নামাজে অংশগ্রহণকারীরা জানান, অনাবৃষ্টিতে ফসল উৎপাদন সম্ভব হচ্ছেনা। প্রচণ্ড গরমে অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছে এখানকার জনজীবন। এমন দুর্ভোগ থেকে মুক্তি পেতে মহান আল্লাহর সন্তুষ্টি লাভের জন্য এ নামাজ আদায় করা হয়।সৌদি আরবে রহমতের বৃষ্টির জন্য প্রতি বছরই একাধিকবার ইসতিসকার নামাজ পড়া হয়। বিশেষ করে যখনই অনাবৃষ্টি প্রচণ্ড তাপপ্রবাহ বেড়ে যায় তখনই নামাজে ইসতিসকা আদায় করা হয়। ইসতিসকার সালাত আদায় করা নফল ইবাদত। তবে মহামারি বা দুর্যোগ এলে এই সালাতের গুরুত্ব অনেক।
নামাজের আগে মোংলা পোর্ট পৌরসভার মেয়র বীর মুক্তিযোদ্ধা শেখ আঃ রহমান সকলের উদ্দেশ্যে মহান আল্লাহর নিকট ক্ষমা প্রার্থনার আবেদন করেন।
এ বিষয়ে মাও: রেজাউল করিম বলেন,দীর্ঘদিন বৃষ্টি না হওয়ায় মানুষ পানির জন্য খুব বিপদে আছে। বৃষ্টি না হওয়ায় তাপপ্রবাহে দেশের মানুষের বিপদ-আপদ ও দুঃখ-কষ্ট হতে থাকলে প্রয়োজন পূরণের জন্য আল্লাহর দরবারে প্রার্থনা করা সুন্নত। একেই আরবিতে বলা হয় ‘ইসতিসকা’ অর্থাৎ পানি প্রার্থনা করা।
হাদিস শরিফে বর্ণিত আছে- রাসুলুল্লাহ (সা.) বৃষ্টি প্রার্থনার সময় বলতেন, ‘হে আল্লাহ! তুমি তোমার বান্দাকে এবং তোমার পশুদের পানি দান করো। আর তাদের প্রতি তোমার রহমত বর্ষণ করো এবং তোমার মৃত জমিনকে জীবিত করো। ’নামাজ আদায়ের ৩ ঘন্টা পরই আল্লাহর রহমতের বৃস্টিও শুরু হয়েছে মোংলায়।
Md.Liton 











