ঢাকা কলেজের স্নাতকোত্তরের শিক্ষার্থী আব্দুল হাকিম বলেন, ‘বর্তমানে শিক্ষার্থীরা হলে অবস্থান করছেন। অনেকেই ঈদ উপলক্ষে বাড়ি চলে যাচ্ছে। কোনো ধরনের সংঘাত আশা করি হবে না। শিক্ষার্থীদের যে ১০ দফা দাবি ছিল সেই দাবিগুলোর ওপরে এখনো তাঁরা অটল। একই সঙ্গে পুলিশের দেওয়া মামলায় যেন কোনো শিক্ষার্থী হয়রানির শিকার না হয় সেটি নিশ্চিত করতে কলেজ প্রশাসনকে আহ্বান জানিয়েছেন শিক্ষার্থীরা। সার্বিক বিষয়ে জানতে চাইলে ঢাকা কলেজের অধ্যক্ষ (ভারপ্রাপ্ত) অধ্যাপক এটিএম মইনুল হোসেন বলেন, ‘হল বন্ধের সিদ্ধান্ত নিয়েছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। এই সিদ্ধান্তের কথা আমরা আমাদের পক্ষ ছাত্রদের জানিয়ে দিয়েছি। ছাত্ররা ছাত্রাবাস ছেড়ে চলে যাচ্ছে। পাশাপাশি তাঁরা হামলাকারীদের বিচার দাবি করছেন। এসব বিষয় আমরা ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানিয়েছি।’ অধ্যক্ষ আরও বলেন, ‘আহত শিক্ষার্থীরা বিশেষ বিবেচনায় হলে অবস্থান করছে। আজ থেকে আমাদের কলেজের শিক্ষা কার্যক্রম বন্ধ। শিক্ষার্থীরা ঈদ উপলক্ষে আস্তে আস্তে হল ছেড়ে চলে যাচ্ছে।’ পুলিশের মামলায় যেন কোনো শিক্ষার্থী হয়রানির শিকার না হয় সেটি নিশ্চিত করার দাবির ব্যাপারে অধ্যক্ষ এটিএম মইনুল হোসেন বলেন, ‘আইন তার নিজস্ব গতিতে চলবে। তবে আমরা পুলিশ প্রশাসনকে বিষয়টি অবহিত করেছি।’
নিউজ ডেক্স: রাজধানীর নিউমার্কেটে দুই দোকান কর্মচারীর মাঝে ঝগড়া! সেই ঝগড়া রূপ নিল ব্যবসায়ী-ঢাকা কলেজ শিক্ষার্থীদের মাঝে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষে। টানা দুই দিনের বেশি সময় থেমে সংঘর্ষ চলেছে। এরই মধ্যে প্রাণ গেছে দুই জনের। অবশেষে উত্তেজনা থেমেছে। আজ খুলেছে দোকানপাট। ক্রেতারা সমাগম বেশ ভালো। চলছে বেচাকেনা ঢাকা কলেজের পরিস্থিতিও শান্ত।
Md.Liton 











