খন্দকার মঈন বলেন, ‘সিসিটিভি ফুটেজ বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে, ইটের আঘাতে নাহিদ পড়ে যান। এরপর তাকে রড দিয়ে বেধড়ক আঘাত করেন সিয়াম। ফুটেজে আরেকজনকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে আঘাত করতে দেখা যায়। তাঁর নাম ইমন। তাঁরা দুজনেই ঢাকা কলেজের শিক্ষার্থী।’ কোন পাশ থেকে বা কার ইটের আঘাতে নাহিদ পড়ে যান, তা চিহ্নিত করতে পারেনি র্যাব। ইমনও পলাতক রয়েছেন। তাঁকে গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে বলে জানিয়েছেন র্যাবের মুখপাত্র।
উসকানি ও গুজবে সাড়া দিয়ে সিয়াম ব্যবসায়ীদের সঙ্গে সংঘর্ষে জড়ান বলে জানিয়েছেন খন্দকার আল মঈন। তিনি জানান, সিয়াম হলে থাকতেন না। তিনি ঢাকা কলেজের তৃতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী। বাইরে থেকে এসে কলেজ শিক্ষার্থীদের পক্ষে সংঘর্ষে জড়ান সিয়াম। আগে ১৮ এপ্রিল রাতে শুরু হওয়া সংঘর্ষ ১৯ এপ্রিলও চলতে থাকে। ১৯ এপ্রিল দুপুরে আহত হন নাহিদ। গুরুতর আহত অবস্থায় নাহিদকে উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেলে নেওয়ার পর রাতে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান। ফার্স্ট ফুডের দোকানে ইফতারের টেবিল সাজানো নিয়ে সংঘর্ষের সূত্রপাত। যে দুজন কর্মচারীর ডাকে ঢাকা কলেজের ছাত্ররা নিউমার্কেটে গিয়েছিলেন, সেই দুজনকেও গ্রেপ্তার করেছে র্যাব। তারা হলেন মোয়াজ্জেম হোসেন সজীব ও মেহেদী হাসান বাপ্পী। তাঁদের কক্সবাজার থেকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
Md.Liton 











