বাগেরহাট প্রতিনিধি :
বাগেরহাটের গ্রাম্য কোন্দলে আলোচিত মোল্লাহাট উপজেলায় আবারো হামলা, বাড়িঘর ভাঙচুর ও লুটপাটের ঘটনা ঘটেছে। প্রতিপক্ষের এক তরফা হামলায় নারীসহ চারজন আহত হয়েছেন। মোল্লাহাট উপজেলার জয়ডিহী বাসস্ট্যান্ড এলাকায় শনিবার বিকেলে এ হামলায় আহতরা হলেন, উপজেলার কাহালপুর এলাকার হিমু মোল্লা (৫২), হিমুর চাচাতো ভাই মিজানুর শেখ (৫৫) ও জাকারিয়া মোল্লা (৪৮) এবং ভাতিজার স্ত্রী হেলেনা বেগম (২৮)। এদের মধ্যে তিন জনকে গোপালগঞ্জ হাসপাতালে ভর্ত্তি করা হয়েছে।
আহত হিমু মোল্লার ভাতিজা হাবিব মোল্লা রবিবার (২ অক্টেবর) বলেন, আমার চাচা হিমু মোল্লা ট্রাকের টায়ার ক্রয়ের জন্য বাড়ি থেকে খুলনার উদ্দেশ্যে রওনা হয়েছিলেন। পথিমধ্যে জয়ডিহী বাসস্ট্যান্ডে পৌঁছালে আটজুড়ি ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান আবুল বাশার মোল্লার নির্দেশে এমদাদ মোল্লা, সারাফাত মোল্লা, নকিব মোল্লাসহ চারটি মোটরসাইকেলে ৮-১০ জন তাকে ঘেরাও করে ফেলে। এরপর তাকে ধরে হাতুরি দিয়ে পিটিয়ে আহত অবস্থায় রাস্তায় ফেলে চলে যায়। পরে হামলাকারীরা চাচার বাড়িতে গিয়ে বসতঘর ভাঙচুর ও লুটপাট করে। এ সময় তাদের বাঁধা দিলে মিজানুর শেখ, জাকারিয়া মোল্লা ও হেলেনা বেগমকেও বেধড়ক মারধর করে। পরে আহতদের গোপালগঞ্জ সদর হাসপাতালে ভর্তি করেছি। বসতবাড়ি ভাঙচুর ও লুটপাট করে প্রায় ১০-১২ লাখ টাকার ক্ষতি করেছে। আমরা এই ন্যাক্কার জনক হামলার কঠিন বিচার চাই।
অভিযুক্ত আটজুড়ি ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান আবুল বাশার মোল্লা সাংবাদিকদের বলেন, এই ঘটনার সাথে আমি কোন ভাবে জড়িত না। পুলিশের মাধ্যমে বিষয়টি জানতে পেরে দুই পক্ষকে নিয়ে স্থানীয়ভাবে মীমাংসার কথাও বলেছি।
মোল্লাহাট থানার ওসি সৌমেন দাস বলেন, ঘটনার খবর পেয়ে থানা থেকে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শণ করেছে। লিখিত অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। তবে রবিবার সকাল পর্যন্ত এ ঘটনায় কেহ থানায় অভিযোগ নিয়ে আসে নাই।
Md.Liton 











