Dhaka , Friday, 18 September 2026
শিরোনাম :
বাগেরহাটে বসতবাড়ির তালা ভেঙে মূল্যবান মালামাল ও দলিলপত্র লুটের অভিযোগ বাগেরহাটে জাতীয়তাবাদী মহিলা দলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আলোচনা সভা বাগেরহাটে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ও আহতদের পরিবারের মাঝে ক্ষতিপূরণের চেক বিতরণ ৪০ কোটি টাকার পানি প্রকল্প অচল, পচা দিঘিতে মাছ শিকারের উৎসব ড্রেন না থাকায় জলাবদ্ধতা, হুমকির মুখে ব্রিজ ঋণের বোঝা, আ.লীগের ‘দায়’ বিএনপির ‘ঘাড়ে’ সমাজবিরোধী অপশক্তির বিরুদ্ধে সর্তক থাকার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর বগুড়ায় প্রতিমন্ত্রীর গাড়ির ধাক্কায় আহত নারীর মৃত্যু বাগেরহাটে শিক্ষার্থীদের মাঝে ক্রীড়া সামগ্রী বিতরণ তানজিন তিশার বিরুদ্ধে মামলার সত্যতা পায়নি পিবিআই, বাদীপক্ষের নারাজি

বাগেরহাটে মাতৃদুগ্ধ বিকল্প আইন-২০১৩ বাস্তবায়নের দাবিতে সংবাদ সম্মেলন

  • Md.Liton
  • আপডেট টাইম : 05:44:05 pm, Monday, 11 April 2022
  • 289 বার

নিজস্ব প্রতিবেদক, বাগেরহাট:
মাতৃদুগ্ধ বিকল্প (বিপনন নিয়ন্ত্রণ) আইন-২০১৩-এর সঠিক বাস্তবায়নের দাবিতে বাগেরহাটে সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে। সোমবার (১১ এপ্রিল) দুপুরে বাগেরহাট প্রেসক্লাব মিলনায়তনে পুষ্টি উন্নয়নে নাগরিক কমিটি নামক একটি সংগঠন এই সংবাদ সম্মেলন করে। বাগেরহাট পুষ্টি উন্নয়নে নাগরিক কমিটির চেয়ারপার্সসন ফরিদা আক্তার বানু লুসির সভাপতিত্বে সংবাদ সম্মেলনে বক্তব্য দেন, বাগেরহাট প্রেসক্লাবের সভাপতি নীহার রঞ্জন সাহা, সাবেক সভাপতি বাবুল সরদার, বাগেরহাট সদর উপজেলা পরিষদের মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান রিজিয়া পারভীন, রুপান্তর কর্মকর্তা তসলিম আহমেদ টংকর, অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক রবীন্দ্রনাথ মুখার্জীসহ গনমাধ্যমকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
বক্তারা বলেন, মাতৃদুগ্ধ বিকল্প (বিপনন নিয়ন্ত্রণ) আইন-২০১৩ অনুযায়ী বাংলাদেশে মাতৃদুগ্ধের বিকল্প গুরো দুধ বিক্রয় নিষিদ্ধ। আইন থাকার পরে বাগেরহাটে বেশিরভাগ দোকানে প্রকাশ্যে গুরো দুধ বিক্রি হয়। যা শিশুদের জন্য মারাত্মক ক্ষতিকর। মায়ের দুধ না খাওয়াইয়ে বিকল্প গুরো দুধ খাওয়ালে শিশুদের নিউমোনিয়াজনিত মৃত্যুর ঝুকি প্রায় ১৫ গুন বৃদ্ধি পায়, ডায়রিয়ায় মৃত্যুর ঝুকি বৃদ্ধি পায় ১১ গুন, শিশুদের অপুষ্টি ও অন্যান্য কারণেও মৃত্যুর ঝুকি বৃদ্ধি পায়। স্পষ্ট আইন থাকার পরে প্রকাশ্য বাজারে গুরো দুধ বিক্রয় বন্ধ হয়নি। আমরা চাই দেশের ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য মাতৃদুগ্ধের বিকল্প গুরো দুধ বিক্রয় বন্ধ হোক। মাতৃদুগ্ধ বিকল্প (বিপনন নিয়ন্ত্রণ) আইন-২০১৩ বাস্তবায়নে সকলের সহযোগিতা কামনা করেন বক্তারা।
পরে মাতৃদুগ্ধ বিকল্প (বিপনন নিয়ন্ত্রণ) আইন-২০১৩ বাস্তবায়নের দাবিতে বাগেরহাটের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক খোন্দকার মোহাম্মাদ রিজাউল করিমের মাধ্যমে স্বাস্থ্য মন্ত্রী বরাবর স্মারক লিপি প্রদান করেন।

