Dhaka , Monday, 2 November 2026
শিরোনাম :
বাগেরহাটে জমি দখল ও হামলার প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন বাগেরহাটে ইউনিয়ন বিএনপির মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত বাগেরহাটে গ্রীন হার্ট স্কুলের বৃত্তিপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা, নজরুল বর্ষ ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত বাগেরহাট পৌর যুবদলের আয়োজনে যুবদলের ৪৮ তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আনন্দ শোভাযাত্রা বাগেরহাটে ১১ দলীয় ঐক্যের গণমিছিল ৩১ অক্টোবর, অংশগ্রহণের আহ্বান বাগেরহাট জেলা কারাগারে সাজাপ্রাপ্ত বন্দিদের জন্য ‘বৈদ্যুতিক ওয়ারিং ও রিপেয়ারিং’ প্রশিক্ষণ কোর্সের শুভ উদ্বোধন বাগেরহাটে মোটর সাইকেলের গতি রোধ করে বাংলালিংক ডিস্ট্রিবিউটরকে ছুরিকাঘাত ও ছিনতাই বাগেরহাটে স্কুল থেকে ফিরে এসএসসি পরীক্ষার্থীর আত্মহত্যা ‘না বুঝে ভুল করেছি’ ক্ষমা চেয়ে শ্যালিকাকে ‘তালাকে’র ঘোষণা মাসুদের রাশিয়াকে বিচ্ছিন্ন করার পশ্চিমা চেষ্টা শোচনীয়ভাবে ব্যর্থ: মারিয়া জাখারোভা
টানা ১৪ টা লটারি জেতার জের

ব্যক্তির প্রতিভা দেখে লটারি আইনে পরিবর্তন আনে অস্ট্রেলিয়া

  • Md.Liton
  • আপডেট টাইম : 08:01:32 pm, Friday, 9 June 2023
  • 138 বার

আমার ডেস্ক:একজন সাধারণ লটারি খেলোয়াড়ের ভাগ্য খুব সুপ্রসন্ন হলে তিনি একাধিকবার লটারি জিততে পারেন। কিন্তু সেই জেতার সম্ভাবনা থাকে ১৪ মিলিয়নের মধ্যে একজনের। এদিকে সেই চেনা ছককে ভেঙে দিয়েছিলেন এক ব্যক্তি। তিনি একবার, দুবার নয় টানা ১৪ বার জ্যাকপট জিতে নেন।

রোমানিয়ান-অস্ট্রেলিয়ান অর্থনীতিবিদ এবং গণিতবিদ স্টেফান ম্যান্ডেল একটি সহজ “হ্যাক” করার উপায় বাতলে ১৯৮০ -এর দশকে একাধিক লটারি জিতেছিলেন। ম্যান্ডেল তার ১৪ টি লটারি জিতে ৩০ মিলিয়ন ডলারের বেশি ঘরে নিয়ে গিয়েছিলেন। যেখানে জ্যাকপট পুরস্কার মোট সংখ্যার সংমিশ্রনের চেয়ে বেশি ছিল। প্রায় তিন গুন বেশি।

জেতার এই প্রবণতা দেখে অস্ট্রেলিয়ার ওই লোটো খেলোয়াড় আরো বেশি টিকিট কিনতে একটি সিন্ডিকেট বা বিনিয়োগকারীদের গ্রুপ সংগঠিত করে। টিকিটের সংখ্যা বাড়ার সাথে সাথে তার জেতার সম্ভাবনাও বেড়ে যায়। উদাহরণস্বরূপ, একটি লটারিতে যেখানে লোকেদের ১ থেকে ৪০ পর্যন্ত ছয়টি সংখ্যার একটি সেট নির্বাচন করতে হবে, সেখানে লটারি জেতার জন্য স্বতন্ত্র মোট সংখ্যাটি বিস্ময়করভাবে দাঁড়াবে ৩,৩৮,৩৮,৩৮০। ম্যান্ডেলের প্রতিভা অস্ট্রেলিয়া সরকারকে হতবাক করে দেয়।

প্রথম লটারি তিনি জিতেছিলেন রোমানিয়াতে একটি খেলায়। তারপর আর তাকে পিছনে ফিরে তাকাতে হয়নি। যদিও কৌশলটি পুরোপুরি নিয়ম মেনেই ছিল, তবুও তৎকালীন অস্ট্রেলিয়ান সরকার খেলার নিয়ম নিয়ে সন্দেহ প্রকাশ করে। খেলোয়াড় বা তাদের গোষ্ঠীগুলিকে সমস্ত টিকিট ক্রয় করার রাস্তা বন্ধ করে দেয়। আসলে ক্র্যাকডাউনের পর ম্যান্ডেল বুঝতে পেরেছিলেন যে যুক্তরাষ্ট্রের লটারি আইন ততটা পোক্ত ছিল না এবং সেখানেই তার সবচেয়ে বড় এবং চূড়ান্ত জয় অপেক্ষা করছিল।

