Dhaka , Thursday, 17 September 2026
শিরোনাম :
বাগেরহাটে বসতবাড়ির তালা ভেঙে মূল্যবান মালামাল ও দলিলপত্র লুটের অভিযোগ বাগেরহাটে জাতীয়তাবাদী মহিলা দলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আলোচনা সভা বাগেরহাটে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ও আহতদের পরিবারের মাঝে ক্ষতিপূরণের চেক বিতরণ ৪০ কোটি টাকার পানি প্রকল্প অচল, পচা দিঘিতে মাছ শিকারের উৎসব ড্রেন না থাকায় জলাবদ্ধতা, হুমকির মুখে ব্রিজ ঋণের বোঝা, আ.লীগের ‘দায়’ বিএনপির ‘ঘাড়ে’ সমাজবিরোধী অপশক্তির বিরুদ্ধে সর্তক থাকার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর বগুড়ায় প্রতিমন্ত্রীর গাড়ির ধাক্কায় আহত নারীর মৃত্যু বাগেরহাটে শিক্ষার্থীদের মাঝে ক্রীড়া সামগ্রী বিতরণ তানজিন তিশার বিরুদ্ধে মামলার সত্যতা পায়নি পিবিআই, বাদীপক্ষের নারাজি

বাগেরহাটে সংসদীয় আসন চারটি। তিনটিতে ভোট করছেন বিএনপির বিদ্রোহী এম এ এইচ সেলিম

  • Md.Liton
  • আপডেট টাইম : 06:57:58 pm, Thursday, 5 February 2026
  • 166 বার

বাগেরহাটে সংসদীয় আসন চারটি। চারটিতেই বিএনপির বিদ্রোহী প্রার্থী। তিনটিতে ভোট করছেন বিএনপির বিদ্রোহী এম এ এইচ সেলিম।

নির্বাচনী আইন অনুসারে, তাঁরা স্বতন্ত্র প্রার্থী। কিন্তু স্থানীয় ভোটাররা চেনেন তাঁদের বিএনপির ‘বিদ্রোহী’ প্রার্থী হিসেবে। এসব বিদ্রোহী প্রার্থীর কারণে চাপে পড়েছে বাগেরহাট বিএনপি। জেলার চারটি আসনের সব কটিতেই দলটির বিদ্রোহী প্রার্থীরা যেন বিএনপির প্রার্থীদের গলার কাঁটা হয়ে মাঠে রয়েছেন।

বিদ্রোহী প্রার্থীদের মধ্যে বিএনপির সাবেক সংসদ সদস্য এম এ এইচ সেলিম একাই তিনটি আসনে নির্বাচন করছেন। তিনি সিলভার লাইন গ্রুপের মালিক। ২০০১ সালে বিএনপির হয়ে চারদলীয় জোটের প্রার্থী হিসেবে বাগেরহাট–২ আসনে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছিলেন। তিনি বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমানের একসময়ের ঘনিষ্ঠ হিসেবে পরিচিত ছিলেন, কিন্তু এবার দলীয় মনোনয়ন পাননি।

বাগেরহাট জেলায় সংসদীয় আসন চারটি। নির্বাচনী আইন অনুসারে, একজন প্রার্থী সর্বোচ্চ তিনটি আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে পারেন। ব্যবসায়ী এম এ এইচ সেলিম সর্বোচ্চ তিনটি আসনে স্বতন্ত্র নির্বাচন করছেন। এবারের ভোটে বড় দলগুলোর মধ্যে বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান বগুড়া ও ঢাকার একটি আসন মিলে সর্বোচ্চ দুটি আসনে ভোট করছেন। স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে কারও একাধিক আসনে ভোট করার ঘটনা নেই।

এম এ এইচ সেলিমের ঘনিষ্ঠরা বলছেন, তিনি মূলত বাগেরহাট-২ (সদর-কচুয়া) ও বাগেরহাট–১ (চিতলমারী–ফকিরহাট–মোল্লাহাট) আসনকে বেশি গুরুত্ব দিচ্ছেন। বাগেরহাট–৩ (মোংলা ও রামপাল) আসনে তাঁর কার্যক্রম খুব একটা নেই। তবে বাগেরহাট ১ ও ২ আসনে তিনি বিএনপির প্রার্থীদের চাপে ফেলে দিয়েছেন।

এর বাইরে বাগেরহাট–১ আসনে বিএনপির আরেকজন বিদ্রোহী প্রার্থী দলের জেলা আহ্বায়ক কমিটির সদস্য মাছুদ রানা। বাগেরহাট–৪ (মোরেলগঞ্জ–শরণখোলা) আসনে বিএনপির বিদ্রোহী প্রার্থী হিসেবে মাঠে আছেন দলের জেলা আহ্বায়ক কমিটির আরেক সদস্য কাজী খায়রুজ্জামান।বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান খুলনায় নির্বাচনী সফর করে গেছেন। সেখানে বাগেরহাটের দলীয় প্রার্থীরা উপস্থিত ছিলেন; কিন্তু তিনি পাশের জেলা বাগেরহাটে আসেননি। বিএনপির কর্মী–সমর্থকদের ধারণা, দলীয় বিভেদের কারণে তারেক রহমান বাগেরহাট আসেননি।

