স্টাফ রিপোর্টার: মেডিকেল কলেজ এমবিবিএস কোর্সের ভর্তি পরীক্ষায় ২০২১-২২ শিক্ষাবর্ষে দেশসেরা হয়েছেন খুলনার মেয়ে সুমাইয়া মোসলেম মিম। ফলাফল প্রকাশের পর থেকে তিনি যেমন অভিনন্দিত হয়েছেন, তেমনি তার সাফল্যের দাবিদার খুলনার অন্তত চারটি কোচিং সেন্টার। সুমাইয়াকে নিজেদের শিক্ষার্থী বলে দাবি করেছে ডিএমসি স্কলার্স, রেটিনা ও মেডিকো নামে বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি কোচিং সেন্টার। এমনকি উন্মেষ তাদের কোচিং সেন্টারের ফেসবুক পেজ থেকে সুমাইয়াকে নিজেদের শিক্ষার্থী বলেও দাবি করেছে। তবে মীম, মীমের বাবা ও মা সময় নিউজের কাছে পরিষ্কার করেছেন তার কোচিং সেন্টার নিয়ে। সুমাইয়ার ছবিযুক্ত রেটিনা কোচিং সেন্টারের ভর্তি ফরমের ছবি দিয়ে প্রতিষ্ঠানটি এক ফেসবুক পোস্টে বলে, ‘আলহামদুলিল্লাহ। সুমাইয়া মোসলেম মিম। মেডিকেল মেধাস্থান: ১ম।’
মেডিকোর ফেসবুক পোস্টে বলা হয়, ‘অভিনন্দন! মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষা ২০২১-২২। সুমাইয়া মোসলেম মীম। জাতীয় মেধায় ১ম স্থান মেডিকো রোল ২১০০০৯০৬। এছাড়াও চ্যান্সপ্রাপ্ত সকলকে শুভকামনা।’
অন্যদিকে উন্মেষের ফেসবুক পেজের পোস্টেও সুমাইয়াকে নিজেদের শিক্ষার্থী বলে দাবি করা হয়েছে। ওই পোস্টে বলা হয়, ‘আলহামদুলিল্লাহ এ বছর (২০২১-২২ শিক্ষাবর্ষ) মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষায় ১ম স্থান অধিকার করেছে উন্মেষের কৃতি শিক্ষার্থী গভ. এম এম সিটি কলেজ, খুলনা -এর সুমাইয়া মোসলেম মিম। উন্মেষ রোল ৯৬২১০৭০৩৫০৯। চান্সপ্রাপ্ত সকল শিক্ষার্থীকে উন্মেষ পরিবারের পক্ষ থেকে প্রাণঢালা অভিনন্দন।’
তবে মীম জানিয়েছেন, তিনি মূলত ডিএমসি স্কলার্স কোচিংয়ে পড়াশোনা করেছেন। নাম না উল্লেখ করে তিনি জানিয়েছেন, আরও কয়েকটি কোচিংয়ে তিনি বিভিন্ন মডেল টেস্ট পরীক্ষায় অংশ নিয়েছেন।
মীমের মা খাদিজা খাতুন যশোরের কেশবপুর পাজিয়া উপস্বাস্থ্যকেন্দ্রের ফার্মাসিস্ট। ওই কেন্দ্রে মেডিকেল অফিসার হিসেবে কর্মরত ছিলেন ডিএমসি স্কলার্সের পরিচালক ডা. সিয়াম। সেখানে পরিচয়ের সূত্রে ডা. সিয়াম খাদিজাকে তার কোচিংয়ে পাঠানোর অনুরোধ করেন। তার অনুরোধেই মীমকে ডিএমসি স্কলার্সে ভর্তি করান খাদিজা।
তিনি বলেন, ‘ডা. সিয়াম স্যার আমাকে বলে- আপা, মীমকে আমার ওখানে পাঠিয়ে দেন, সে ভালো করবে। তার কথা আজ সত্য হয়েছে। মীম আজ ভালো রেজাল্ট করেছে। যা আমি প্রত্যাশা করিনি। আল্লাহ আমার ইচ্ছাপূরণ করেছেন।’
মীমের বাবা মোসলেম উদ্দীন সরদার বলেন, ডুমুরিয়ায় আমার গ্রাম। সেখান থেকে নগরীতে এসে কোচিং করিয়েছি। ডিএমসি স্কলার কোচিংয়ে ডা. সিয়ামের তত্ত্বাবধানে সে লেখাপড়া করে। এছাড়া দু-একটি কোচিংয়ে সে পরীক্ষা দিয়েছে। একমাত্র ডিএমসি স্কলার কোচিংয়ের শিক্ষকদের প্রচেষ্টাতেই ভালো ফল করেছে সে।
Md.Liton 











