Dhaka , Thursday, 17 September 2026
শিরোনাম :
বাগেরহাটে বসতবাড়ির তালা ভেঙে মূল্যবান মালামাল ও দলিলপত্র লুটের অভিযোগ বাগেরহাটে জাতীয়তাবাদী মহিলা দলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আলোচনা সভা বাগেরহাটে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ও আহতদের পরিবারের মাঝে ক্ষতিপূরণের চেক বিতরণ ৪০ কোটি টাকার পানি প্রকল্প অচল, পচা দিঘিতে মাছ শিকারের উৎসব ড্রেন না থাকায় জলাবদ্ধতা, হুমকির মুখে ব্রিজ ঋণের বোঝা, আ.লীগের ‘দায়’ বিএনপির ‘ঘাড়ে’ সমাজবিরোধী অপশক্তির বিরুদ্ধে সর্তক থাকার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর বগুড়ায় প্রতিমন্ত্রীর গাড়ির ধাক্কায় আহত নারীর মৃত্যু বাগেরহাটে শিক্ষার্থীদের মাঝে ক্রীড়া সামগ্রী বিতরণ তানজিন তিশার বিরুদ্ধে মামলার সত্যতা পায়নি পিবিআই, বাদীপক্ষের নারাজি

ফুলকপিতে সাত রং, চাষে সাফল্য সুশেন ও দীপার

  • Md.Liton
  • আপডেট টাইম : 07:10:04 pm, Monday, 23 January 2023
  • 134 বার

আমার ডেক্স:প্রথমবারের মতো রঙিন জাতের ফুলকপি চাষ করেছেন সুশেন বালা ও দীপা বালা নামের দুই চাষি। মাগুরার শ্রীপুর উপজেলার নাকোল ইউনিয়নের হাজরাতলা গ্রামে ৪০ শতক জমিতে সোনালি, বেগুনি, লাল, কমলাসহ সাত রঙের ফুলকপি ও ব্রকলি চাষ করেছেন তাঁরা।
রঙিন ফুলকপি দেখতে যেমন সুন্দর, খেতেও সুস্বাদু। পুষ্টিগুণে ভরপুর রঙিন জাতের এই ফুলকপির দাম সাধারণ জাতের ফুলকপির চেয়ে বেশি। সাত রঙা এই ফুলকপি দেখতে প্রতিদিন অসংখ্য মানুষ ভিড় করছেন সুশেন বালা ও দীপা বালার খেতে।

কিষান সুশেন বালা বলেন, ‘উপজেলা কৃষি কার্যালয়ের সহযোগিতায় ২০ শতক জমিতে রঙিন ফুলকপি চাষ করি। সাধারণ সাদা জাতের ফুলকপি বাজারে ২০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হয়। কিন্তু এই রঙিন ফুলকপি ৬০ টাকা কেজিতে বিক্রি করছি।’ নতুন জাত ও দাম বেশি হওয়ায় আগামী মৌসুমে তিনি আরও বেশি জমিতে এই ফুলকপি চাষ করবেন বলে জানান।

কিষানি দীপা বালা বলেন, ‘উপজেলা কৃষি কার্যালয় থেকে দেওয়া বীজ ও সার নিয়ে হাজরাতলা মাঠে ২০ শতক জমিতে সোনালি, বেগুনিসহ বিভিন্ন রঙের নতুন জাতের এই ফুলকপি চাষ করি। সাধারণ জাতের ফুলকপির মতো এর ফলনও ভালো হয়েছে।’

কৃষি কর্মকর্তার সঙ্গে ফুলকপি খেতে কৃষক সুশেন ও দীপা। ছবি: আজকের পত্রিকাকৃষি কর্মকর্তার সঙ্গে ফুলকপি খেতে কৃষক সুশেন ও দীপা। ছবি: আজকের পত্রিকা
স্থানীয় কৃষক মৃণাল কান্তি বলেন, ‘সুশেন বালা ও দীপা বালা সাত রঙের ফুলকপি চাষ করেছেন। এটা দেখে আমরা আশপাশের কৃষকেরা উৎসাহিত হয়েছি। আমরাও এ কপি চাষ করব।’

উপজেলা কৃষি উপসহকারী অলক কুমার বিশ্বাস বলেন, ‘কৃষি কার্যালয়ের মাধ্যমে এ মাঠে সাত রঙের কপি চাষ হয়েছে। পরীক্ষামূলকভাবে আমরা সফল হয়েছি। আগামীতে এ কপি চাষ আরও বাড়বে বলে আশা করছি।’

