অপরদিকে ২১৮নং মধ্যেম তেলিগাতি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় শিক্ষক মন্ডলীর পদ ৪ জন থাকলেও উপস্থিত রয়েছেন একজন সহকারি শিক্ষক কানিজ ফাতেমা। তিনিও ৩টি শ্রেনীর পাঠদান করছেন ১টি কক্ষে বসে। প্রধান শিক্ষক দিলারা আফরোজ রয়েছেন মাসিক মিটিংএ। একজন সহকারি শিক্ষক রয়েছেন মাতৃত্বকালিন ছুটিতে, সহকারি শিক্ষক রুবি খানম অনুপস্থিত। প্রধান শিক্ষক জানেন তিনি রয়েছেন বিদ্যালয়ে। অথচ তিনি বিদ্যালয়ে অবস্থান করছেন না। শিক্ষার্থীর উপস্থিত অনেক কম।২৮২ নং দক্ষিণ চরহোগলাবুনিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের চিত্র একই। শিক্ষার্থীর উপস্থিতি খুবই কম। ২ জন শিক্ষক রয়েছেন বিদ্যালয়ে।এদিকে এ উপজেলার ৩০৯টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের মাঠ পর্যায়ের চিত্রে দেখা গেছে অধিকাংশ বিদ্যালয়গুলোতে শিক্ষার্থীর উপস্থিত খুবই কম। নামে মাত্র চলছে বিদ্যালয়গুলো। কর্মরত অনেক শিক্ষকরা নিয়মিত স্কুলে না গিয়ে নানা অজুহাতে দিন পার করছেন। দায়িত্বরত সংশ্লিষ্ট ক্লাষ্টার সহকারি শিক্ষা অফিসারদের নেই কোন তদারকি।প্রাথমিক শিক্ষার মান উন্নোয়নের জন্য সরকারের ব্যাপক পদক্ষেপ থাকলেও তদারকির অভাবে তা বাস্তবায়ন না হওয়ায় একাধিক অভিভাবকরা চরম অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন।
এ বিষয়ে উপজেলা শিক্ষা অফিসার মো. জালাল উদ্দিন বলেন, দীর্ঘদিন মহামারি করোনায় বিদ্যালয়গুলো বন্ধ থাকার কারনে শিক্ষার্থীদের উপস্থিত একটু কম হচ্ছে। তবে শিক্ষার পরিবেশ ফিরিয়ে আনা শিক্ষার্থীদের স্কুলমুখী করার জন্য বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহন করা হচ্ছে। এ রকম পরিবেশ থাকবে না।
Md.Liton 











