Dhaka , Friday, 18 September 2026
শিরোনাম :
বাগেরহাটে বসতবাড়ির তালা ভেঙে মূল্যবান মালামাল ও দলিলপত্র লুটের অভিযোগ বাগেরহাটে জাতীয়তাবাদী মহিলা দলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আলোচনা সভা বাগেরহাটে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ও আহতদের পরিবারের মাঝে ক্ষতিপূরণের চেক বিতরণ ৪০ কোটি টাকার পানি প্রকল্প অচল, পচা দিঘিতে মাছ শিকারের উৎসব ড্রেন না থাকায় জলাবদ্ধতা, হুমকির মুখে ব্রিজ ঋণের বোঝা, আ.লীগের ‘দায়’ বিএনপির ‘ঘাড়ে’ সমাজবিরোধী অপশক্তির বিরুদ্ধে সর্তক থাকার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর বগুড়ায় প্রতিমন্ত্রীর গাড়ির ধাক্কায় আহত নারীর মৃত্যু বাগেরহাটে শিক্ষার্থীদের মাঝে ক্রীড়া সামগ্রী বিতরণ তানজিন তিশার বিরুদ্ধে মামলার সত্যতা পায়নি পিবিআই, বাদীপক্ষের নারাজি

বাগেরহাটের সাবেক ছাত্রদল নেতার বিরুদ্ধে বিশেষ ক্ষমতা আইনে মামলা, প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন

  • Md.Liton
  • আপডেট টাইম : 05:27:00 pm, Tuesday, 7 October 2025
  • 81 বার

বাগেরহাট প্রতিনিধি:বাগেরহাটের কচুয়ায় বিশেষ ক্ষমতা আইনের মামলায় ধোপাখালি ইউনিয়নের ৪ নং ওয়ার্ড ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি আব্দুল কাদেরকে আসামী করার প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে। মঙ্গলবার (৭ অক্টোবর) দুপুরে বাগেরহাট প্রেসক্লাবে সাবেক এই ছাত্রনেতা সংবাদ সম্মেলন করেন। সংবাদ সম্মেলনে, ধোপাখালি ইউনিয়নের ১ নং ওয়ার্ড বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আব্দুল জব্বার ৪নং ওয়ার্ড বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আলমগীর মাঝি ও আব্দুল কাদেরের ভাই বাবু মাঝি উপস্থিত ছিলেন। আব্দুল কাদের কচুয়া উপজেলার মাধবকাঠি গ্রামের আতিকুর রহমান হাওলাদারের ছেলে। তার দাবি, তিনি ২০১৪ থেকে ২০১৬ সাল পর্যন্ত ধোপাখালি ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ড ছাত্রদলের সভাপতি ছিলেন। আওয়ামী লীগের আমলে তার বিরুদ্ধে ১৪টি ষড়যন্ত্রমূলক নাশকতা মামলা ছিল। এসব মামলায় তিনি অন্তত ৪বার কারাভোগ করেছেন বলে জানান তিনি।

আব্দুল কাদের হাওলাদার বলেন, গত ৩০ সেপ্টেম্বর আড়িয়ামর্দন গ্রামের ছালাম শেখ নামের এক ব্যক্তি কচুয়া থানায় নাশকতা (বিশেষ ক্ষমতা আইনে) মামলা করেন। ওই মামলায় তাকে ৩২ নম্বর আসামি করা হয়েছে। কিন্তু তিনি দাবি করেন, তিনি ওইদিন ঘটনাস্থলে উপস্থিত ছিলেন না এবং এমন কোনো ঘটনা ঘটেছিল বলেও জানেন না।

তিনি বলেন, আওয়ামী লীগ সরকারের আমলেও আমি হামলার শিকার হয়েছি, মামলা খেয়েছি, ব্যবসা প্রতিষ্ঠান পুড়িয়ে দিয়েছে। এখন আবার অন্তর্বর্তী সরকারের সময়েও আমার নামে মিথ্যা মামলা হচ্ছে এটা অত্যন্ত দুঃখজনক। এই মামলা থেকে রেহাই রক্ষাপেতে পুলিশ প্রশাসন ও বিএনপি নেতাদের হস্তক্ষেপ কামনা করেন সাবেক এই ছাত্রনেতা।

