বাগেরহাট প্রতিনিধি:বাগেরহাটের চিতলমারী উপজেলার একটি মুক্তিযোদ্ধা পরিবারের অভিযোগ গ্রহণ না করে নির্যাতন ও হয়রানির অভিযোগে পুলিশের দেয়া তদন্ত প্রতিবেদনের নারাজি আবেদনের আদেশ আগামী ৩১ জানুয়ারি। বাগেরহাট আদালতের সংশ্লিষ্ট জুডিসিয়াল ম্যাজিষ্ট্রেট গত রবিবার অভিযোগকারীর নারাজি শুনানির দিনে এ আদেশ দেন।বিচারক ওই ধার্য তারিখে নালিশি অভিযোগকারীর বৃদ্ধ মাতা ও স্ত্রীকে স্বাক্ষী হিসাবে হাজির করারও আদেশ দেন।বাদী পক্ষের আইনজীবী শাহীন তালুকদার মঙ্গলবার (২০ ডিসেম্বর) বলেন, চিতলমারী উপজেলার হিজলা পূর্বপাড়া এলাকার মৃতঃ বীর মুক্তিযোদ্ধা হেমায়েত উদ্দিন খানের বাড়িতে অনধিকার প্রবেশ করে প্রতিপক্ষরা হামলা করে।এ ঘটনায় মরহুম মুক্তিযোদ্ধার স্ত্রী শাহেদা বেগম, ছেলে ওলিয়ার রহমান খান ও তার স্ত্রী হালিমা বেগমসহ অন্যরা চিতলমারী থানায় অভিযোগ দিতে যায়।
থানার ওসি এএইচএম কামরুজ্জামান তাদের অভিযোগ না নিয়ে তাদের অশালীন ভাষায় গালিগালাজসহ নির্যাতন ও হয়রানি করে। এ ঘটনায় ক্ষুব্ধ মুক্তিযোদ্ধা ওই পরিবারের ছেলে ওলিয়ার রহমান খান পুলিশের উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষের কাছে দফায় দফায় অভিযোগ করেও কোনো প্রতিকার না পেয়ে বাগেরহাট সিনিয়ার জুডিসিয়াল ম্যাজিষ্ট্রেট আদালতের নালিশি অভিযোগ দায়ের করেন।আদালতের বিজ্ঞ বিচারক বাদীর অভিযোগ আমলে নিয়ে বাগেরহাট পুলিশ সুপারকে তদন্তের নির্দেশ দেন।
বিষয়টি বাগেরহাটের সদর সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার তদন্ত করে থানার ওসির বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগের সত্যতা না থাকার বিষয়ে আদালতে প্রতিবেদন দাখিল করে। ধার্য তারিখে পুলিশের বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগের তদন্ত প্রতিবেদনের বিরুদ্ধে নারাজি আবেদন করেন বাদী ওলিয়ার রহমান খান। রবিবার বাদীর উপস্থিতিতে আদালতের বিচারক এ আবেদনের শুনানি করেন এবং আগামী ৩১ জানুয়ারি আদেশের দিন ধার্য করেন।
এদিন বাদীর মাতা শাহিদা বেগম ও স্ত্রী হালিমা বেগমকে স্বাক্ষী হিসাবে হাজির থাকার নির্দেশনা দেন। মামলার বাদী মুক্তিযোদ্ধা সন্তান ওলিয়ার রহমান খান তার প্রতিক্রিয়ায় বলেন, তুচ্ছ ঘটনা নিয়ে আমার বাড়িতে সন্ত্রাসী হামলা হয়। বৃদ্ধ মাতাসহ নারীদের নির্যাতন করা হয়।
এ ঘটনায় থানায় অভিযোগ দিতে গিয়ে থানার ওসির দ্বারা আরো নির্যাতনের স্বীকার হয়ে উপায়ন্তর না পেয়ে আদালতের আশ্রয় নিয়েছি। এখন আদালতই ভরসা।
Md.Liton 