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা সালমা জাহান নিপা বলেন, ‘উপজেলা কৃষি কার্যালয়ের মাধ্যমে সুশেন বালা ও দীপা বালাকে আমরা রঙিন ফুলকপির বীজ, জৈব সার ও ফেরোমন ফাঁদ দিয়েছিলাম। উৎপাদন ভালো হওয়ায় উপজেলার অন্য কৃষকদের মাঝে উৎসাহ দেখা যাচ্ছে। রঙিন ফুলকপির পুষ্টিগুণ ও বাজারমূল্য অনেক বেশি। খেতেও সুস্বাদু। আশা করছি, আগামীতে উপজেলায় রঙিন জাতের ফুলকপির চাষ বাড়বে।’

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

জনপ্রিয় সংবাদ

বাগেরহাটে বসতবাড়ির তালা ভেঙে মূল্যবান মালামাল ও দলিলপত্র লুটের অভিযোগ

ফুলকপিতে সাত রং, চাষে সাফল্য সুশেন ও দীপার

আপডেট টাইম : 07:10:04 pm, Monday, 23 January 2023

আমার ডেক্স:প্রথমবারের মতো রঙিন জাতের ফুলকপি চাষ করেছেন সুশেন বালা ও দীপা বালা নামের দুই চাষি। মাগুরার শ্রীপুর উপজেলার নাকোল ইউনিয়নের হাজরাতলা গ্রামে ৪০ শতক জমিতে সোনালি, বেগুনি, লাল, কমলাসহ সাত রঙের ফুলকপি ও ব্রকলি চাষ করেছেন তাঁরা।
রঙিন ফুলকপি দেখতে যেমন সুন্দর, খেতেও সুস্বাদু। পুষ্টিগুণে ভরপুর রঙিন জাতের এই ফুলকপির দাম সাধারণ জাতের ফুলকপির চেয়ে বেশি। সাত রঙা এই ফুলকপি দেখতে প্রতিদিন অসংখ্য মানুষ ভিড় করছেন সুশেন বালা ও দীপা বালার খেতে।

কিষান সুশেন বালা বলেন, ‘উপজেলা কৃষি কার্যালয়ের সহযোগিতায় ২০ শতক জমিতে রঙিন ফুলকপি চাষ করি। সাধারণ সাদা জাতের ফুলকপি বাজারে ২০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হয়। কিন্তু এই রঙিন ফুলকপি ৬০ টাকা কেজিতে বিক্রি করছি।’ নতুন জাত ও দাম বেশি হওয়ায় আগামী মৌসুমে তিনি আরও বেশি জমিতে এই ফুলকপি চাষ করবেন বলে জানান।

কিষানি দীপা বালা বলেন, ‘উপজেলা কৃষি কার্যালয় থেকে দেওয়া বীজ ও সার নিয়ে হাজরাতলা মাঠে ২০ শতক জমিতে সোনালি, বেগুনিসহ বিভিন্ন রঙের নতুন জাতের এই ফুলকপি চাষ করি। সাধারণ জাতের ফুলকপির মতো এর ফলনও ভালো হয়েছে।’

কৃষি কর্মকর্তার সঙ্গে ফুলকপি খেতে কৃষক সুশেন ও দীপা। ছবি: আজকের পত্রিকাকৃষি কর্মকর্তার সঙ্গে ফুলকপি খেতে কৃষক সুশেন ও দীপা। ছবি: আজকের পত্রিকা
স্থানীয় কৃষক মৃণাল কান্তি বলেন, ‘সুশেন বালা ও দীপা বালা সাত রঙের ফুলকপি চাষ করেছেন। এটা দেখে আমরা আশপাশের কৃষকেরা উৎসাহিত হয়েছি। আমরাও এ কপি চাষ করব।’

উপজেলা কৃষি উপসহকারী অলক কুমার বিশ্বাস বলেন, ‘কৃষি কার্যালয়ের মাধ্যমে এ মাঠে সাত রঙের কপি চাষ হয়েছে। পরীক্ষামূলকভাবে আমরা সফল হয়েছি। আগামীতে এ কপি চাষ আরও বাড়বে বলে আশা করছি।’

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা সালমা জাহান নিপা বলেন, ‘উপজেলা কৃষি কার্যালয়ের মাধ্যমে সুশেন বালা ও দীপা বালাকে আমরা রঙিন ফুলকপির বীজ, জৈব সার ও ফেরোমন ফাঁদ দিয়েছিলাম। উৎপাদন ভালো হওয়ায় উপজেলার অন্য কৃষকদের মাঝে উৎসাহ দেখা যাচ্ছে। রঙিন ফুলকপির পুষ্টিগুণ ও বাজারমূল্য অনেক বেশি। খেতেও সুস্বাদু। আশা করছি, আগামীতে উপজেলায় রঙিন জাতের ফুলকপির চাষ বাড়বে।’