নিহতের ছোট ছেলে নাঈম শেখ জানান, বাবা দিন মজুর হওয়ায় কাজের সুবাদে দূরে থাকে মাঝে মাঝে বাড়িতে আসেন। বাড়িতে মা আর আমি থাকিঅ আমরা প্রতিদিনের মতো ঘুমিয়ে পড়ি। রাতে আমার পানি পিপাসা পাওয়ায় পানি খেতে উঠে লাইট জালিয়ে মাকে ঘরের আড়ার সাথে ঝুলন্ত অবস্থায় দেখতে পেয়ে ডাক-চিৎকার করলে আশ-পাশের সবাই ছুটে এসে মাকে ঝুলন্ত অবস্থায় দেখতে পান।
স্থানীয়রা জানান, তারা নিহতের ছোট ছেলের ডাক-চিৎকারে ছুটে গিয়ে ঝর্না বেগমকে ঝুলন্ত অবস্থায় দেখে কাউন্সিলরকে ফোন দেয়। কাউন্সিলর ঘটনাস্থল আসেন এবং থানা পুলিশকে অবিহিত করেন। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌছে লাশ উদ্ধার করে।
পরিবার ও স্বজনরা জানান, নিহত ঝর্ণা দীর্ঘদিন মানসিক রোগে ভুগছিলেন। তার চিকিৎসাও চলছিলো। কয়েকদিন ধরে কারো সাথে তেমন কথা বলতো না।
মোরেলগঞ্জ থানা অফিসার ইনচার্জ সাইদুর রহমান জানান, লাশ উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য মর্গে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় অপমৃত্যু মামলা রেকর্ড হয়েছে।
Md.Liton 











