Dhaka , Friday, 18 September 2026
শিরোনাম :
বাগেরহাটে বসতবাড়ির তালা ভেঙে মূল্যবান মালামাল ও দলিলপত্র লুটের অভিযোগ বাগেরহাটে জাতীয়তাবাদী মহিলা দলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আলোচনা সভা বাগেরহাটে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ও আহতদের পরিবারের মাঝে ক্ষতিপূরণের চেক বিতরণ ৪০ কোটি টাকার পানি প্রকল্প অচল, পচা দিঘিতে মাছ শিকারের উৎসব ড্রেন না থাকায় জলাবদ্ধতা, হুমকির মুখে ব্রিজ ঋণের বোঝা, আ.লীগের ‘দায়’ বিএনপির ‘ঘাড়ে’ সমাজবিরোধী অপশক্তির বিরুদ্ধে সর্তক থাকার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর বগুড়ায় প্রতিমন্ত্রীর গাড়ির ধাক্কায় আহত নারীর মৃত্যু বাগেরহাটে শিক্ষার্থীদের মাঝে ক্রীড়া সামগ্রী বিতরণ তানজিন তিশার বিরুদ্ধে মামলার সত্যতা পায়নি পিবিআই, বাদীপক্ষের নারাজি

বাগেরহাটে ভুয়া চিকিৎসককে এক লাখ টাকা জরিমানা

  • Md.Liton
  • আপডেট টাইম : 09:15:41 pm, Tuesday, 17 May 2022
  • 123 বার
বাগেরহাট প্রতিনিধি: বাগেরহাটের কচুয়া উপজেলা সদরে ভিন্ন নামের গভঃ রেজিস্ট্রেশন ব্যবহার করে ভুয়া ডিগ্রী ধারী লিখে প্রতারণা করে চিকিৎসা ব্যবসা করার অপরাধে এমএম মনির নামের একজন চিকিৎসককে এক লাখ টাকা জরিমানা করেছে ভ্রাম্যমান আদালত। জরিমানার অর্থ পরিশোধ না করায় তাকে দুই মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড প্রদান করা হয়।

বাগেরহাট জেলা শহরের হরিনখানা এলাকার বাসিন্দা এমএম মনির ও তার স্ত্রী আবিদা সুলতানা স্বপ্না অন্য লোকের নামের গভঃ রেজিস্ট্রেশন ব্যবহার করে কচুয়া উপজেলার জিরো পয়েন্টে একটি চেম্বার করেন। মেডিসিন, চক্ষু-নাক-কান ও গলা বিশেষজ্ঞ হিসাবে দেশী-বদেশী প্রশিক্ষণ ও ডিগ্রী লিখে ৩০০/৫০০ টাকা পরামর্শ ফি নিয়ে ৪/৫ বছর ধরে চিকিৎসা ব্যবসা করে আসছে।

চিকিৎসার নামে প্রতারণার বিষয়টি গোপনে জেলা প্রশাসনের নজরে গেলে জেলা কালেক্টরেটের সহকারি কমিশনার নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট রোহান সরকারের নেতৃত্বে মঙ্গলবার (১৭ মে) দুপুরে ভ্রাম্যমান আদালতের একটি দল ওই চেম্বারে অভিযান চালায়। অভিযানকালে এমএম মনির গভঃ রেজিস্ট্রেশনসহ তার চিকিৎসা প্রদানে ব্যবহ্নত ডিগ্রী লাভে কোনো কাগজপত্র দেখাতে পারে নাই। পরে সে ভ্রাম্যমান আদালতে অপরাধ স্বীকার করে। এ সময় তার স্ত্রী ডাঃ আবিদা সুলতানা চেম্বারে ছিলেন না।

