Dhaka , Tuesday, 3 November 2026
শিরোনাম :
বাগেরহাটকে অপরাধমুক্ত করতে জিরো টলারেন্স নীতি: পুলিশ সুপার বাগেরহাট প্রেসক্লাবে সড়ক মন্ত্রীর উপহার বাগেরহাটে ধর্মীয় ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের উন্নয়নে চেক বিতরণ বাগেরহাটে জমি দখল ও হামলার প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন বাগেরহাটে ইউনিয়ন বিএনপির মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত বাগেরহাটে গ্রীন হার্ট স্কুলের বৃত্তিপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা, নজরুল বর্ষ ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত বাগেরহাট পৌর যুবদলের আয়োজনে যুবদলের ৪৮ তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আনন্দ শোভাযাত্রা বাগেরহাটে ১১ দলীয় ঐক্যের গণমিছিল ৩১ অক্টোবর, অংশগ্রহণের আহ্বান বাগেরহাট জেলা কারাগারে সাজাপ্রাপ্ত বন্দিদের জন্য ‘বৈদ্যুতিক ওয়ারিং ও রিপেয়ারিং’ প্রশিক্ষণ কোর্সের শুভ উদ্বোধন বাগেরহাটে মোটর সাইকেলের গতি রোধ করে বাংলালিংক ডিস্ট্রিবিউটরকে ছুরিকাঘাত ও ছিনতাই

র‍্যাবের ওপর নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারে ভারতের সাহায্য চেয়েছে বাংলাদেশ: পররাষ্ট্রমন্ত্রী

  • Md.Liton
  • আপডেট টাইম : 10:01:07 pm, Tuesday, 26 April 2022
  • 195 বার
নিউজ ডেক্স: র‍্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়নের (র‍্যাব) ওপর থেকে মার্কিন নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারে ভারতের সহযোগিতা চেয়েছে বাংলাদেশ। আজ মঙ্গলবার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ কে আবদুল মোমেন। এপ্রিলে যুক্তরাষ্ট্র সফরকালে ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠকের বিষয়ে জানতে চাইলে এ কে আবদুল মোমেন বলেন, ‘র‍্যাবের ওপর নিষেধাজ্ঞা আসার পর ভারতের সাহায্য বাংলাদেশ চেয়েছে। ভারত বলেছে, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বৈঠকে তারা বিষয়টি তুলে ধরবে। যুক্তরাষ্ট্রে হিন্দু ও ভারতীয় সম্প্রদায় র‍্যাবের ওপর নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের জন্য মার্কিন প্রশাসনকে অনুরোধ করেছে। এটি সম্ভব হয়েছে প্রতিবেশী রাষ্ট্র ভারত যুক্তরাষ্ট্রে ভারতীয় সম্প্রদায়কে বলেছিল বলে।’

সম্প্রতি নিষেধাজ্ঞা নিয়ে মার্কিন রাষ্ট্রদূতের বার্তার বিষয়ে দৃষ্টি আকর্ষণ করলে পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘যুক্তরাষ্ট্র যেটি বলেছে, সেটি হচ্ছে জবাবদিহি। বাংলাদেশে বাহিনীর ভেতরে জবাবদিহি রয়েছে। এ কারণে নারায়ণগঞ্জের ঘটনায় ফাঁসি হয়েছে। অনেকে চাকরিচ্যুত হয়েছে। আমাদের ভেতরে যে জবাবদিহি রয়েছে, বিষয়টি মার্কিনদের কাছে ঠিকমতো পৌঁছায়নি।’ তিনি বলেন, ‘যুক্তরাষ্ট্রে লাইন অব ডিউটিতে মানুষ মেরে ফেলে। আমাদের এখানেও লাইন অব ডিউটিতে মানুষ মরে। কিন্তু এগুলো ন্যায়সংগত হতে হবে।’ তবে এমন ব্যাখ্যায় যুক্তরাষ্ট্র সন্তুষ্ট হয়নি বলেও জানালেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী। এ সম্পর্কিত এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘এখনো হয়তো আমাদের ব্যাখ্যায় (তারা) সন্তুষ্ট হয়নি। ভবিষ্যতে হয়তো হবে।’

