Dhaka , Thursday, 17 September 2026
শিরোনাম :
বাগেরহাটে বসতবাড়ির তালা ভেঙে মূল্যবান মালামাল ও দলিলপত্র লুটের অভিযোগ বাগেরহাটে জাতীয়তাবাদী মহিলা দলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আলোচনা সভা বাগেরহাটে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ও আহতদের পরিবারের মাঝে ক্ষতিপূরণের চেক বিতরণ ৪০ কোটি টাকার পানি প্রকল্প অচল, পচা দিঘিতে মাছ শিকারের উৎসব ড্রেন না থাকায় জলাবদ্ধতা, হুমকির মুখে ব্রিজ ঋণের বোঝা, আ.লীগের ‘দায়’ বিএনপির ‘ঘাড়ে’ সমাজবিরোধী অপশক্তির বিরুদ্ধে সর্তক থাকার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর বগুড়ায় প্রতিমন্ত্রীর গাড়ির ধাক্কায় আহত নারীর মৃত্যু বাগেরহাটে শিক্ষার্থীদের মাঝে ক্রীড়া সামগ্রী বিতরণ তানজিন তিশার বিরুদ্ধে মামলার সত্যতা পায়নি পিবিআই, বাদীপক্ষের নারাজি

দুই লাখ ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিন কেনার প্রকল্প স্থগিত

  • Md.Liton
  • আপডেট টাইম : 05:24:52 pm, Monday, 23 January 2023
  • 87 বার

আমার ডেক্স:দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ১৫০টি আসনে ব্যবহারের জন্য দুই লাখ ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিন (ইভিএম) কেনার প্রকল্প স্থগিত করেছে সরকার।বৈশ্বিক প্রেক্ষাপটে সরকারের আর্থিক সামর্থ্য বিবেচনায় আপাতত নতুন করে কোনো ইভিএম কেনা হচ্ছে না বলে জানিয়েছেন নির্বাচন কমিশন সচিব জাহাঙ্গীর আলম।সোমবার (২৩ জানুয়ারী) রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনে এক সংবাদ সম্মেলনে ইসি সচিব জাহাঙ্গীর আলম সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন, রবিবার পরিকল্পনা কমিশন থেকে জানানো হয়েছে ইভিএম প্রকল্পটি বিস্তারিত পরীক্ষা-নিরীক্ষা এবং বৈশ্বিক প্রেক্ষাপটে সরকারের আর্থিক সামর্থ্য বিবেচনায় আপাতত প্রক্রিয়াকরণ না করার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।

নির্বাচন কমিশন সচিব জানান, আগামী দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ১৫০ আসনে ইভিএম ব্যবহারের নতুন যে প্রকল্প হাতে নেয়া হয়েছিলো সেটি স্থগিত হয়ে গেছে। ফলে ২০১৮ সালে ক্রয়কৃত ইভিএম দিয়ে যতটা আসনে নির্বাচন করা যায় নির্বাচন কমিশন সেটাই করার চেষ্টা করবে।
ইসি সচিব আরো বলেন, কমিশন আগেই জানিয়েছেন নতুন প্রকল্প পাস না হলে আমাদের কাছে যত মেশিন আছে, তা দিয়ে যতগুলো আসনে করা সম্ভব ততগুলো আসনেই ভোট করব। যদি আর্থিক সামর্থ্য হয়, তাহলে ভবিষ্যতে হবে। তবে বর্তমানে আমাদের হাতে যে পরিমাণ ইভিএম রয়েছে তা সর্বোচ্চ ৫০টি থেকে ৬০টি কিংবা ৭০টি আসনে সংসদ নির্বাচন করা সম্ভব। কমিশন সেটাই করার চেষ্টা করবে।

এর আগে, গত বছরের ১৯ অক্টোবর ‘নির্বাচনি ব্যবস্থায় ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিনের ব্যবহার বৃদ্ধি এবং টেকসই ব্যবস্থাপনা’ শীর্ষক প্রকল্প প্রস্তাব পরিকল্পনা কমিশনে পাঠায় ইসি। আগামী জাতীয় নির্বাচনে দেড়শ’ আসনে ইভিএমে ভোট করার লক্ষ্যে প্রায় দুই লাখ ইভিএম কেনা ও রক্ষণাবেক্ষণসহ আনুষঙ্গিক ব্যয়-সংক্রান্ত প্রকল্পটি নেয়া হয়।

পরে ৭ হাজার ৮০০ কোটি টাকার প্রস্তাবিত ইভিএম প্রকল্পটিতে বেশ কিছু পর্যবেক্ষণ দেয় পরিকল্পনা কমিশন। প্রাথমিকভাবে প্রকল্পটির ব্যয় ধরা হয়েছে ৮ হাজার ৭১১ কোটি টাকা।

জানা গেছে, আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে কমপক্ষে ১৫০ আসনে ইভিএমে ভোট গ্রহণের সিদ্ধান্ত নিয়েছে কাজী হাবিবুল আউয়ালের নেতৃত্বাধীন নির্বাচন কমিশন। ইসির সংলাপে বিএনপি, জাতীয় পার্টিসহ বেশির ভাগ দল নির্বাচনে ইভিএমে’র বিরোধিতা করলেও তা আমলে নেয়নি ইসি।

