Dhaka , Friday, 18 September 2026
শিরোনাম :
বাগেরহাটে বসতবাড়ির তালা ভেঙে মূল্যবান মালামাল ও দলিলপত্র লুটের অভিযোগ বাগেরহাটে জাতীয়তাবাদী মহিলা দলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আলোচনা সভা বাগেরহাটে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ও আহতদের পরিবারের মাঝে ক্ষতিপূরণের চেক বিতরণ ৪০ কোটি টাকার পানি প্রকল্প অচল, পচা দিঘিতে মাছ শিকারের উৎসব ড্রেন না থাকায় জলাবদ্ধতা, হুমকির মুখে ব্রিজ ঋণের বোঝা, আ.লীগের ‘দায়’ বিএনপির ‘ঘাড়ে’ সমাজবিরোধী অপশক্তির বিরুদ্ধে সর্তক থাকার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর বগুড়ায় প্রতিমন্ত্রীর গাড়ির ধাক্কায় আহত নারীর মৃত্যু বাগেরহাটে শিক্ষার্থীদের মাঝে ক্রীড়া সামগ্রী বিতরণ তানজিন তিশার বিরুদ্ধে মামলার সত্যতা পায়নি পিবিআই, বাদীপক্ষের নারাজি

পদ্মা সেতু :বাগেরহাটসহ ২১ জেলার পাঠকরা সকালেই হাতে পাবেন জাতীয় পত্রিকা

  • Md.Liton
  • আপডেট টাইম : 08:28:02 pm, Friday, 24 June 2022
  • 124 বার

দক্ষিণাঞ্চলের ২১ জেলার পত্রিকা পাঠক ও সংবাদকর্মীদের জন্য সুখবর নিয়ে আসছে পদ্মা সেতু।

মাসুদুল হক, বাগেরহাট:ঘুম থেকে উঠে পাঠকদের আর অপেক্ষায় থাকতে হবে না পত্রিকার। ২৫ জুনের পরে পাঠকদের সকাল হওয়ার সাথে সাথে বাড়িতে পৌছে যাবে জাতীয় সব পত্রিকা। দীর্ঘদিনের বিড়ম্বনা থেকে রক্ষা পাবেন পাঠকরা। সন্ধ্যার পরে ঘটে যাওয়া কোন সংবাদের আপডেট পাঠাতেও কোনো বিড়ম্বনায় পড়তে হবে না গনমাধ্যমকর্মীদের। পাঠকরাও ঘুম ভাঙ্গার আগে হাতে পাবেন প্রিয় পত্রিকা। চায়ের কাপে চুমুকের সাথে পত্রিকা পরে খবরের তৃষ্ণা মেটাতে পারবেন পাঠকরা এমনই মনে করছেন বাগেরহাটবাসী।

সোহেল রানা নামের একজন পাঠক জানান, অনেক সময় সকাল গড়িয়ে দুপুর হলেও আমরা পত্রিকা পেতাম না। কিন্তু পদ্মা সেতু হয়ে গেলে চিরতরে সেদিন হারিয়ে যাবে। খুব দ্রুতই আমরা সব খবর জানতে পারব।

হকার মামুন বলেন, ঝড়-বৃষ্টি, জলোচ্ছ্বাস, কুয়াশা, স্রোত বিভিন্ন কারনে পত্রিকা আসতে অনেক দেরি হত। আমরা এজেন্টদের কাছে তীর্থের কাকের মত বসে থাকতাম কখন পত্রিকা আসে। পাঠকরা ফোনের পরে ফোন দিত। অবশেষে সেই চিরায়ত দিনের অবসান হচ্ছে। এখন আর অপেক্ষা করতে হবে না কোনো পাঠককে। ঘুম দিয়ে উঠেই তারা পড়তে পারবেন পত্রিকা।

বাগেরহাট সদর উপজেলার বৈটপুর এলাকার এনামুল আহমেদ বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ে থাকা অবস্থায়ই পত্রিকা পড়ার অভ্যাস। তাই চাকুরীর পরেও বাসায় পত্রিকা রাখি। কিন্তু কষ্টের বিষয় হচ্ছে, সকালের পত্রিকা আমরা পাই দুপুরে, কোন কোন দিন আবার বিকেলেও পত্রিকা দেয় হকার। কারণ জানতে চাইলে ফেরীর অজুহাত দেওয়া হয়। আশাকরি পদ্মাসেতু চালু হলে ঘুম থেকে উঠেই পত্রিকা দেখতে পাব।

বাগেরহাটের পত্রিকা পরিবেশক মোকাদ্দেস আলী জানান, ঢাকা থেকে প্রকাশিত প্রায় সকল পত্রিকা আমরা এনে হকারদের মাধ্যমে বিক্রি করে থাকি। শীতকালে কুয়াশা ও বিভিন্ন সময় দূর্যোগের কারনে পত্রিকা বিকেলে এসে পৌছাত। বিলম্বে আসায় সঠিক সময় পত্রিকা পাঠকদের কাছে পৌছানো সম্ভব হত না। সকালের পত্রিকা অনেক সময় বিকেল বা সন্ধায় দিতে হত। পদ্মা সেতু হলে এই বিড়ম্বনা থেকে আমরা মুক্তি পাব।