আব্দুল কাদের হাওলাদার এসময় এই মিথ্যা মামলা প্রত্যাহারের দাবি জানান এবং পুলিশ প্রশাসন ও বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতাদের সহযোগিতা কামনা করেন।মামলায় শুধু আব্দুল কাদের নয় বিএনপির অন্তত ১৫ জন কর্মীকে আসামী করা হয়েছে বলে জানান সংবাদ সম্মেলনকারীরা।

মামলা সূত্রে জানাযায়, কচুয়া উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি সাইফুল ইসলাম খোকনসহ এজাহারনামীয় ৯৮ জন এবং অজ্ঞাতনা ১০০-১৫০জনকে আসামী করা হয়। মামলার অভিযোগে বলা হয়, ২০২৪ সালের ৩ আগস্ট সাইনবোর্ড এলাকায় সড়ক অবরোধ করে এবং আসামীরা ঐকত্রিত হয়ে ছাত্রজনতাকে ফাসানোর উদ্দেশ্যে গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা ধ্বংস করতে থাকে। আতঙ্ক সৃষ্টির উদ্দেশ্যে কয়েখটি বোমা বিস্ফোরন ঘটায় এবং হত্যার উদ্দেশ্যে একাধিক গুলি ছোড়ে। কারাগারে থাকা কচুয়া উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান মেহেদী হাসান বাবুকে এই মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়েছে পুলিশ।

এদিকে নাম প্রক্যাশে অনিচ্ছুক সাইনবোর্ড এলাকার এক ব্যবসায়ী জানান, ২০২৪ সালের ৩ আগস্ট সাইনবোর্ড এলাকায় কোন স্থাপনা ধ্বংস বা বোমা বিস্ফোরন অথবা গুলির ঘটনা ঘটেনি। লোকজন জড়ো হওয়ার খবরও জানেন না তিনি।

মামলায় বিএনপির লোকদের আসামী করার বিষয়ে মুঠোফোনে মামলার বাদী মোঃ সালাম শেখের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, আমি আপতত এ বিষয়ে কোন কথা বলব না।

কচুয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি)মোঃ শামীম আহমেদ খান বলেন, মামলাটি তদন্তাধীন রয়েছে। তদন্তের পরে বলা যাবে কাদের সম্পৃক্ততা, আর নেই।

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

জনপ্রিয় সংবাদ

বাগেরহাটে বসতবাড়ির তালা ভেঙে মূল্যবান মালামাল ও দলিলপত্র লুটের অভিযোগ

বাগেরহাটের সাবেক ছাত্রদল নেতার বিরুদ্ধে বিশেষ ক্ষমতা আইনে মামলা, প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন

আপডেট টাইম : 05:27:00 pm, Tuesday, 7 October 2025

বাগেরহাট প্রতিনিধি:বাগেরহাটের কচুয়ায় বিশেষ ক্ষমতা আইনের মামলায় ধোপাখালি ইউনিয়নের ৪ নং ওয়ার্ড ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি আব্দুল কাদেরকে আসামী করার প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে। মঙ্গলবার (৭ অক্টোবর) দুপুরে বাগেরহাট প্রেসক্লাবে সাবেক এই ছাত্রনেতা সংবাদ সম্মেলন করেন। সংবাদ সম্মেলনে, ধোপাখালি ইউনিয়নের ১ নং ওয়ার্ড বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আব্দুল জব্বার ৪নং ওয়ার্ড বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আলমগীর মাঝি ও আব্দুল কাদেরের ভাই বাবু মাঝি উপস্থিত ছিলেন। আব্দুল কাদের কচুয়া উপজেলার মাধবকাঠি গ্রামের আতিকুর রহমান হাওলাদারের ছেলে। তার দাবি, তিনি ২০১৪ থেকে ২০১৬ সাল পর্যন্ত ধোপাখালি ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ড ছাত্রদলের সভাপতি ছিলেন। আওয়ামী লীগের আমলে তার বিরুদ্ধে ১৪টি ষড়যন্ত্রমূলক নাশকতা মামলা ছিল। এসব মামলায় তিনি অন্তত ৪বার কারাভোগ করেছেন বলে জানান তিনি।