বিএনপির বিদ্রোহী ও বিভেদের কারণে জামায়াতের প্রার্থীরা সুবিধা পেতে পারে বলে মনে করছেন স্থানীয় ভোটাররা।

প্রথম আলো

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

জনপ্রিয় সংবাদ

বাগেরহাটে বসতবাড়ির তালা ভেঙে মূল্যবান মালামাল ও দলিলপত্র লুটের অভিযোগ

বাগেরহাটে সংসদীয় আসন চারটি। তিনটিতে ভোট করছেন বিএনপির বিদ্রোহী এম এ এইচ সেলিম

আপডেট টাইম : 06:57:58 pm, Thursday, 5 February 2026

বাগেরহাটে সংসদীয় আসন চারটি। চারটিতেই বিএনপির বিদ্রোহী প্রার্থী। তিনটিতে ভোট করছেন বিএনপির বিদ্রোহী এম এ এইচ সেলিম।

নির্বাচনী আইন অনুসারে, তাঁরা স্বতন্ত্র প্রার্থী। কিন্তু স্থানীয় ভোটাররা চেনেন তাঁদের বিএনপির ‘বিদ্রোহী’ প্রার্থী হিসেবে। এসব বিদ্রোহী প্রার্থীর কারণে চাপে পড়েছে বাগেরহাট বিএনপি। জেলার চারটি আসনের সব কটিতেই দলটির বিদ্রোহী প্রার্থীরা যেন বিএনপির প্রার্থীদের গলার কাঁটা হয়ে মাঠে রয়েছেন।

বিদ্রোহী প্রার্থীদের মধ্যে বিএনপির সাবেক সংসদ সদস্য এম এ এইচ সেলিম একাই তিনটি আসনে নির্বাচন করছেন। তিনি সিলভার লাইন গ্রুপের মালিক। ২০০১ সালে বিএনপির হয়ে চারদলীয় জোটের প্রার্থী হিসেবে বাগেরহাট–২ আসনে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছিলেন। তিনি বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমানের একসময়ের ঘনিষ্ঠ হিসেবে পরিচিত ছিলেন, কিন্তু এবার দলীয় মনোনয়ন পাননি।

বাগেরহাট জেলায় সংসদীয় আসন চারটি। নির্বাচনী আইন অনুসারে, একজন প্রার্থী সর্বোচ্চ তিনটি আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে পারেন। ব্যবসায়ী এম এ এইচ সেলিম সর্বোচ্চ তিনটি আসনে স্বতন্ত্র নির্বাচন করছেন। এবারের ভোটে বড় দলগুলোর মধ্যে বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান বগুড়া ও ঢাকার একটি আসন মিলে সর্বোচ্চ দুটি আসনে ভোট করছেন। স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে কারও একাধিক আসনে ভোট করার ঘটনা নেই।

এম এ এইচ সেলিমের ঘনিষ্ঠরা বলছেন, তিনি মূলত বাগেরহাট-২ (সদর-কচুয়া) ও বাগেরহাট–১ (চিতলমারী–ফকিরহাট–মোল্লাহাট) আসনকে বেশি গুরুত্ব দিচ্ছেন। বাগেরহাট–৩ (মোংলা ও রামপাল) আসনে তাঁর কার্যক্রম খুব একটা নেই। তবে বাগেরহাট ১ ও ২ আসনে তিনি বিএনপির প্রার্থীদের চাপে ফেলে দিয়েছেন।

এর বাইরে বাগেরহাট–১ আসনে বিএনপির আরেকজন বিদ্রোহী প্রার্থী দলের জেলা আহ্বায়ক কমিটির সদস্য মাছুদ রানা। বাগেরহাট–৪ (মোরেলগঞ্জ–শরণখোলা) আসনে বিএনপির বিদ্রোহী প্রার্থী হিসেবে মাঠে আছেন দলের জেলা আহ্বায়ক কমিটির আরেক সদস্য কাজী খায়রুজ্জামান।বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান খুলনায় নির্বাচনী সফর করে গেছেন। সেখানে বাগেরহাটের দলীয় প্রার্থীরা উপস্থিত ছিলেন; কিন্তু তিনি পাশের জেলা বাগেরহাটে আসেননি। বিএনপির কর্মী–সমর্থকদের ধারণা, দলীয় বিভেদের কারণে তারেক রহমান বাগেরহাট আসেননি।

বিএনপির বিদ্রোহী ও বিভেদের কারণে জামায়াতের প্রার্থীরা সুবিধা পেতে পারে বলে মনে করছেন স্থানীয় ভোটাররা।

প্রথম আলো