পূর্ব বনবিভাগের সদর রেঞ্জের রেঞ্জ কর্মকর্তা মো. নুরুজ্জামান জানান, সুন্দরবনের বিক্রি নিষিদ্ধ কাঠ পাচার হচ্ছে এমন সংবাদের ভিত্তিতে তার নেতৃত্বে বনবিভাগের একটি টিম সদর উপজেলার রহিমাবাদ এলাকায় অভিযান চালায়। তাদের উপস্থিতি টের পেয়ে ঘটনার সঙ্গে জড়িতরা পালিয়ে যান। এ সময় আড়াইশ’ মণ গেওয়া কাঠ (জ্বালানি) উদ্ধার এবং গোলপাতা বহনে ব্যবহার করা একটি বড় নৌকা ও একটি ট্রাক জব্দ করা হয়।
তিনি আরও জানান, ট্রলারটির মালিক বাগেরহাটের শরণখোলা উপজেলার খোন্তাকাটা গ্রামের আল-মামুন। তারা এই নৌকায় সুন্দরবন থেকে গোলপাতা এনে যাত্রাপুর ইউনিয়নের রহিমাবাদ গ্রামের জাহিদ মোল্লার গোলায় (বিক্রির আড়ত) বিক্রি করেছেন। গোলপাতা বহনকারী নৌকাটিতে সুন্দরবন থেকে কাঠ এনে একই গ্রামের শামীম হোসেনের কাছে বিক্রি করেন। শামীম একই গ্রামের ফারুকের ট্রাকে অন্য জায়গায় কাঠ পাঠানোর সময় ট্রাকটি উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় জড়িতদের বিরুদ্ধে বন আইনে মামলা করা হবে বলে জানান এই কর্মকর্তা।
Md.Liton 











