Dhaka , Friday, 18 September 2026
শিরোনাম :
বাগেরহাটে বসতবাড়ির তালা ভেঙে মূল্যবান মালামাল ও দলিলপত্র লুটের অভিযোগ বাগেরহাটে জাতীয়তাবাদী মহিলা দলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আলোচনা সভা বাগেরহাটে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ও আহতদের পরিবারের মাঝে ক্ষতিপূরণের চেক বিতরণ ৪০ কোটি টাকার পানি প্রকল্প অচল, পচা দিঘিতে মাছ শিকারের উৎসব ড্রেন না থাকায় জলাবদ্ধতা, হুমকির মুখে ব্রিজ ঋণের বোঝা, আ.লীগের ‘দায়’ বিএনপির ‘ঘাড়ে’ সমাজবিরোধী অপশক্তির বিরুদ্ধে সর্তক থাকার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর বগুড়ায় প্রতিমন্ত্রীর গাড়ির ধাক্কায় আহত নারীর মৃত্যু বাগেরহাটে শিক্ষার্থীদের মাঝে ক্রীড়া সামগ্রী বিতরণ তানজিন তিশার বিরুদ্ধে মামলার সত্যতা পায়নি পিবিআই, বাদীপক্ষের নারাজি
ক্ষমতার অপব্যবহার ও আর্থিক অনিয়মের অভিযোগ

বাগেরহাট শিক্ষা অফিসের সহকারীর কয়েক কোটি টাকার সম্পদ

  • Md.Liton
  • আপডেট টাইম : 07:53:50 pm, Tuesday, 1 July 2025
  • 100 বার

স্টাফ রিপোটার,বাগেরহাট:মাত্র ১৫শ টাকা বেতনে দারোয়ান হিসেবে চাকরি শুরু করেছিলেন মো. মনিরুল ইসলাম। ১৯ বছরের চাকুরী জীবনে কয়েক কোটি টাকার সম্পদ গড়েছেন তিনি। শহরের পিসি কলেজ রোডে কোটি টাকা ব্যয়ে গড়া চারতলা বাড়ি, মুনিগঞ্জ ও গোটাপাড়ায় ৮৯ শতক জমি, ব্যাংকে রয়েছে বিপুল অংকের টাকা রয়েছে তার।বাগেরহাট জেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসের অফিস সহায়ক (সাবেক দারোয়ান) মো.মনিরুল ইসলাম যেন আলাদিনে চ্যারাগ পেয়েছেন। আলোচিত মনিরুল ইসলাম মোরেলগঞ্জ উপজেলার সানকিভাংগা গ্রামের আব্দুল হামিদ শেখের ছেলে।

বাগেরহাট শিক্ষা অফিসের সহকারীর কয়েক কোটি টাকার সম্পদ

এদিকে অফিস সহায়ক মনিরুল ইসলামের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহনের দাবিতে মঙ্গলবার দুপুরে বাগেরহাট প্রেসক্লাবের সামনে জড়ো হয় বিভিন্ন স্থান থেকে আসা মাধ্যমিক পর্যায়ের কিছু শিক্ষক। তবে কয়েক মিনিটের মধ্যে তারা মানববন্ধন স্থগিত করে স্থান ত্যাগ করেন।

মাধ্যমিক শিক্ষা অফিস সূত্রে জানাযায়, ২০০৪ সালে বাগেরহাট সরকারি বালক বিদ্যালয়ে মাত্র ১৫০০ টাকা বেতনে দারোয়ান হিসেবে চাকরি শুরু করেন মনিরুল ইসলাম। এরপর বদলি হয়ে নানা অফিস ঘুরে ২০০৬ সালে জেলা শিক্ষা অফিসে যোগ দেওয়ার পর থেকে ভাগ্য খুলে যায় তার। অভিযোগ রয়েছে, এই অফিসে দীর্ঘদিন থেকে অফিসার ও শিক্ষক সমাজের উপর তৈরি করেছেন প্রভাব।

মেফতা উদ্দিন নামের এক শিক্ষক বলেন, টাকা ছাড়া শিক্ষা অফিসের ফাইল নড়ে না। আর ফাইল নড়াতে হলে মনিরুলদের কাছে ধর্ণা দিতে হয়। তার হাত ভরলেই কাগজে গতি আসে। এমন অভিযোগ মানববন্ধন করতে আসা আরও কয়েক শিক্ষকের। শিক্ষকদের কাছ থেকে অবৈধভাবে টাকা নিয়ে বিপুল সম্পদের মালিখ হয়েছেন মনিরুল এমন অভিযোগ করেন শিক্ষকরা।

