বাগেরহাট প্রতিনিধি:সকল ধরনের অপরাধ কর্মকাণ্ডে আলোচিত বাগেরহাটের মোরেলগঞ্জ উপজেলা পল্লীতে এবার বিরোধপূর্ণ জমির অর্ধশত গাছ কেটে ফেলেছে জোরদার প্রভাবশালীরা। বুধবার ও বৃস্পতিবার (২৭ অক্টোবর) সকালে দুই দফায় ১৫-২০ জনের একদল জোরদার লাঠিয়াল গাছগুলি কর্তন করে। এ ঘটনায় জমি ভোগ দখলকারী কৃষক মোজাম্মেল হোসেন হাওলাদার উপায়ন্তর না পেয়ে মোড়েলগঞ্জ থানায় অভিযোগ দায়ের করেছেন। অভিযোগ পেয়ে পুলিশ কর্তনকৃত গাছগুলি উদ্ধার করে স্তানীয় ইউপি মেম্বরের জিম্মায় রেখেছে।
পুলিশ ও ক্ষতিগ্রস্ত কৃষক পরিবার জানায়, উপজেলার খাউলিয়া ইউনিয়নে পূর্ব চিপা বারইখালী গ্রামের কৃষক মোজাম্মেল হোসেন হাওলাদার ক্রয়সূত্রে প্রাপ্ত জমিতে গাছ-পালা লাগিয়ে ভোগদখল করে আসছে। সম্প্রতি ওই জমি নিয়ে প্রতিবেশী জাহাঙ্গীর আলম রেজার সাথে বিরোধ সৃষ্টি হয়। আর ওই বিরোধের জের ধরে জাহাঙ্গীর আলম রেজার ভাতিজা সুমন শেখের নের্তৃত্বে ১৫-২০ জন লাঠিয়াল কৃষক মোজাম্মেল হোসেনের বাগান বাড়ির ৮-১০টি বড় চাম্বল ও মেহেগনী গাছ পেয়ারা ও লিচু গাছ এবং বাঁশের ঝাড়সহ বিভিন্ন প্রজাতির অর্ধশতাধিক গাছ কেটে ফেলে। বাঁধা দিতে গেলে এ সময় দখলকারীরা মোজাম্মেলের স্ত্রী কোহিনুর বেগম ও তার মেয়ে মারুফা আক্তারকেও অশ্লীল ভাষায় গালিগালাজ করে লাঞ্চিত করে। পরে জোরপূর্বক ওই জমি ঘেরা বেড়া দিয়ে দখল করে নেয়।ক্ষতিগ্রস্ত গৃহবধূ কোহিনুর বেগম (৬৫) বলেন, তার স্বামী ও তার ছেলেরা বাড়িতে না থাকায় পরিকল্পিতভাবে তাদের ভোগ দখলীয় জায়গা ঘেরাবেড়া দিয়ে দখলে নিয়ে গেছে। গাছগুলো কাটার সময় ওয়ার্ডের মেম্বার দাড়িয়ে ছিলেন। প্রভাবশালীদের বাঁধা দিয়েও রক্ষা করতে পারেনি। আমরা এ ঘটনার প্রশাসনের কাছে ন্যায় বিচার দাবি করছি।
এ বিষয়ে জাহাঙ্গীর আলম রেজা তার বিরুদ্ধে আনিত অভিযোগ অস্বীকার করে সাংবাদিকদের বলেন, জোরপূর্বক তিনি কারো জমি দখল করেননি। তার পৈত্রিক জমির গাছ কাটা হয়েছে।
এ বিষয়ে অভিযোগের তদন্তকারি কর্মকর্তা স্থানীয় সন্ন্যাসী পুলিশ ফাঁড়ি ইনচার্জ এসআই অনুপ রায় বৃহস্পতিবার দুপুরে জানান, মোজাম্মেল হোসেনের অভিযোগের বিষয়টি ঘটনাস্থলে তদন্ত করা হয়েছে। কর্তৃনকৃত গাছগুলো মেম্বারের দায়িত্বে রাখা হয়েছে। উভয় পক্ষের কাগজপত্র দেখে বিষয়টি উর্দ্ধতন কর্মকর্তাকে অবহিত করা হবে।
Md.Liton 