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

জনপ্রিয় সংবাদ

বাগেরহাটে বসতবাড়ির তালা ভেঙে মূল্যবান মালামাল ও দলিলপত্র লুটের অভিযোগ

বাগেরহাটে মাতৃদুগ্ধ বিকল্প আইন-২০১৩ বাস্তবায়নের দাবিতে সংবাদ সম্মেলন

আপডেট টাইম : 05:44:05 pm, Monday, 11 April 2022

নিজস্ব প্রতিবেদক, বাগেরহাট:
মাতৃদুগ্ধ বিকল্প (বিপনন নিয়ন্ত্রণ) আইন-২০১৩-এর সঠিক বাস্তবায়নের দাবিতে বাগেরহাটে সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে। সোমবার (১১ এপ্রিল) দুপুরে বাগেরহাট প্রেসক্লাব মিলনায়তনে পুষ্টি উন্নয়নে নাগরিক কমিটি নামক একটি সংগঠন এই সংবাদ সম্মেলন করে। বাগেরহাট পুষ্টি উন্নয়নে নাগরিক কমিটির চেয়ারপার্সসন ফরিদা আক্তার বানু লুসির সভাপতিত্বে সংবাদ সম্মেলনে বক্তব্য দেন, বাগেরহাট প্রেসক্লাবের সভাপতি নীহার রঞ্জন সাহা, সাবেক সভাপতি বাবুল সরদার, বাগেরহাট সদর উপজেলা পরিষদের মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান রিজিয়া পারভীন, রুপান্তর কর্মকর্তা তসলিম আহমেদ টংকর, অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক রবীন্দ্রনাথ মুখার্জীসহ গনমাধ্যমকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
বক্তারা বলেন, মাতৃদুগ্ধ বিকল্প (বিপনন নিয়ন্ত্রণ) আইন-২০১৩ অনুযায়ী বাংলাদেশে মাতৃদুগ্ধের বিকল্প গুরো দুধ বিক্রয় নিষিদ্ধ। আইন থাকার পরে বাগেরহাটে বেশিরভাগ দোকানে প্রকাশ্যে গুরো দুধ বিক্রি হয়। যা শিশুদের জন্য মারাত্মক ক্ষতিকর। মায়ের দুধ না খাওয়াইয়ে বিকল্প গুরো দুধ খাওয়ালে শিশুদের নিউমোনিয়াজনিত মৃত্যুর ঝুকি প্রায় ১৫ গুন বৃদ্ধি পায়, ডায়রিয়ায় মৃত্যুর ঝুকি বৃদ্ধি পায় ১১ গুন, শিশুদের অপুষ্টি ও অন্যান্য কারণেও মৃত্যুর ঝুকি বৃদ্ধি পায়। স্পষ্ট আইন থাকার পরে প্রকাশ্য বাজারে গুরো দুধ বিক্রয় বন্ধ হয়নি। আমরা চাই দেশের ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য মাতৃদুগ্ধের বিকল্প গুরো দুধ বিক্রয় বন্ধ হোক। মাতৃদুগ্ধ বিকল্প (বিপনন নিয়ন্ত্রণ) আইন-২০১৩ বাস্তবায়নে সকলের সহযোগিতা কামনা করেন বক্তারা।
পরে মাতৃদুগ্ধ বিকল্প (বিপনন নিয়ন্ত্রণ) আইন-২০১৩ বাস্তবায়নের দাবিতে বাগেরহাটের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক খোন্দকার মোহাম্মাদ রিজাউল করিমের মাধ্যমে স্বাস্থ্য মন্ত্রী বরাবর স্মারক লিপি প্রদান করেন।