এ বিষয়ে মনিরুল ইসলাম বলেন, পৈত্রিক ৯ কাঠা জমিতে চাষাবাদ করি। সেই আয় ও পরিশ্রমের কারণেই এ অবস্থানে এসেছি।

বাগেরহাট জেলা শিক্ষা কর্মকর্তা এসএম সাইদুর ইসলাম বলেন, অফিসের কর্মচারীরা কে কি ভাবে অর্থ বৈভবের মালিক হয়েছে, তা তিনি জানেন না। তবে কেউ যদি অভিযোগ করেন তা হলে ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

জনপ্রিয় সংবাদ

বাগেরহাটে বসতবাড়ির তালা ভেঙে মূল্যবান মালামাল ও দলিলপত্র লুটের অভিযোগ

ক্ষমতার অপব্যবহার ও আর্থিক অনিয়মের অভিযোগ

বাগেরহাট শিক্ষা অফিসের সহকারীর কয়েক কোটি টাকার সম্পদ

আপডেট টাইম : 07:53:50 pm, Tuesday, 1 July 2025

স্টাফ রিপোটার,বাগেরহাট:মাত্র ১৫শ টাকা বেতনে দারোয়ান হিসেবে চাকরি শুরু করেছিলেন মো. মনিরুল ইসলাম। ১৯ বছরের চাকুরী জীবনে কয়েক কোটি টাকার সম্পদ গড়েছেন তিনি। শহরের পিসি কলেজ রোডে কোটি টাকা ব্যয়ে গড়া চারতলা বাড়ি, মুনিগঞ্জ ও গোটাপাড়ায় ৮৯ শতক জমি, ব্যাংকে রয়েছে বিপুল অংকের টাকা রয়েছে তার।বাগেরহাট জেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসের অফিস সহায়ক (সাবেক দারোয়ান) মো.মনিরুল ইসলাম যেন আলাদিনে চ্যারাগ পেয়েছেন। আলোচিত মনিরুল ইসলাম মোরেলগঞ্জ উপজেলার সানকিভাংগা গ্রামের আব্দুল হামিদ শেখের ছেলে।

বাগেরহাট শিক্ষা অফিসের সহকারীর কয়েক কোটি টাকার সম্পদ

এদিকে অফিস সহায়ক মনিরুল ইসলামের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহনের দাবিতে মঙ্গলবার দুপুরে বাগেরহাট প্রেসক্লাবের সামনে জড়ো হয় বিভিন্ন স্থান থেকে আসা মাধ্যমিক পর্যায়ের কিছু শিক্ষক। তবে কয়েক মিনিটের মধ্যে তারা মানববন্ধন স্থগিত করে স্থান ত্যাগ করেন।

মাধ্যমিক শিক্ষা অফিস সূত্রে জানাযায়, ২০০৪ সালে বাগেরহাট সরকারি বালক বিদ্যালয়ে মাত্র ১৫০০ টাকা বেতনে দারোয়ান হিসেবে চাকরি শুরু করেন মনিরুল ইসলাম। এরপর বদলি হয়ে নানা অফিস ঘুরে ২০০৬ সালে জেলা শিক্ষা অফিসে যোগ দেওয়ার পর থেকে ভাগ্য খুলে যায় তার। অভিযোগ রয়েছে, এই অফিসে দীর্ঘদিন থেকে অফিসার ও শিক্ষক সমাজের উপর তৈরি করেছেন প্রভাব।

মেফতা উদ্দিন নামের এক শিক্ষক বলেন, টাকা ছাড়া শিক্ষা অফিসের ফাইল নড়ে না। আর ফাইল নড়াতে হলে মনিরুলদের কাছে ধর্ণা দিতে হয়। তার হাত ভরলেই কাগজে গতি আসে। এমন অভিযোগ মানববন্ধন করতে আসা আরও কয়েক শিক্ষকের। শিক্ষকদের কাছ থেকে অবৈধভাবে টাকা নিয়ে বিপুল সম্পদের মালিখ হয়েছেন মনিরুল এমন অভিযোগ করেন শিক্ষকরা।

এ বিষয়ে মনিরুল ইসলাম বলেন, পৈত্রিক ৯ কাঠা জমিতে চাষাবাদ করি। সেই আয় ও পরিশ্রমের কারণেই এ অবস্থানে এসেছি।

বাগেরহাট জেলা শিক্ষা কর্মকর্তা এসএম সাইদুর ইসলাম বলেন, অফিসের কর্মচারীরা কে কি ভাবে অর্থ বৈভবের মালিক হয়েছে, তা তিনি জানেন না। তবে কেউ যদি অভিযোগ করেন তা হলে ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।