আব্দুল কাদের হাওলাদার বলেন, গত ৩০ সেপ্টেম্বর আড়িয়ামর্দন গ্রামের ছালাম শেখ নামের এক ব্যক্তি কচুয়া থানায় নাশকতা (বিশেষ ক্ষমতা আইনে) মামলা করেন। ওই মামলায় তাকে ৩২ নম্বর আসামি করা হয়েছে। কিন্তু তিনি দাবি করেন, তিনি ওইদিন ঘটনাস্থলে উপস্থিত ছিলেন না এবং এমন কোনো ঘটনা ঘটেছিল বলেও জানেন না।

তিনি বলেন, আওয়ামী লীগ সরকারের আমলেও আমি হামলার শিকার হয়েছি, মামলা খেয়েছি, ব্যবসা প্রতিষ্ঠান পুড়িয়ে দিয়েছে। এখন আবার অন্তর্বর্তী সরকারের সময়েও আমার নামে মিথ্যা মামলা হচ্ছে এটা অত্যন্ত দুঃখজনক। এই মামলা থেকে রেহাই রক্ষাপেতে পুলিশ প্রশাসন ও বিএনপি নেতাদের হস্তক্ষেপ কামনা করেন সাবেক এই ছাত্রনেতা।

আব্দুল কাদের হাওলাদার এসময় এই মিথ্যা মামলা প্রত্যাহারের দাবি জানান এবং পুলিশ প্রশাসন ও বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতাদের সহযোগিতা কামনা করেন।মামলায় শুধু আব্দুল কাদের নয় বিএনপির অন্তত ১৫ জন কর্মীকে আসামী করা হয়েছে বলে জানান সংবাদ সম্মেলনকারীরা।

মামলা সূত্রে জানাযায়, কচুয়া উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি সাইফুল ইসলাম খোকনসহ এজাহারনামীয় ৯৮ জন এবং অজ্ঞাতনা ১০০-১৫০জনকে আসামী করা হয়। মামলার অভিযোগে বলা হয়, ২০২৪ সালের ৩ আগস্ট সাইনবোর্ড এলাকায় সড়ক অবরোধ করে এবং আসামীরা ঐকত্রিত হয়ে ছাত্রজনতাকে ফাসানোর উদ্দেশ্যে গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা ধ্বংস করতে থাকে। আতঙ্ক সৃষ্টির উদ্দেশ্যে কয়েখটি বোমা বিস্ফোরন ঘটায় এবং হত্যার উদ্দেশ্যে একাধিক গুলি ছোড়ে। কারাগারে থাকা কচুয়া উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান মেহেদী হাসান বাবুকে এই মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়েছে পুলিশ।

এদিকে নাম প্রক্যাশে অনিচ্ছুক সাইনবোর্ড এলাকার এক ব্যবসায়ী জানান, ২০২৪ সালের ৩ আগস্ট সাইনবোর্ড এলাকায় কোন স্থাপনা ধ্বংস বা বোমা বিস্ফোরন অথবা গুলির ঘটনা ঘটেনি। লোকজন জড়ো হওয়ার খবরও জানেন না তিনি।

মামলায় বিএনপির লোকদের আসামী করার বিষয়ে মুঠোফোনে মামলার বাদী মোঃ সালাম শেখের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, আমি আপতত এ বিষয়ে কোন কথা বলব না।

কচুয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি)মোঃ শামীম আহমেদ খান বলেন, মামলাটি তদন্তাধীন রয়েছে। তদন্তের পরে বলা যাবে কাদের সম্পৃক্ততা, আর নেই।