প্রথম পুরস্কার থেকে শুরু করে মোট ১৩২ টি পুরস্কার লটারি থেকে জিতে নিয়েছিলেন এই ম্যাজিক খেলোয়াড়। তারা অস্ট্রেলিয়ায় ৭.১ মিলিয়ন টিকিট প্রিন্ট করে ৬০ হাজার ডলার খরচ করে তা জাহাজে করে পাঠিয়ে যুক্তরাষ্ট্রে। তারপর সেই হাজার হাজার লটারি টিকিট মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে সমস্ত মুদি দোকানে পাঠিয়ে দেবার ব্যবস্থা করা হয়। এভাবেই লটারি জগতে জিনিয়াস হয়ে ওঠেন স্টেফান ম্যান্ডেল।

সূত্র : টাইমস নাও

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

জনপ্রিয় সংবাদ

বাগেরহাটে জমি দখল ও হামলার প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন

টানা ১৪ টা লটারি জেতার জের

ব্যক্তির প্রতিভা দেখে লটারি আইনে পরিবর্তন আনে অস্ট্রেলিয়া

আপডেট টাইম : 08:01:32 pm, Friday, 9 June 2023

আমার ডেস্ক:একজন সাধারণ লটারি খেলোয়াড়ের ভাগ্য খুব সুপ্রসন্ন হলে তিনি একাধিকবার লটারি জিততে পারেন। কিন্তু সেই জেতার সম্ভাবনা থাকে ১৪ মিলিয়নের মধ্যে একজনের। এদিকে সেই চেনা ছককে ভেঙে দিয়েছিলেন এক ব্যক্তি। তিনি একবার, দুবার নয় টানা ১৪ বার জ্যাকপট জিতে নেন।

রোমানিয়ান-অস্ট্রেলিয়ান অর্থনীতিবিদ এবং গণিতবিদ স্টেফান ম্যান্ডেল একটি সহজ “হ্যাক” করার উপায় বাতলে ১৯৮০ -এর দশকে একাধিক লটারি জিতেছিলেন। ম্যান্ডেল তার ১৪ টি লটারি জিতে ৩০ মিলিয়ন ডলারের বেশি ঘরে নিয়ে গিয়েছিলেন। যেখানে জ্যাকপট পুরস্কার মোট সংখ্যার সংমিশ্রনের চেয়ে বেশি ছিল। প্রায় তিন গুন বেশি।

জেতার এই প্রবণতা দেখে অস্ট্রেলিয়ার ওই লোটো খেলোয়াড় আরো বেশি টিকিট কিনতে একটি সিন্ডিকেট বা বিনিয়োগকারীদের গ্রুপ সংগঠিত করে। টিকিটের সংখ্যা বাড়ার সাথে সাথে তার জেতার সম্ভাবনাও বেড়ে যায়। উদাহরণস্বরূপ, একটি লটারিতে যেখানে লোকেদের ১ থেকে ৪০ পর্যন্ত ছয়টি সংখ্যার একটি সেট নির্বাচন করতে হবে, সেখানে লটারি জেতার জন্য স্বতন্ত্র মোট সংখ্যাটি বিস্ময়করভাবে দাঁড়াবে ৩,৩৮,৩৮,৩৮০। ম্যান্ডেলের প্রতিভা অস্ট্রেলিয়া সরকারকে হতবাক করে দেয়।

প্রথম লটারি তিনি জিতেছিলেন রোমানিয়াতে একটি খেলায়। তারপর আর তাকে পিছনে ফিরে তাকাতে হয়নি। যদিও কৌশলটি পুরোপুরি নিয়ম মেনেই ছিল, তবুও তৎকালীন অস্ট্রেলিয়ান সরকার খেলার নিয়ম নিয়ে সন্দেহ প্রকাশ করে। খেলোয়াড় বা তাদের গোষ্ঠীগুলিকে সমস্ত টিকিট ক্রয় করার রাস্তা বন্ধ করে দেয়। আসলে ক্র্যাকডাউনের পর ম্যান্ডেল বুঝতে পেরেছিলেন যে যুক্তরাষ্ট্রের লটারি আইন ততটা পোক্ত ছিল না এবং সেখানেই তার সবচেয়ে বড় এবং চূড়ান্ত জয় অপেক্ষা করছিল।

প্রথম পুরস্কার থেকে শুরু করে মোট ১৩২ টি পুরস্কার লটারি থেকে জিতে নিয়েছিলেন এই ম্যাজিক খেলোয়াড়। তারা অস্ট্রেলিয়ায় ৭.১ মিলিয়ন টিকিট প্রিন্ট করে ৬০ হাজার ডলার খরচ করে তা জাহাজে করে পাঠিয়ে যুক্তরাষ্ট্রে। তারপর সেই হাজার হাজার লটারি টিকিট মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে সমস্ত মুদি দোকানে পাঠিয়ে দেবার ব্যবস্থা করা হয়। এভাবেই লটারি জগতে জিনিয়াস হয়ে ওঠেন স্টেফান ম্যান্ডেল।

সূত্র : টাইমস নাও