Dhaka , Friday, 18 September 2026
শিরোনাম :
বাগেরহাটে বসতবাড়ির তালা ভেঙে মূল্যবান মালামাল ও দলিলপত্র লুটের অভিযোগ বাগেরহাটে জাতীয়তাবাদী মহিলা দলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আলোচনা সভা বাগেরহাটে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ও আহতদের পরিবারের মাঝে ক্ষতিপূরণের চেক বিতরণ ৪০ কোটি টাকার পানি প্রকল্প অচল, পচা দিঘিতে মাছ শিকারের উৎসব ড্রেন না থাকায় জলাবদ্ধতা, হুমকির মুখে ব্রিজ ঋণের বোঝা, আ.লীগের ‘দায়’ বিএনপির ‘ঘাড়ে’ সমাজবিরোধী অপশক্তির বিরুদ্ধে সর্তক থাকার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর বগুড়ায় প্রতিমন্ত্রীর গাড়ির ধাক্কায় আহত নারীর মৃত্যু বাগেরহাটে শিক্ষার্থীদের মাঝে ক্রীড়া সামগ্রী বিতরণ তানজিন তিশার বিরুদ্ধে মামলার সত্যতা পায়নি পিবিআই, বাদীপক্ষের নারাজি

বিজয় দিবসের ছুটিতে সুন্দরবনে পর্যটকের ঢল

  • Md.Liton
  • আপডেট টাইম : 06:36:10 pm, Saturday, 17 December 2022
  • 122 বার

মোংলা  প্রতিনিধি:বিজয় দিবসের ছুটিতে পর্যটকের ঢল নেমেছে সুন্দরবনে। ট্রলার ও লঞ্চযোগে শুক্রবার (১৬ ডিসেম্বর) সকাল থেকে করমজলসহ বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখেছেন তারা। শনিবারও (১৭ ডিসেম্বর) আসছেন পর্যটকরা।

সুন্দরবন পূর্ব বনবিভাগের চাঁদপাই রেঞ্জের করমজল পর্যটন ও বন্যপ্রাণী প্রজনন কেন্দ্রের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. আজাদ কবির বলেন, একদিকে ১৬ ডিসেম্বরের ছুটি অপরদিকে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ তাই শুক্রবার পর্যটকের সংখ্যা বেড়েছে। আগত দর্শনার্থীদের মধ্যে বেশিরভাগই শিক্ষার্থী, যাদের অধিকাংশ এসেছে পরিবারসহ। অফিস আদালত বন্ধ থাকায় বিভিন্ন জায়গা থেকে সরকারি চাকরিজীবীরাও এসেছেন। এসেছেন মোংলাসহ আশপাশ এলাকার লোকজনও।

আজাদ কবির আরও বলেন, শুক্রবারই প্রায় ১২ শতাধিক পর্যটক এসেছেন করমজলে। এর আগে বৃহস্পতিবার এ কেন্দ্রে পর্যটক আসে ১৫০-২০০। আগের শুক্রবার লোক হয়েছিল ৪০০। শনিবারও লোক আসছে। বন্ধের দিন থাকায় এদিনও লোক সমাগম ভালো হবে বলে আশা করছি।করমজল ছাড়াও বনের হাড়বাড়ীয়া, হিরণপয়েন্ট-নীলকমল, কটকা, কচিখালী ও দুবলার চরে পর্যটক সমাগম ঘটেছে। তিন দিনের প্যাকেজে এসব জায়গা ঘুরে দেখছেন দর্শনার্থীরা।

ট্যুর অপারেটর অ্যাসোসিয়েশন অব সুন্দরবনের সাধারণ সম্পাদক নাজমুল আজম ডেভিড জাগো নিউজকে বলেন, শুক্রবার দিনভর ৫০টির মতো ছোট-বড়-মাঝারি লঞ্চ পর্যটক নিয়ে সুন্দরবনের ভেতরে প্রবেশ করেছে। এসব লঞ্চে প্রায় ২ হাজার পর্যটক তিনদিনের প্যাকেজে সুন্দরবন ভ্রমণে গেছেন। মূলত বিজয় দিবসের ছুটিতে এত বেশি সংখ্যক লোকের আগমন ঘটেছে।