ভূরাজনীতি প্রেক্ষাপটে ইউক্রেন ইস্যু নিয়ে এ কে আবদুল মোমেন বলেন, ‘জাতিসংঘ মহাসচিবের রাশিয়া সফরের বিষয়ে খুব আশাবাদী। আমরা চাই যাতে যুদ্ধ বন্ধ হয়। এ ক্ষেত্রে জাতিসংঘের মহাসচিবকে সব ধরনের উৎসাহ দেওয়া হবে বাংলাদেশ থেকে। ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর ঢাকা সফরে ইউক্রেন নিয়ে আলোচনা হতে পারে।’ তিনি বলেন, ‘ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আগামী ২৮ এপ্রিল ঢাকা আসছেন। ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী হয়তো একটা সুখবর নিয়ে আসবেন। তবে কি খবর নিয়ে আসবেন, তা এখনো আমরা জানি না। ভারতের গণমাধ্যমের বরাতে আমরা জেনেছি, তিনি আমাদের প্রধানমন্ত্রীকে ভারত সফরের আমন্ত্রণ জানাতে পারেন।’ তিনি বলেন, এর আগে প্রধানমন্ত্রীকে দাওয়াত দেওয়া হয়েছিল, কিন্তু এবার হয়তো তারিখসহ আমন্ত্রণ দেওয়া হবে।  ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সফরে পররাষ্ট্রমন্ত্রী পর্যায়ের দ্বিপক্ষীয় বৈঠকের তারিখ ঠিক হবে জানিয়ে এ কে আবদুল মোমেন বলেন, ‘ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর একটি সাক্ষাৎ রয়েছে। পররাষ্ট্রমন্ত্রী পর্যায়েরও সাক্ষাৎ রয়েছে। সেখানে অমীমাংসিত ইস্যুগুলো নিয়ে আলোচনা হবে।’ ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী জয়শঙ্করের সফরে সম্ভাব্য আলোচনার বিষয়ে আবদুল মোমেন বলেন, ‘সবকিছু নিয়ে আলোচনা হবে। এর মধ্যে তিস্তা নদীর পানি বণ্টনসহ অন্যান্য বিষয়, সীমান্ত ব্যবস্থাপনা, বাণিজ্য বিষয়ক বিভিন্ন অমীমাংসিত বিষয়ও রয়েছে। আমরা আরও বেশি বাণিজ্য বাড়াতে চাই। মে মাসের শেষ দিকে হয়তো জেসিসি বৈঠকটি হবে। বৈঠকটি করতে ভারতে যাব।’ তিনি বলেন, ‘পররাষ্ট্রমন্ত্রী পর্যায়ের জেসিসি বৈঠকের আগে কিছু বৈঠক শেষ করতে হয়। দুই দেশের বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সচিব পর্যায়ের বৈঠক শেষ হয়েছে। নদী কমিশনের বৈঠক এখনো শেষ হয়নি। ফলে এ ধরনের বৈঠকগুলো শেষ হলে জেসিসি বৈঠক হবে।’ দেশের মহাসড়ক নিয়ে আসন্ন এ বৈঠকে আলোচনায় ঢাকার আগ্রহ আছে বলে জানান পররাষ্ট্রমন্ত্রী। তিনি বলেন, ‘ভারত, মিয়ানমার, থাইল্যান্ডের মধ্যে সড়ক পথে কানেকটিভিটি প্রতিষ্ঠিত করার কাজ চলছে। এই উদ্যোগে সংযুক্ত হতে চায় বাংলাদেশ। আমরা তাদের আবার অনুরোধ করব। ইতিমধ্যে ভারত এ বিষয়ে রাজি হয়ে। থাইল্যান্ডের উপ-প্রধানমন্ত্রী আমাকে জানিয়েছেন, তাদেরও কোনো আপত্তি নেই। এ বিষয়ে আমরা তাদের সঙ্গে আলোচনা অব্যাহত রাখব।’ চীনের ঋণ নিয়ে প্রশ্ন করলে এ কে আবদুল মোমেন বলেন, ‘চীনের প্রেসিডেন্ট যখন বাংলাদেশ এসেছিলেন, তখন আমরা প্রায় ২৪ বিলিয়ন ডলারের চুক্তি করেছি। কিন্তু এখন পর্যন্ত কতটুকু নিয়েছি, সেটি দেখতে হবে। ঋণ নেওয়ার সময়ে আমরা খুবই হিসাব করে নিই। আমাদের বেশির ভাগ ঋণ হচ্ছে আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলো ও জাপান থেকে। চীন থেকে খুবই অল্প ঋণ নেওয়া হয়েছে, যা মোট ঋণের ৫ শতাংশেরও কম। সবাই শুধু চীনের ঋণের কথা বলে। জাপানের ঋণের কথা কেউ বলে না। বাংলাদেশের সঙ্গে শ্রীলঙ্কার কোনো তুলনা হয় না।’

