বাগেরহাট প্রতিনিধি:বাগেরহাটের চিতলমারী উপজেলা বিএনপির সভাপতির বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহারের দাবিতে আয়োজিত মানববন্ধন কর্মসূচিতে হামলা ও মারধরের ঘটনা ঘটেছে। গতকাল বৃহস্পতিবার সকালে চিতলমারী থানা চত্বরের সামনে এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এতে পাঁচজন আহত হয়েছে। খবর পেয়ে সেনাবাহিনী, পুলিশ ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন।
পরে সেনাবাহিনী ও পুলিশের কড়া নিরাপত্তার মধ্যে সদ্য বহিষ্কৃত উপজেলা বিএনপির সভাপতি মমিনুল হক টুলু বিশ্বাসের অনুসারীরা মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করেন।
সদ্য বহিষ্কৃত চিতলমারী উপজেলা বিএনপির সভাপতি মমিনুল হক টুলু বিশ্বাস বলেন, ‘আমাকে কী কারণে বহিষ্কার করা হয়েছে, তা আমি নিজেও জানি না। আমি ধানের শীষের পক্ষে ভোট চাইছি, নিজেও ধানের শীষ প্রতীকেই ভোট দেব। আমার বহিষ্কারের খবর ছড়িয়ে পড়ার পর আজ আমার অনুসারীরা মানববন্ধন করতে গেলে বিএনপি মনোনীত বাগেরহাট-১ আসনের প্রার্থী কপিল কৃষ্ণ মণ্ডলের অনুসারীরা হামলা চালায় বলে আমি জানতে পেরেছি।
তবে কপিলের অনুসারীরা হামলার বিষয়টি অস্বীকার করেছে।’
চিতলমারী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সাজ্জাদ হোসেন জানান, একটি মানববন্ধনকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। খবর পেয়ে সেনাবাহিনী ও পুলিশের সহযোগিতায় পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনা হয়। ওই এলাকায় সেনাবাহিনী ও পুলিশের টহল জোরদার করা হয়েছে।
অন্যদিকে বুধবার রাতে বাগেরহাট পৌরসভার বাসাবাটি এলাকায় দুর্বৃত্তদের দেওয়া আগুনে বাগেরহাট-২ আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী এম এ এইচ সেলিমের নির্বাচনী অফিস পুড়ে যায়। সকালে বিষয়টি জানাজানি হলে খবর পেয়ে বাগেরহাট সদর থানার পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে।
বাগেরহাট সদর থানার ওসি মো. মাসুম খান জানান, সকালে স্থানীয় লোকজনের মাধ্যমে খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।
Md.Liton 











