এরপর পানি উন্নয়ন বোর্ড পাটগুলি মেরামত করলেও পরে আর কোন খোঁজ নেয়নি। ফলে গেটের অধিকাংশ স্থানে ফাঁকা হয়ে পড়ে। এ অবস্থায় জোয়ারের পানি উঠলে তা সরাসরি কৃষকের জমিতে পৌঁছে যাচ্ছে।
লখপুর ইউনিয়নের জাড়িয়া মাইট কুমরা গ্রামের কৃষক ও মৎস্য চাষি মোঃ রফিকুল ইসলাম, মুজাহিদ শেখ, আব্দুর রশিদ, মুকাররাম শেখ, খোকন শেখ ও সাবেক ইউপি সদস্য মোঃ জালাল উদ্দিন শেখ জানান, চলতি পূর্ণিমার গোনে জোয়ারের লবন পানি উঠতে শুরু করে। এ অবস্থায় ক্ষেতের উঠতি ধান বাঁচানোর জন্য দিনে ও রাতে স্যালোমেশিন বসিয়ে তা দিয়ে পানি সেচ দিচ্ছেন। কিন্তু জোয়ারের লবন পানি একবার ধানের ক্ষেতে প্রবেশ করলে ধান বাচানো যায় না। লবন পানিতে ধানের ব্যাপক ক্ষতি হয়।
গোলাম রসুল, আলমগীর হোসেন, মহব্বত আলী, আহম্মদ শেখ, হাসান আলী ও রাজু মল্লিকসহ একাধিক চাষি বলেন, ৪/৫ দিন আগে হতে তাদের ধানের ক্ষেতে জোয়ারের লবন পানি উঠতে শুরু করেছে। লবন পানিতে তাদের উঠতি ফসল নষ্ট হওয়ার উপক্রম হয়েছে।
ওয়ার্ড আওয়ামী লীগ নেতা মোঃ আলতাপ হোসেন বলেন, খাজুরা ৬ গেট ও ভবনার খড়িবুনিয়ার ২ গেট ও তার পাটগুলি মেরামত করার জন্য আমি সহ এলাকাবাসী স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানকে বারবার অবহিত করেছি। কিন্তু তিনি সে বিষয়ে কোন পদক্ষেপ গ্রহণ করেননি।
৯নং ওয়ার্ড সদস্য মোঃ শাহীন ফারাজী বলেন, জোয়ারের লবন পানি জোয়ারের সময় প্রবল বেগে উপরের দিকে ধেয়ে আসছে। পানির চাপে বাঁধ ভেঙ্গে যাওয়ার উপক্রম হয়েছে। জোয়ারের লবন পানি উঠা বন্ধ করতে হলে ২টি গেটের পাট মজবুত করে নির্মাণ করতে হবে। তা না হলে জোয়ারের লবন পানি ওঠা বন্ধ করা যাবে না।
লখপুর ইউনিয়নের দায়িত্বপ্রাপ্ত উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা অভিজিৎ গাউন ও সুমন বাকচি বলেন, আমরা বেশ কয়েকটি বিলে সরেজমিনে দেখেছি – লবন পানি উঠা বন্ধ করতে না পারলে কৃষকরা ব্যপক ক্ষতির সম্মুখিন হবেন।
এ ব্যাপারে উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা কৃষ্ণা সরকার বলেন, আমি খবর পেয়ে আমার উপ-সহকারীদের ঘটনা স্থলে পাঠিয়েছি। তারা বিষয়টি দেখছে এবং কৃষকদের পরামর্শ প্রদান করছেন।
লখপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান এম,ডি সেলিম রেজা বলেন, আমি ছয় গেটের পাট মেরামতের বিষয়ে উর্দ্ধতন কর্মকর্তাদের অবহিত করেছি। তাঁরা বলেছেন, ৬ গেট পূনঃ নির্মানের জন্য একটি টেন্ডার হয়েছে। ঠিকাদার অচিরেই কাজ শুরু করবেন।
Md.Liton 