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

বাগেরহাটকে অপরাধমুক্ত করতে জিরো টলারেন্স নীতি: পুলিশ সুপার

র‍্যাবের ওপর নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারে ভারতের সাহায্য চেয়েছে বাংলাদেশ: পররাষ্ট্রমন্ত্রী

আপডেট টাইম : 10:01:07 pm, Tuesday, 26 April 2022
নিউজ ডেক্স: র‍্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়নের (র‍্যাব) ওপর থেকে মার্কিন নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারে ভারতের সহযোগিতা চেয়েছে বাংলাদেশ। আজ মঙ্গলবার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ কে আবদুল মোমেন। এপ্রিলে যুক্তরাষ্ট্র সফরকালে ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠকের বিষয়ে জানতে চাইলে এ কে আবদুল মোমেন বলেন, ‘র‍্যাবের ওপর নিষেধাজ্ঞা আসার পর ভারতের সাহায্য বাংলাদেশ চেয়েছে। ভারত বলেছে, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বৈঠকে তারা বিষয়টি তুলে ধরবে। যুক্তরাষ্ট্রে হিন্দু ও ভারতীয় সম্প্রদায় র‍্যাবের ওপর নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের জন্য মার্কিন প্রশাসনকে অনুরোধ করেছে। এটি সম্ভব হয়েছে প্রতিবেশী রাষ্ট্র ভারত যুক্তরাষ্ট্রে ভারতীয় সম্প্রদায়কে বলেছিল বলে।’

সম্প্রতি নিষেধাজ্ঞা নিয়ে মার্কিন রাষ্ট্রদূতের বার্তার বিষয়ে দৃষ্টি আকর্ষণ করলে পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘যুক্তরাষ্ট্র যেটি বলেছে, সেটি হচ্ছে জবাবদিহি। বাংলাদেশে বাহিনীর ভেতরে জবাবদিহি রয়েছে। এ কারণে নারায়ণগঞ্জের ঘটনায় ফাঁসি হয়েছে। অনেকে চাকরিচ্যুত হয়েছে। আমাদের ভেতরে যে জবাবদিহি রয়েছে, বিষয়টি মার্কিনদের কাছে ঠিকমতো পৌঁছায়নি।’ তিনি বলেন, ‘যুক্তরাষ্ট্রে লাইন অব ডিউটিতে মানুষ মেরে ফেলে। আমাদের এখানেও লাইন অব ডিউটিতে মানুষ মরে। কিন্তু এগুলো ন্যায়সংগত হতে হবে।’ তবে এমন ব্যাখ্যায় যুক্তরাষ্ট্র সন্তুষ্ট হয়নি বলেও জানালেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী। এ সম্পর্কিত এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘এখনো হয়তো আমাদের ব্যাখ্যায় (তারা) সন্তুষ্ট হয়নি। ভবিষ্যতে হয়তো হবে।’