বাগেরহাটের সিনিয়র সাংবাদিক এ্যাড. শাহ আলম টুকু বলেন, একটা সময় ছিল পত্রিকা হাতে পেতাম একদিন পরে। বর্তমানে ফেরী বিড়ম্বনার কারণে প্রায়শই দুপুরের দিকে পাই পত্রিকা । দুপুরে পত্রিকা হাতে পাওয়ার কারণে অনেকে পত্রিকা কিনতে চায় না। পদ্মা সেতু চালু ফেরী বিড়ম্বনা থাকবে না, ঘুম থেকে ওঠার সাথে সাথে পাঠকের বাসায় পত্রিকা পৌছে যাবে। যার ফলে পত্রিকার পাঠকও বাড়বে বলে দাবি করেন তিনি।

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

জনপ্রিয় সংবাদ

বাগেরহাটে বসতবাড়ির তালা ভেঙে মূল্যবান মালামাল ও দলিলপত্র লুটের অভিযোগ

পদ্মা সেতু :বাগেরহাটসহ ২১ জেলার পাঠকরা সকালেই হাতে পাবেন জাতীয় পত্রিকা

আপডেট টাইম : 08:28:02 pm, Friday, 24 June 2022

দক্ষিণাঞ্চলের ২১ জেলার পত্রিকা পাঠক ও সংবাদকর্মীদের জন্য সুখবর নিয়ে আসছে পদ্মা সেতু।

মাসুদুল হক, বাগেরহাট:ঘুম থেকে উঠে পাঠকদের আর অপেক্ষায় থাকতে হবে না পত্রিকার। ২৫ জুনের পরে পাঠকদের সকাল হওয়ার সাথে সাথে বাড়িতে পৌছে যাবে জাতীয় সব পত্রিকা। দীর্ঘদিনের বিড়ম্বনা থেকে রক্ষা পাবেন পাঠকরা। সন্ধ্যার পরে ঘটে যাওয়া কোন সংবাদের আপডেট পাঠাতেও কোনো বিড়ম্বনায় পড়তে হবে না গনমাধ্যমকর্মীদের। পাঠকরাও ঘুম ভাঙ্গার আগে হাতে পাবেন প্রিয় পত্রিকা। চায়ের কাপে চুমুকের সাথে পত্রিকা পরে খবরের তৃষ্ণা মেটাতে পারবেন পাঠকরা এমনই মনে করছেন বাগেরহাটবাসী।

সোহেল রানা নামের একজন পাঠক জানান, অনেক সময় সকাল গড়িয়ে দুপুর হলেও আমরা পত্রিকা পেতাম না। কিন্তু পদ্মা সেতু হয়ে গেলে চিরতরে সেদিন হারিয়ে যাবে। খুব দ্রুতই আমরা সব খবর জানতে পারব।

হকার মামুন বলেন, ঝড়-বৃষ্টি, জলোচ্ছ্বাস, কুয়াশা, স্রোত বিভিন্ন কারনে পত্রিকা আসতে অনেক দেরি হত। আমরা এজেন্টদের কাছে তীর্থের কাকের মত বসে থাকতাম কখন পত্রিকা আসে। পাঠকরা ফোনের পরে ফোন দিত। অবশেষে সেই চিরায়ত দিনের অবসান হচ্ছে। এখন আর অপেক্ষা করতে হবে না কোনো পাঠককে। ঘুম দিয়ে উঠেই তারা পড়তে পারবেন পত্রিকা।

বাগেরহাট সদর উপজেলার বৈটপুর এলাকার এনামুল আহমেদ বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ে থাকা অবস্থায়ই পত্রিকা পড়ার অভ্যাস। তাই চাকুরীর পরেও বাসায় পত্রিকা রাখি। কিন্তু কষ্টের বিষয় হচ্ছে, সকালের পত্রিকা আমরা পাই দুপুরে, কোন কোন দিন আবার বিকেলেও পত্রিকা দেয় হকার। কারণ জানতে চাইলে ফেরীর অজুহাত দেওয়া হয়। আশাকরি পদ্মাসেতু চালু হলে ঘুম থেকে উঠেই পত্রিকা দেখতে পাব।

বাগেরহাটের পত্রিকা পরিবেশক মোকাদ্দেস আলী জানান, ঢাকা থেকে প্রকাশিত প্রায় সকল পত্রিকা আমরা এনে হকারদের মাধ্যমে বিক্রি করে থাকি। শীতকালে কুয়াশা ও বিভিন্ন সময় দূর্যোগের কারনে পত্রিকা বিকেলে এসে পৌছাত। বিলম্বে আসায় সঠিক সময় পত্রিকা পাঠকদের কাছে পৌছানো সম্ভব হত না। সকালের পত্রিকা অনেক সময় বিকেল বা সন্ধায় দিতে হত। পদ্মা সেতু হলে এই বিড়ম্বনা থেকে আমরা মুক্তি পাব।

বাগেরহাটের সিনিয়র সাংবাদিক এ্যাড. শাহ আলম টুকু বলেন, একটা সময় ছিল পত্রিকা হাতে পেতাম একদিন পরে। বর্তমানে ফেরী বিড়ম্বনার কারণে প্রায়শই দুপুরের দিকে পাই পত্রিকা । দুপুরে পত্রিকা হাতে পাওয়ার কারণে অনেকে পত্রিকা কিনতে চায় না। পদ্মা সেতু চালু ফেরী বিড়ম্বনা থাকবে না, ঘুম থেকে ওঠার সাথে সাথে পাঠকের বাসায় পত্রিকা পৌছে যাবে। যার ফলে পত্রিকার পাঠকও বাড়বে বলে দাবি করেন তিনি।