নদীর চর বেদখল করে ব্যক্তি স্বার্থে মৎস ঘের করছে কতিপয় প্রভাবশালীরা
এম.পলাশ শরীফ, মোড়েলগঞ্জ:বাগেরহাটের মোড়েলগঞ্জে বহরবুনিয়া ইউনিয়নের নদীর তীরবর্তী বহরবুনিয়া গ্রামের চরের জমি দখল করে মৎস ঘের করার অভিযোগ পাওয়া গেছে। পানি নিষ্কাসনে প্রতিবন্ধকতায় জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়ে শতাধিক বিঘার ফসলি জমির বীজ পাতা রোপন করতে না পারার আশংকায় রয়েছে কৃষকেরা। এঘটনায় স্থানীয় সংসদ সদস্য ও বাগেরহাট জেলা প্রশাসক বরাবরে পৃথক অভিযোগ দায়ের করেছেন ভুক্তভোগী কৃষকদের পক্ষে সংশ্লিষ্ট ওয়ার্ডের সাবেক ইউপি সদস্য মো. ফোরকান আকন প্রিন্স।
প্রাপ্ত অভিযোগে ও নরেজমিনে খোজ নিয়ে জানা গেছে, পানগুছি নদীর তীরবর্তী বহরবুনিয়া ইউনিয়নের ১নং ওয়ার্ডের একটি অংশে নদীর চর বেদখল করে ব্যক্তি স্বার্থে মৎস ঘের করছে কতিপয় প্রভাবশালীরা। নতুন করে মাটি কেটে ভেড়ি দিয়ে ১০ বিঘা চরের জায়গা বেদখল করছেন সোহেল খান নামের এক মৎস ব্যবসায়ী। সরকারী বরাদ্দে পানি চলাচলের কালভার্টটি মাটির ভেরির কারনে বন্ধ হয়ে জলাদ্ধতার র্সষ্টি হয়েছে। একাধিক ফসলি জমি মালিক চলতি দেশি আমন মৌসুমে বীজতলা না করতে পারার আশংকায় রয়েছে । শতাধিক বিঘার জমির পানি নিস্কাষন বন্ধ হয়ে পড়েছে।
ভুক্তভোগী কৃষক আনসার আলী আকন (৭০) ছালাম মুন্সি (৬০) নাসির আলী মুন্সি (৫৫) নাইম মুন্সী (৩১) সহ একাধিকরা বলেন তাদের প্রত্যেকের এ ফসলী মাঠে দেড় বিঘা থেকে ১৫/২০ বিঘা জমি রয়েছে। এ ফসলী জমিতে ধান ও মাছ চাষ করেন তারা। বিশেষ করে এ মৌসুমে আমন ধানের বেশী আবাদ হয়। বছরের খোরাক মিটিয়েও অন্যান্য সাংসারিক খরচ যোগান দিতে হয় এ ফসল বিক্রি করে। হঠাৎ করে চরের জায়গা আটকিয়ে ফসলের মাঠের পানি চলাচল বন্ধ করে দিয়েছে। আর মাত্র ১৫ দিন পরই আমন ধান বীজ বপনের সময়। কিন্তু এখোনো পর্যন্ত মাঠের পানি নিস্কাষন হচ্ছেনা। বর্ষার মৌসুমে আরো পানি বৃদ্ধি পেয়ে জলাবদ্ধতা হওয়ার আশংকা রয়েছে। দ্রত এ পানি চলাচলের জন্য কালভার্টটি উন্মুক্ত করে পানি নিস্কাষনের ব্যবস্থা গ্রহনের জন্য উর্ধতন প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।
এ দিকে ভুক্তভোগী জমির মালিকদের পক্ষে সাবেক মেম্বার মো. ফোরকান আকন প্রিন্সের অভিযোগের প্রেক্ষিতে খাস জমি জবর দখল করার প্রতিবাদ সংক্রান্ত অভিযোগটি সরেজমিন তদন্ত পূর্বক প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহনের জন্য উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে নির্দেশনা প্রদান করেন জেলা প্রশাসক।
এ সম্পর্কে সোহেল খান বলেন, তিনি কোন সরকারী জমি দখল করেননি, তিনি তার পৈত্রিক জমিতে ঘের করছেন।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. জাহাঙ্গীর আলম বলেন, বহরবুনিয়া খাস জমি জবর দখল করার বিষয়ে জেলা প্রশাষক মহোদয়ের বরাবরে অভিয়োগের তদন্ত প্রতিবেদনের নির্দেশনা পেয়েছি। শিঘ্রই ঘটনাস্থলে গিয়ে তদন্তপূর্বক আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।
Md.Liton 