সংসদ নির্বাচনে ভোট গ্রহণ করতে বর্তমানে দেড় লাখ ইভিএম আছে কমিশনের কাছে, যা দিয়ে সর্বোচ্চ ৭০টি আসনে ভোট করা সম্ভব। দেড়শ আসনে ইভিএমে ভোট করতে আরো দুই লাখ ইভিএম কিনতে হতো।

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

জনপ্রিয় সংবাদ

বাগেরহাটে বসতবাড়ির তালা ভেঙে মূল্যবান মালামাল ও দলিলপত্র লুটের অভিযোগ

দুই লাখ ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিন কেনার প্রকল্প স্থগিত

আপডেট টাইম : 05:24:52 pm, Monday, 23 January 2023

আমার ডেক্স:দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ১৫০টি আসনে ব্যবহারের জন্য দুই লাখ ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিন (ইভিএম) কেনার প্রকল্প স্থগিত করেছে সরকার।বৈশ্বিক প্রেক্ষাপটে সরকারের আর্থিক সামর্থ্য বিবেচনায় আপাতত নতুন করে কোনো ইভিএম কেনা হচ্ছে না বলে জানিয়েছেন নির্বাচন কমিশন সচিব জাহাঙ্গীর আলম।সোমবার (২৩ জানুয়ারী) রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনে এক সংবাদ সম্মেলনে ইসি সচিব জাহাঙ্গীর আলম সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন, রবিবার পরিকল্পনা কমিশন থেকে জানানো হয়েছে ইভিএম প্রকল্পটি বিস্তারিত পরীক্ষা-নিরীক্ষা এবং বৈশ্বিক প্রেক্ষাপটে সরকারের আর্থিক সামর্থ্য বিবেচনায় আপাতত প্রক্রিয়াকরণ না করার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।

নির্বাচন কমিশন সচিব জানান, আগামী দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ১৫০ আসনে ইভিএম ব্যবহারের নতুন যে প্রকল্প হাতে নেয়া হয়েছিলো সেটি স্থগিত হয়ে গেছে। ফলে ২০১৮ সালে ক্রয়কৃত ইভিএম দিয়ে যতটা আসনে নির্বাচন করা যায় নির্বাচন কমিশন সেটাই করার চেষ্টা করবে।
ইসি সচিব আরো বলেন, কমিশন আগেই জানিয়েছেন নতুন প্রকল্প পাস না হলে আমাদের কাছে যত মেশিন আছে, তা দিয়ে যতগুলো আসনে করা সম্ভব ততগুলো আসনেই ভোট করব। যদি আর্থিক সামর্থ্য হয়, তাহলে ভবিষ্যতে হবে। তবে বর্তমানে আমাদের হাতে যে পরিমাণ ইভিএম রয়েছে তা সর্বোচ্চ ৫০টি থেকে ৬০টি কিংবা ৭০টি আসনে সংসদ নির্বাচন করা সম্ভব। কমিশন সেটাই করার চেষ্টা করবে।

এর আগে, গত বছরের ১৯ অক্টোবর ‘নির্বাচনি ব্যবস্থায় ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিনের ব্যবহার বৃদ্ধি এবং টেকসই ব্যবস্থাপনা’ শীর্ষক প্রকল্প প্রস্তাব পরিকল্পনা কমিশনে পাঠায় ইসি। আগামী জাতীয় নির্বাচনে দেড়শ’ আসনে ইভিএমে ভোট করার লক্ষ্যে প্রায় দুই লাখ ইভিএম কেনা ও রক্ষণাবেক্ষণসহ আনুষঙ্গিক ব্যয়-সংক্রান্ত প্রকল্পটি নেয়া হয়।

পরে ৭ হাজার ৮০০ কোটি টাকার প্রস্তাবিত ইভিএম প্রকল্পটিতে বেশ কিছু পর্যবেক্ষণ দেয় পরিকল্পনা কমিশন। প্রাথমিকভাবে প্রকল্পটির ব্যয় ধরা হয়েছে ৮ হাজার ৭১১ কোটি টাকা।

জানা গেছে, আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে কমপক্ষে ১৫০ আসনে ইভিএমে ভোট গ্রহণের সিদ্ধান্ত নিয়েছে কাজী হাবিবুল আউয়ালের নেতৃত্বাধীন নির্বাচন কমিশন। ইসির সংলাপে বিএনপি, জাতীয় পার্টিসহ বেশির ভাগ দল নির্বাচনে ইভিএমে’র বিরোধিতা করলেও তা আমলে নেয়নি ইসি।

সংসদ নির্বাচনে ভোট গ্রহণ করতে বর্তমানে দেড় লাখ ইভিএম আছে কমিশনের কাছে, যা দিয়ে সর্বোচ্চ ৭০টি আসনে ভোট করা সম্ভব। দেড়শ আসনে ইভিএমে ভোট করতে আরো দুই লাখ ইভিএম কিনতে হতো।