বাগেরহাট জেলা শহরের হরিনখানা এলাকার বাসিন্দা এমএম মনির ও তার স্ত্রী আবিদা সুলতানা স্বপ্না অন্য লোকের নামের গভঃ রেজিস্ট্রেশন ব্যবহার করে কচুয়া উপজেলার জিরো পয়েন্টে একটি চেম্বার করেন। মেডিসিন, চক্ষু-নাক-কান ও গলা বিশেষজ্ঞ হিসাবে দেশী-বদেশী প্রশিক্ষণ ও ডিগ্রী লিখে ৩০০/৫০০ টাকা পরামর্শ ফি নিয়ে ৪/৫ বছর ধরে চিকিৎসা ব্যবসা করে আসছে।
চিকিৎসার নামে প্রতারণার বিষয়টি গোপনে জেলা প্রশাসনের নজরে গেলে জেলা কালেক্টরেটের সহকারি কমিশনার নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট রোহান সরকারের নেতৃত্বে মঙ্গলবার (১৭ মে) দুপুরে ভ্রাম্যমান আদালতের একটি দল ওই চেম্বারে অভিযান চালায়। অভিযানকালে এমএম মনির গভঃ রেজিস্ট্রেশনসহ তার চিকিৎসা প্রদানে ব্যবহ্নত ডিগ্রী লাভে কোনো কাগজপত্র দেখাতে পারে নাই। পরে সে ভ্রাম্যমান আদালতে অপরাধ স্বীকার করে। এ সময় তার স্ত্রী ডাঃ আবিদা সুলতানা চেম্বারে ছিলেন না।
ভ্রাম্যমান আদালতের বিচারক নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট রোহান সরকার এ প্রতিবেদককে বলেন, ভোক্তা অধিকার আইনে কচুয়া উপজেলার জিরো পয়েন্টে ওই চিকিৎসকের চেম্বারে অভিযান করা হয়। অভিযানকালে চিকিৎসক এমএম মনির তার চিকিৎসা সেবা প্রদানের কোনো বৈধতা দেখাতে পারে নাই। বরং চিকিৎসার নামে প্রতারণা করার অপরাধ স্বীকার করায় তাকে দুই লাখ টাকা অর্থদণ্ড করা হয়। অনাদায়ে দুই মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড প্রদান করা হয়। আর ওই চেম্বারে সে চিকিৎসা প্রদান বিষয়ে পরবর্তি পদক্ষেপ গ্রহনের জন্য স্বাস্থ বিভাগকে জানানো হয়।
Md.Liton 