ভ্রাম্যমান আদালতের বিচারক নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট রোহান সরকার এ প্রতিবেদককে বলেন, ভোক্তা অধিকার আইনে কচুয়া উপজেলার জিরো পয়েন্টে ওই চিকিৎসকের চেম্বারে অভিযান করা হয়। অভিযানকালে চিকিৎসক এমএম মনির তার চিকিৎসা সেবা প্রদানের কোনো বৈধতা দেখাতে পারে নাই। বরং চিকিৎসার নামে প্রতারণা করার অপরাধ স্বীকার করায় তাকে দুই লাখ টাকা অর্থদণ্ড করা হয়। অনাদায়ে দুই মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড প্রদান করা হয়। আর ওই চেম্বারে সে চিকিৎসা প্রদান বিষয়ে পরবর্তি পদক্ষেপ গ্রহনের জন্য স্বাস্থ বিভাগকে জানানো হয়।

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

জনপ্রিয় সংবাদ

বাগেরহাটে বসতবাড়ির তালা ভেঙে মূল্যবান মালামাল ও দলিলপত্র লুটের অভিযোগ

বাগেরহাটে ভুয়া চিকিৎসককে এক লাখ টাকা জরিমানা

আপডেট টাইম : 09:15:41 pm, Tuesday, 17 May 2022
বাগেরহাট প্রতিনিধি: বাগেরহাটের কচুয়া উপজেলা সদরে ভিন্ন নামের গভঃ রেজিস্ট্রেশন ব্যবহার করে ভুয়া ডিগ্রী ধারী লিখে প্রতারণা করে চিকিৎসা ব্যবসা করার অপরাধে এমএম মনির নামের একজন চিকিৎসককে এক লাখ টাকা জরিমানা করেছে ভ্রাম্যমান আদালত। জরিমানার অর্থ পরিশোধ না করায় তাকে দুই মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড প্রদান করা হয়।

বাগেরহাট জেলা শহরের হরিনখানা এলাকার বাসিন্দা এমএম মনির ও তার স্ত্রী আবিদা সুলতানা স্বপ্না অন্য লোকের নামের গভঃ রেজিস্ট্রেশন ব্যবহার করে কচুয়া উপজেলার জিরো পয়েন্টে একটি চেম্বার করেন। মেডিসিন, চক্ষু-নাক-কান ও গলা বিশেষজ্ঞ হিসাবে দেশী-বদেশী প্রশিক্ষণ ও ডিগ্রী লিখে ৩০০/৫০০ টাকা পরামর্শ ফি নিয়ে ৪/৫ বছর ধরে চিকিৎসা ব্যবসা করে আসছে।

চিকিৎসার নামে প্রতারণার বিষয়টি গোপনে জেলা প্রশাসনের নজরে গেলে জেলা কালেক্টরেটের সহকারি কমিশনার নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট রোহান সরকারের নেতৃত্বে মঙ্গলবার (১৭ মে) দুপুরে ভ্রাম্যমান আদালতের একটি দল ওই চেম্বারে অভিযান চালায়। অভিযানকালে এমএম মনির গভঃ রেজিস্ট্রেশনসহ তার চিকিৎসা প্রদানে ব্যবহ্নত ডিগ্রী লাভে কোনো কাগজপত্র দেখাতে পারে নাই। পরে সে ভ্রাম্যমান আদালতে অপরাধ স্বীকার করে। এ সময় তার স্ত্রী ডাঃ আবিদা সুলতানা চেম্বারে ছিলেন না।

ভ্রাম্যমান আদালতের বিচারক নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট রোহান সরকার এ প্রতিবেদককে বলেন, ভোক্তা অধিকার আইনে কচুয়া উপজেলার জিরো পয়েন্টে ওই চিকিৎসকের চেম্বারে অভিযান করা হয়। অভিযানকালে চিকিৎসক এমএম মনির তার চিকিৎসা সেবা প্রদানের কোনো বৈধতা দেখাতে পারে নাই। বরং চিকিৎসার নামে প্রতারণা করার অপরাধ স্বীকার করায় তাকে দুই লাখ টাকা অর্থদণ্ড করা হয়। অনাদায়ে দুই মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড প্রদান করা হয়। আর ওই চেম্বারে সে চিকিৎসা প্রদান বিষয়ে পরবর্তি পদক্ষেপ গ্রহনের জন্য স্বাস্থ বিভাগকে জানানো হয়।