এলাকাবাসি দাবি করেছেন ওই আরসিসি সড়কের সাথে দুইটি ড্রেন নির্মাণ করা হয়েছে। ড্রেন দুটি সড়কের চেয়ে খানিকটা উচু হওয়ায় ও সড়কের পানি ড্রেনে না যাওয়ায় ড্রেন দুটি কোন কাজেই আসছে না। বর্তমানে ড্রেন দুটি মশা উৎপাদনের খামারে পরিণত হয়েছে। এছাড়াও অসমাপ্ত সড়কে নিম্ন মানের ইটের খোয়া ব্যবহার করায় এলাকাবাসি চরম ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। তারা জনগুরুত্বপূর্ণ ওই সড়কটি দ্রুত নির্মাণের দাবি জানিয়েছেন।
এ বিষয়ে রামপাল উপজেলা চেয়ারম্যান সেখ মোয়াজ্জেম হোসেন এর দৃষ্টি আকর্ষণ করা হলে তিনি বলেন, বাসস্টান্ডের ওই এলাকার ঠিকাদারের লোকজন দুই গাড়ি নিম্ন মানের ইটের খোয়া ভুলক্রমে ফেলেছিল। আমি তাদের ওই নিন্মমানের খোয়া সরিয়ে এক নম্বর খোয়া দিতে বলেছি। সড়কটির বাকী অংশ দ্রুত সময়ের মধ্যে নির্মাণ কাজ সম্পন্ন করা হবে বলেও তিনি সাংবাদিকদের নিশ্চিত করেন।
কি কারণে বা কেন দীর্ঘ দিন ধরে সড়কটি নির্মাণ কাজ পড়ে আছে এ বিষয়ে কথা বলতে নির্মাণ প্রতিষ্ঠান মাহাবুব ব্রাদার্সের কর্ণধার বা তার কোন প্রতিনিধিকে খুঁজে পাওয়া যায়নি। তাদের সাথে কথা বলার চেষ্টা চলছে।
এ বিষয়ে রামপাল উপজেলা এলজিইডির প্রকৌশলী মো গোলজার হোসেন এর দৃষ্টি আকর্ষণ করা হলে এবং ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের সংশ্লিষ্ট লোকদের ফোন নম্বর চাইলে তিনি সেটি দিতে পানেন নি। তিনি অনেকটা অপারগতার স্বরে বলেন, কারা কাজ করছেন আপনারা জানেন না ?
Md.Liton 











