Dhaka , Thursday, 17 September 2026
শিরোনাম :
বাগেরহাটে বসতবাড়ির তালা ভেঙে মূল্যবান মালামাল ও দলিলপত্র লুটের অভিযোগ বাগেরহাটে জাতীয়তাবাদী মহিলা দলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আলোচনা সভা বাগেরহাটে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ও আহতদের পরিবারের মাঝে ক্ষতিপূরণের চেক বিতরণ ৪০ কোটি টাকার পানি প্রকল্প অচল, পচা দিঘিতে মাছ শিকারের উৎসব ড্রেন না থাকায় জলাবদ্ধতা, হুমকির মুখে ব্রিজ ঋণের বোঝা, আ.লীগের ‘দায়’ বিএনপির ‘ঘাড়ে’ সমাজবিরোধী অপশক্তির বিরুদ্ধে সর্তক থাকার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর বগুড়ায় প্রতিমন্ত্রীর গাড়ির ধাক্কায় আহত নারীর মৃত্যু বাগেরহাটে শিক্ষার্থীদের মাঝে ক্রীড়া সামগ্রী বিতরণ তানজিন তিশার বিরুদ্ধে মামলার সত্যতা পায়নি পিবিআই, বাদীপক্ষের নারাজি

বিদেশী জাহাজে ডাকাতির প্রস্তুতি কালে ৭ দস্যু আটক

  • Md.Liton
  • আপডেট টাইম : 08:16:44 pm, Thursday, 14 July 2022
  • 199 বার

ডাকাতির প্রস্তুতি নিচ্ছিল একদল দস্যু। ওই সময় জাহাজটি ভিএইচএফের মাধ্যমে ঘটনাটি বন্দর কর্তৃপক্ষকে জানায়। তারা কোস্টগার্ডকে জানালে বিদেশী জাহাজের সিসিটিভি ফুটেজ দেখে অভিযান চালিয়ে একটি ট্রলারসহ সাত দস্যুকে আটক করা হয়।

নিজস্ব প্রতিবেদক, বাগেরহাট:বঙ্গোপসাগরে বিদেশি বাণিজ্যিক জাহাজে ডাকাতির প্রস্তুতিকালে সাত দস্যুকে আটক করেছে কোস্টগার্ড পশ্চিম জোন, মোংলা। বৃহস্পতিবার (১৪ জুলাই) সকালে বঙ্গোপসাগরের বোর পয়েন্ট এলাকা থেকে এই দস্যুদের আটক করা হয়। এসময়, আটককৃতদের কাছ থেকে চাপাতি, দা, কুড়াল, বেøড, করাত, ৭ পিস ইয়াবা ও ২০ গ্রাম গাঁজা জব্দ করে কোস্টগার্ড সদস্যরা। আটককৃতরা হলেন মোঃ হারুন (৪৫) মোঃ শাওন (১২), ইমামুল ব্যাপারী (২৩), আনসার খাঁ (৪০), শামসু ব্যাপারী (৩০), মোবারক খাঁ (৩০) ও মুন্না তালুকদার (২২)। এদের সবার বাড়ি মোংলা উপজেলার চিলা ইউনিয়নের কানাইনগর ও জয়মনি এলাকায়।


কোস্ট গার্ড পশ্চিম জোন মোংলার ক্যাপ্টেন এম মোসায়েদ হোসেন বলেন, বঙ্গোপসাগরের বোর পয়েন্ট এলাকায় অবস্থানরত বিদেশি বাণিজ্যিক জাহাজ এম ভি বøু মার্লিনে গত ১২ জুলাই বেলা সাড়ে ১১টার দিকে ডাকাতির প্রস্তুতি নিচ্ছিল একদল দস্যু। ওই সময় জাহাজটি ভিএইচএফের মাধ্যমে ঘটনাটি বন্দর কর্তৃপক্ষকে জানায়। তারা কোস্টগার্ডকে জানালে বিদেশী জাহাজের সিসিটিভি ফুটেজ দেখে অভিযান চালিয়ে একটি ট্রলারসহ সাত দস্যুকে আটক করা হয়। উদ্ধারকৃত মাদক ও জব্দকৃত ট্রলার এবং ধারালো অস্ত্রসহ আটককৃত দস্যুদের মোংলা থানা পুলিশে হস্তান্তরের প্রক্রিয়া চলছে।
২০১৮ সালের ১ নভেম্বর প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সুন্দরবনকে দস্যুমুক্ত ঘোষণা করেন। ২০১৬ সালের ৩১ মে বনদস্যু মাস্টার বাহিনীর সদস্যদের আত্মসমর্পণ মধ্যদিয়ে এই প্রক্রিয়া শুরু হয়৷ এরপর একে একে ২৬ বাহিনীর ২৭৪ জন আত্মসমর্পণ করেন। এছাড়া বিভিন্ন সময় আইনশৃঙ্খলারক্ষাকারী বাহিনীর সাথে বন্দুকযুদ্ধে নিহত হন ১৩৫ জন দস্যু।

