালে রেল রোডস্থ আওয়ামী লীগ অফিস ভাঙচুরের ঘটনায় পুলিশ বাদী হয়ে সাবেক এমপি এম এ এইচ সেলিমসহ ৩০ থেকে ৩৫ জনের নামে জননিরাপত্তা আইনে মামলা করেন। পরবর্তীতে ১৩ জনকে অভিযুক্ত করে একটি চার্জশিট দাখিল করেন।

দীর্ঘ দুই যুগ পর বাগেরহাট-২ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য এম এ এইচ সেলিমসহ ১৩ আসামীকে খালাস দিল আদালত
আসামিপক্ষের আইনজীবী শহিদুল ইসলাম বলেন, ২০০১ সালে বাগেরহাটের কচুয়া উপজেলার সাইনবোর্ড এলাকায় হামলা, মারামারি ও ভাঙচুরের ঘটনায় জেলা বিএনপি’র তৎকালীন সভাপতি এম এ এইচ সেলিমকে প্রধান করে দলের আরও ১২ জনের বিরুদ্ধে জননিরাপত্তা আইনে একটি মামলা হয়। মামলাটি ছিল রাজনৈতিক। পরবর্তিতে উচ্চ আদালতের আদেশে মামলাটি স্থগিত হয়। ২০০৮ সালে জননিরাপত্তা আইনটি সরকার বাতিল করলেও মামলাটি নিন্ম আদালতে চলছিল। আজ বিচারক মামলার দীর্ঘ শুনানী শেষে সেলিমসহ সকল আসামীকে বেকসুর খালাস দেন। দুই যুগ পর বিচারক মামলা থেকে সবাইকে অব্যাহতি দেওয়ায় সন্তোষ প্রকাশ করেন এই আইনজীবী।
দীর্ঘ দুই যুগ পর বাগেরহাট-২ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য এম এ এইচ সেলিমসহ ১৩ আসামীকে খালাস দিল আদালত

এম এ এইচ সেলিম বলেন, ‘দীর্ঘদিন মামলাটি স্থগিত অবস্থায় ছিল। তারপর নিরপেক্ষ সরকার আসার পর বিজ্ঞ আদালত মামলা থেকে অব্যাহতি দিয়েছে। ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ করে দেওয়া ও আয়নাঘরে নেওয়ার হুমকির কারণে আমি জেলা বিএনপির সভাপতির পদ থেকে পদত্যাগ করেছিলাম।
দল যদি আমাকে মনোনয়ন দেয়, তাহলে আমি আবারও নির্বাচন করব।’

প্রসঙ্গত, এম এ এইচ সেলিম ২০০১ থেকে ২০০৬ সাল পর্যন্ত বাগেরহাট-২ আসনের সংসদ সদস্য ছিলেন। এ ছাড়া ১৯৯৮ সাল থেকে ২০০৯ সাল পর্যন্ত বাগেরহাট জেলা বিএনপির সভাপতির দায়িত্ব পালন করেছেন তিনি।

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

জনপ্রিয় সংবাদ

বাগেরহাটে বসতবাড়ির তালা ভেঙে মূল্যবান মালামাল ও দলিলপত্র লুটের অভিযোগ

দীর্ঘ দুই যুগ পর বাগেরহাট-২ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য এম এ এইচ সেলিমসহ ১৩ আসামীকে খালাস দিল আদালত

আপডেট টাইম : 06:15:03 pm, Tuesday, 30 September 2025

বাগেরহাট প্রতিনিধি:বাগেরহাটে দীর্ঘ ২৪ বছর পর জননিরাপত্তা আইনের মামলা থেকে অব্যাহতি পেয়েছেন (বিএনপি দলীয়) সাবেক সংসদ সদস্য এম এ এইচ সেলিম। মঙ্গলবার (৩০ সেপ্টেম্বর) দুপুরে বাগেরহাট অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক আব্দুর সবুরের আদালতে হাজির হয়ে মামলা থেকে অব্যাহতি চেয়ে আবেদন জানান তিনি। আদালত দীর্ঘ শুনানি শেষে মামলা থেকে সেলিমসহ ১৩ জনকে অব্যাহতি দেন।

আদালত সূত্রে জানা যায়, ২০০১ সালে রেল রোডস্থ আওয়ামী লীগ অফিস ভাঙচুরের ঘটনায় পুলিশ বাদী হয়ে সাবেক এমপি এম এ এইচ সেলিমসহ ৩০ থেকে ৩৫ জনের নামে জননিরাপত্তা আইনে মামলা করেন। পরবর্তীতে ১৩ জনকে অভিযুক্ত করে একটি চার্জশিট দাখিল করেন।

দীর্ঘ দুই যুগ পর বাগেরহাট-২ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য এম এ এইচ সেলিমসহ ১৩ আসামীকে খালাস দিল আদালত
আসামিপক্ষের আইনজীবী শহিদুল ইসলাম বলেন, ২০০১ সালে বাগেরহাটের কচুয়া উপজেলার সাইনবোর্ড এলাকায় হামলা, মারামারি ও ভাঙচুরের ঘটনায় জেলা বিএনপি’র তৎকালীন সভাপতি এম এ এইচ সেলিমকে প্রধান করে দলের আরও ১২ জনের বিরুদ্ধে জননিরাপত্তা আইনে একটি মামলা হয়। মামলাটি ছিল রাজনৈতিক। পরবর্তিতে উচ্চ আদালতের আদেশে মামলাটি স্থগিত হয়। ২০০৮ সালে জননিরাপত্তা আইনটি সরকার বাতিল করলেও মামলাটি নিন্ম আদালতে চলছিল। আজ বিচারক মামলার দীর্ঘ শুনানী শেষে সেলিমসহ সকল আসামীকে বেকসুর খালাস দেন। দুই যুগ পর বিচারক মামলা থেকে সবাইকে অব্যাহতি দেওয়ায় সন্তোষ প্রকাশ করেন এই আইনজীবী।
দীর্ঘ দুই যুগ পর বাগেরহাট-২ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য এম এ এইচ সেলিমসহ ১৩ আসামীকে খালাস দিল আদালত

এম এ এইচ সেলিম বলেন, ‘দীর্ঘদিন মামলাটি স্থগিত অবস্থায় ছিল। তারপর নিরপেক্ষ সরকার আসার পর বিজ্ঞ আদালত মামলা থেকে অব্যাহতি দিয়েছে। ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ করে দেওয়া ও আয়নাঘরে নেওয়ার হুমকির কারণে আমি জেলা বিএনপির সভাপতির পদ থেকে পদত্যাগ করেছিলাম।
দল যদি আমাকে মনোনয়ন দেয়, তাহলে আমি আবারও নির্বাচন করব।’

প্রসঙ্গত, এম এ এইচ সেলিম ২০০১ থেকে ২০০৬ সাল পর্যন্ত বাগেরহাট-২ আসনের সংসদ সদস্য ছিলেন। এ ছাড়া ১৯৯৮ সাল থেকে ২০০৯ সাল পর্যন্ত বাগেরহাট জেলা বিএনপির সভাপতির দায়িত্ব পালন করেছেন তিনি।