তিনি আরও বলেন, সামনের দিনগুলোতেও পর্যটকের সংখ্যা বাড়তে থাকবে। শীতকালই হলো মূলত পর্যটন মৌসুম। এ সময়ে সাগর ও নদীর পানি ঠান্ডা থাকে সেই সাথে ঝড় বৃষ্টি না থাকায় পর্যটকরা স্বাচ্ছন্দ্যে ভ্রমণ করে থাকেন। এ সময় ঘূর্ণিঝড়ের আশংকা থাকে, যদি তেমন কোন ঝড়-ঝাপটা না হয় তাহলে পর্যটকদের আনাগোনায় সরগরম থাকবে এ শীত মৌসুম।

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

জনপ্রিয় সংবাদ

বাগেরহাটে বসতবাড়ির তালা ভেঙে মূল্যবান মালামাল ও দলিলপত্র লুটের অভিযোগ

বিজয় দিবসের ছুটিতে সুন্দরবনে পর্যটকের ঢল

আপডেট টাইম : 06:36:10 pm, Saturday, 17 December 2022

মোংলা  প্রতিনিধি:বিজয় দিবসের ছুটিতে পর্যটকের ঢল নেমেছে সুন্দরবনে। ট্রলার ও লঞ্চযোগে শুক্রবার (১৬ ডিসেম্বর) সকাল থেকে করমজলসহ বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখেছেন তারা। শনিবারও (১৭ ডিসেম্বর) আসছেন পর্যটকরা।

সুন্দরবন পূর্ব বনবিভাগের চাঁদপাই রেঞ্জের করমজল পর্যটন ও বন্যপ্রাণী প্রজনন কেন্দ্রের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. আজাদ কবির বলেন, একদিকে ১৬ ডিসেম্বরের ছুটি অপরদিকে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ তাই শুক্রবার পর্যটকের সংখ্যা বেড়েছে। আগত দর্শনার্থীদের মধ্যে বেশিরভাগই শিক্ষার্থী, যাদের অধিকাংশ এসেছে পরিবারসহ। অফিস আদালত বন্ধ থাকায় বিভিন্ন জায়গা থেকে সরকারি চাকরিজীবীরাও এসেছেন। এসেছেন মোংলাসহ আশপাশ এলাকার লোকজনও।

আজাদ কবির আরও বলেন, শুক্রবারই প্রায় ১২ শতাধিক পর্যটক এসেছেন করমজলে। এর আগে বৃহস্পতিবার এ কেন্দ্রে পর্যটক আসে ১৫০-২০০। আগের শুক্রবার লোক হয়েছিল ৪০০। শনিবারও লোক আসছে। বন্ধের দিন থাকায় এদিনও লোক সমাগম ভালো হবে বলে আশা করছি।করমজল ছাড়াও বনের হাড়বাড়ীয়া, হিরণপয়েন্ট-নীলকমল, কটকা, কচিখালী ও দুবলার চরে পর্যটক সমাগম ঘটেছে। তিন দিনের প্যাকেজে এসব জায়গা ঘুরে দেখছেন দর্শনার্থীরা।

ট্যুর অপারেটর অ্যাসোসিয়েশন অব সুন্দরবনের সাধারণ সম্পাদক নাজমুল আজম ডেভিড জাগো নিউজকে বলেন, শুক্রবার দিনভর ৫০টির মতো ছোট-বড়-মাঝারি লঞ্চ পর্যটক নিয়ে সুন্দরবনের ভেতরে প্রবেশ করেছে। এসব লঞ্চে প্রায় ২ হাজার পর্যটক তিনদিনের প্যাকেজে সুন্দরবন ভ্রমণে গেছেন। মূলত বিজয় দিবসের ছুটিতে এত বেশি সংখ্যক লোকের আগমন ঘটেছে।

তিনি আরও বলেন, সামনের দিনগুলোতেও পর্যটকের সংখ্যা বাড়তে থাকবে। শীতকালই হলো মূলত পর্যটন মৌসুম। এ সময়ে সাগর ও নদীর পানি ঠান্ডা থাকে সেই সাথে ঝড় বৃষ্টি না থাকায় পর্যটকরা স্বাচ্ছন্দ্যে ভ্রমণ করে থাকেন। এ সময় ঘূর্ণিঝড়ের আশংকা থাকে, যদি তেমন কোন ঝড়-ঝাপটা না হয় তাহলে পর্যটকদের আনাগোনায় সরগরম থাকবে এ শীত মৌসুম।