দক্ষিণ রাজাপুর গ্রামের জাহিদুল, সোনাতলা গ্রামের রুস্তম আলী, ধানসাগর গ্রামের তোফাজ্জেল হোসেন, জিলবুনিয়া গ্রামের গৃহবধূ শেফালি বেগমসহ অনেক গ্রামবাসী জানান, বর্তমানে তাঁরা অনেক কষ্টে দুর–দুরান্ত থেকে বিভিন্ন উপায়ে পানি সংগ্রহ করছেন। তাঁদের গ্রামের প্রতিটি পুকুরের পানি তলানিতে গিয়ে ঠেকেছে, যা খাওয়ার উপযোগী না। উপজেলা জনস্বাস্থ্য প্রকৌশলী অফিস সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার ৫৪৭টি পুকুরে স্থাপন করা পিএসএফের মধ্যে ৩৮৬টি অকেজো হয়ে রয়েছে। এ ছাড়া গ্রামাঞ্চলে ৪ হাজার ৮০৪টি নলকূপের মধ্যে অচল হয়ে রয়েছে ২ হাজার ১৫২টি নলকূপ। ।
ধানসাগর ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) চেয়ারম্যান মাইনুল ইসলাম টিপু বলেন, ‘আমার ইউনিয়নের ধানসাগর, পশ্চিম রাজাপুর ও বান্ধারহাট এলাকায় তীব্র পানির সংকটে লোকজন নদীর লোনা পানি ফুটিয়ে পান করছেন।
শরণখোলা উপজেলা জনস্বাস্থ্য প্রকৌশলী মো. মেহেদী হাসান বলেন, ‘উপজেলায় অকেজো পিএসএফগুলো মেরামতের প্রকল্প নেওয়া হয়েছে। শিগগিরই মেরামত করা হবে। তা ছাড়া ধানসাগর ইউনিয়নে ৩টি নতুন পুকুর ও উপজেলার বিভিন্ন গ্রামে জেলা পরিষদের পক্ষ থেকে ১৮টি পুকুর পুনঃখনন করা হয়েছে। এসব পুকুরে ৬টি পিএসএফ চালু রয়েছে।’
Md.Liton 











