বাগেরহাট প্রতিনিধি:বাগেরহাট-১,২ ও ৩ আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী এমএএইচ সেলিমের নির্বাচনী প্রচারণায় বাঁধা দেয়া হচ্ছ। একাধিক নির্বাচনী কার্যালয়ে তালা দেয়া ও ভাংচুরের ভাংচুরের ঘটনা ঘটেছে। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমেও অপপ্রচার চালানো হচ্ছে। এসব ঘটনায় স্থানীয় প্রশাসনের কাছে অভিযোগ করে প্রতিকার মেলেনি। বুধবার (৪ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে বাগেরহাট প্রেসক্লাব মিলনায়তনে সংবাদ সম্মেলন করে স্বতন্ত্র প্রার্থী এমএএইচ সেলিম এসব অভিযোগ করেন।
বাগেরহাট জেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি, বিশিষ্ট শিল্পপতি এমএএইচ সেলিম স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে ঘোড়া প্রতীক নিয়ে বাগেরহাট
বাগেরহাট-১, ২ ও ৩ আসন থেকে নির্বাচনে অংশ নিচ্ছেন।
এমএএইচ সেলিম সংবাদ সম্মেলনে কারো নাম উল্লেখ না করে বলেন, বাগেরহাট-২ (সদর ও কচুয়া) আসনে তাঁর নির্বাচনী প্রচার প্রচারণায় একজন প্রতিদ্বন্দ্বি প্রার্থীর কিছু সন্ত্রাসী সমর্থক বাঁধা দিচ্ছে। মঙ্গলবার রাতে যাত্রাপুরে তাঁর নির্বাচনী অফিসে তালা লাগিয়ে দিয়েছে। এর আগে
বাগেরহাট শহরের নাগের বাজার এলাকায় তাঁর নির্বাচনী অফিসে আগুন লাগিয়েছে। কয়েকটি প্রচার মাইক ভাংচুর করেছে। এসব নিয়ে পুলিশ প্রশাসন ও জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছে অভিযোগ দিয়ে কোনো প্রতিকার পাননি জানিয়ে এমএএইচ সেলিম বলেন, এ অবস্থা চলতে থাকলে নির্বাচনে লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড থাকবে না। তিনি প্রধান নির্বাচন কমিশনের কাছে নির্বাচনের সুষ্ঠু পরিবেশ বজায় রাখার প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়ার দাবি জানান। এর আগে বাগেরহাট শরের বাসাবাটি এলাকায় এমএএইচ সেলিমের একটি নির্বাচনী কার্যালয়ে অগ্নিসংযোগের অভিযোগ উঠেছিল।
তিনি আরও বলেন, “সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে আমার বিরুদ্ধে কর ফাঁকির গুজব ছড়ানো হচ্ছে। কর ফাঁকি দিলে তো আমার নমিনেশন বাতিল হতো। আমাকে হেয় করার জন্য কুচক্রী মহল সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে এসব গুজব ছড়াচ্ছে।”
তিনি জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা ও প্রশাসনের প্রতি এসব ঘটনার বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়ার জোর দাবি জানান।
জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা ও বাগেরহাটের জেলা প্রশাসক গোলাম মোঃ বাতেন বলেন, “অভিযোগ পাওয়ার পরে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছি। ঘটনা তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”
সংবাদ সম্মেলনে স্বতন্ত্র প্রার্থীর অন্যতম নির্বাচন সমন্বয়কারী মাহবুবুর রহমান টুটুল, সামিট হাসান, হেলাল নুরীসহ তাঁর বেশ কয়েকজন কর্মী সমর্থক উপস্থিত ছিলেন।
Md.Liton 











