এ সব অ্যাকাউন্টধারীদের মধ্যে রয়েছেনে— মানবাধিকার কর্মী, সাংবাদিক ও সরকারি কর্মকর্তা।
security@facebookmail.com ঠিকানা থেকে মেইলটি পাঠানো হয়েছিল যা অনেকেই স্প্যাম মনে করে এড়িয়ে যায়। সংবাদ মাধ্যম ভার্জ জানায়, বাস্তবে মেইলটি স্প্যাম ছিল না। মেইলে উল্লেখ করা প্রথম ডেডলাইনটি ছিল ১৭ মার্চ। এই ডেডলাইন শেষ হয়ে যাওয়ার পর অনেকের অ্যাকাউন্ট লক হয়ে যায়। এসব অ্যাকাউন্ট ফিরে পেতে যথেষ্ট বেগ পেতে হচ্ছে অনেকের।
তবে অনেকের অভিযোগ, তাদের ফেসবুক প্রটেক্ট চালু থাকা সত্ত্বেও তাদের অ্যাকাউন্ট লক হয়ে যাচ্ছে। এ বিষয়ে মেটা’র সিকিউরিটি পলিসির প্রধান নাথানিয়েল গ্লেইচার এক টুইটে বলেন, আমরা তথ্য সংগ্রহ করছি। এই প্রোগ্রামে অন্তর্ভুক্ত হওয়ার জন্য ব্যবহারকারীদের কী ধরনের সহায়তা দরকার তার জন্য ভিন্ন ভিন্ন উদাহরণ আমরা সংগ্রহ করছি। এর আগে গতবছর ফেসবুক ব্যবহারকারীদের কাছে নোটিফিকেশন পাঠিয়েছিল। সেখানে বলা হয়েছে, ২৮ অক্টোবরের মধ্যে ফেসবুক প্রটেক্ট নামে একটি ফিচার টার্ন অন বা চালু করতে হবে। এটি চালু না করলে ফেসবুক অ্যাকাউন্ট লক করে দেবে। এই ফিচারটি প্রাথমিকভাবে যুক্তরাষ্ট্র ও জার্মানির নির্বাচনের সময় সেখানকার প্রার্থীদের ফেসবুক ও ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্টের সুরক্ষায় ফেসবুক চালু করেছিল। পরে এটি কানাডাতেও চালু করা হয়।
এ ব্যাপারে ফেসবুক ব্যবহারকারীদের বার্তা দিচ্ছে যে, আপনার অ্যাকাউন্টটি অনেক মানুষের কাছে পৌঁছানোর সম্ভাবনা রয়েছে। যার জন্য আপনার শক্তিশালী নিরাপত্তা দরকার। আপনার অ্যাকাউন্টের মতো সব অ্যাকাউন্টের রক্ষায় এই নিরাপত্তা প্রোগ্রাম তৈরি করেছে ফেসবুক। ফেসবুকের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, তারা ইতোমধ্যে লগ ইনের ক্ষেত্রে উন্নত নিরাপত্তা ব্যবস্থা চালু করেছে।
Md.Liton 