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

জনপ্রিয় সংবাদ

বাগেরহাটে বসতবাড়ির তালা ভেঙে মূল্যবান মালামাল ও দলিলপত্র লুটের অভিযোগ

বিদেশী জাহাজে ডাকাতির প্রস্তুতি কালে ৭ দস্যু আটক

আপডেট টাইম : 08:16:44 pm, Thursday, 14 July 2022

ডাকাতির প্রস্তুতি নিচ্ছিল একদল দস্যু। ওই সময় জাহাজটি ভিএইচএফের মাধ্যমে ঘটনাটি বন্দর কর্তৃপক্ষকে জানায়। তারা কোস্টগার্ডকে জানালে বিদেশী জাহাজের সিসিটিভি ফুটেজ দেখে অভিযান চালিয়ে একটি ট্রলারসহ সাত দস্যুকে আটক করা হয়।

নিজস্ব প্রতিবেদক, বাগেরহাট:বঙ্গোপসাগরে বিদেশি বাণিজ্যিক জাহাজে ডাকাতির প্রস্তুতিকালে সাত দস্যুকে আটক করেছে কোস্টগার্ড পশ্চিম জোন, মোংলা। বৃহস্পতিবার (১৪ জুলাই) সকালে বঙ্গোপসাগরের বোর পয়েন্ট এলাকা থেকে এই দস্যুদের আটক করা হয়। এসময়, আটককৃতদের কাছ থেকে চাপাতি, দা, কুড়াল, বেøড, করাত, ৭ পিস ইয়াবা ও ২০ গ্রাম গাঁজা জব্দ করে কোস্টগার্ড সদস্যরা। আটককৃতরা হলেন মোঃ হারুন (৪৫) মোঃ শাওন (১২), ইমামুল ব্যাপারী (২৩), আনসার খাঁ (৪০), শামসু ব্যাপারী (৩০), মোবারক খাঁ (৩০) ও মুন্না তালুকদার (২২)। এদের সবার বাড়ি মোংলা উপজেলার চিলা ইউনিয়নের কানাইনগর ও জয়মনি এলাকায়।


কোস্ট গার্ড পশ্চিম জোন মোংলার ক্যাপ্টেন এম মোসায়েদ হোসেন বলেন, বঙ্গোপসাগরের বোর পয়েন্ট এলাকায় অবস্থানরত বিদেশি বাণিজ্যিক জাহাজ এম ভি বøু মার্লিনে গত ১২ জুলাই বেলা সাড়ে ১১টার দিকে ডাকাতির প্রস্তুতি নিচ্ছিল একদল দস্যু। ওই সময় জাহাজটি ভিএইচএফের মাধ্যমে ঘটনাটি বন্দর কর্তৃপক্ষকে জানায়। তারা কোস্টগার্ডকে জানালে বিদেশী জাহাজের সিসিটিভি ফুটেজ দেখে অভিযান চালিয়ে একটি ট্রলারসহ সাত দস্যুকে আটক করা হয়। উদ্ধারকৃত মাদক ও জব্দকৃত ট্রলার এবং ধারালো অস্ত্রসহ আটককৃত দস্যুদের মোংলা থানা পুলিশে হস্তান্তরের প্রক্রিয়া চলছে।
২০১৮ সালের ১ নভেম্বর প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সুন্দরবনকে দস্যুমুক্ত ঘোষণা করেন। ২০১৬ সালের ৩১ মে বনদস্যু মাস্টার বাহিনীর সদস্যদের আত্মসমর্পণ মধ্যদিয়ে এই প্রক্রিয়া শুরু হয়৷ এরপর একে একে ২৬ বাহিনীর ২৭৪ জন আত্মসমর্পণ করেন। এছাড়া বিভিন্ন সময় আইনশৃঙ্খলারক্ষাকারী বাহিনীর সাথে বন্দুকযুদ্ধে নিহত হন ১৩৫ জন দস্যু।