ভূরাজনীতি প্রেক্ষাপটে ইউক্রেন ইস্যু নিয়ে এ কে আবদুল মোমেন বলেন, ‘জাতিসংঘ মহাসচিবের রাশিয়া সফরের বিষয়ে খুব আশাবাদী। আমরা চাই যাতে যুদ্ধ বন্ধ হয়। এ ক্ষেত্রে জাতিসংঘের মহাসচিবকে সব ধরনের উৎসাহ দেওয়া হবে বাংলাদেশ থেকে। ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর ঢাকা সফরে ইউক্রেন নিয়ে আলোচনা হতে পারে।’ তিনি বলেন, ‘ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আগামী ২৮ এপ্রিল ঢাকা আসছেন। ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী হয়তো একটা সুখবর নিয়ে আসবেন। তবে কি খবর নিয়ে আসবেন, তা এখনো আমরা জানি না। ভারতের গণমাধ্যমের বরাতে আমরা জেনেছি, তিনি আমাদের প্রধানমন্ত্রীকে ভারত সফরের আমন্ত্রণ জানাতে পারেন।’ তিনি বলেন, এর আগে প্রধানমন্ত্রীকে দাওয়াত দেওয়া হয়েছিল, কিন্তু এবার হয়তো তারিখসহ আমন্ত্রণ দেওয়া হবে।  ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সফরে পররাষ্ট্রমন্ত্রী পর্যায়ের দ্বিপক্ষীয় বৈঠকের তারিখ ঠিক হবে জানিয়ে এ কে আবদুল মোমেন বলেন, ‘ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর একটি সাক্ষাৎ রয়েছে। পররাষ্ট্রমন্ত্রী পর্যায়েরও সাক্ষাৎ রয়েছে। সেখানে অমীমাংসিত ইস্যুগুলো নিয়ে আলোচনা হবে।’ ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী জয়শঙ্করের সফরে সম্ভাব্য আলোচনার বিষয়ে আবদুল মোমেন বলেন, ‘সবকিছু নিয়ে আলোচনা হবে। এর মধ্যে তিস্তা নদীর পানি বণ্টনসহ অন্যান্য বিষয়, সীমান্ত ব্যবস্থাপনা, বাণিজ্য বিষয়ক বিভিন্ন অমীমাংসিত বিষয়ও রয়েছে। আমরা আরও বেশি বাণিজ্য বাড়াতে চাই। মে মাসের শেষ দিকে হয়তো জেসিসি বৈঠকটি হবে। বৈঠকটি করতে ভারতে যাব।’ তিনি বলেন, ‘পররাষ্ট্রমন্ত্রী পর্যায়ের জেসিসি বৈঠকের আগে কিছু বৈঠক শেষ করতে হয়। দুই দেশের বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সচিব পর্যায়ের বৈঠক শেষ হয়েছে। নদী কমিশনের বৈঠক এখনো শেষ হয়নি। ফলে এ ধরনের বৈঠকগুলো শেষ হলে জেসিসি বৈঠক হবে।’ দেশের মহাসড়ক নিয়ে আসন্ন এ বৈঠকে আলোচনায় ঢাকার আগ্রহ আছে বলে জানান পররাষ্ট্রমন্ত্রী। তিনি বলেন, ‘ভারত, মিয়ানমার, থাইল্যান্ডের মধ্যে সড়ক পথে কানেকটিভিটি প্রতিষ্ঠিত করার কাজ চলছে। এই উদ্যোগে সংযুক্ত হতে চায় বাংলাদেশ। আমরা তাদের আবার অনুরোধ করব। ইতিমধ্যে ভারত এ বিষয়ে রাজি হয়ে। থাইল্যান্ডের উপ-প্রধানমন্ত্রী আমাকে জানিয়েছেন, তাদেরও কোনো আপত্তি নেই। এ বিষয়ে আমরা তাদের সঙ্গে আলোচনা অব্যাহত রাখব।’ চীনের ঋণ নিয়ে প্রশ্ন করলে এ কে আবদুল মোমেন বলেন, ‘চীনের প্রেসিডেন্ট যখন বাংলাদেশ এসেছিলেন, তখন আমরা প্রায় ২৪ বিলিয়ন ডলারের চুক্তি করেছি। কিন্তু এখন পর্যন্ত কতটুকু নিয়েছি, সেটি দেখতে হবে। ঋণ নেওয়ার সময়ে আমরা খুবই হিসাব করে নিই। আমাদের বেশির ভাগ ঋণ হচ্ছে আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলো ও জাপান থেকে। চীন থেকে খুবই অল্প ঋণ নেওয়া হয়েছে, যা মোট ঋণের ৫ শতাংশেরও কম। সবাই শুধু চীনের ঋণের কথা বলে। জাপানের ঋণের কথা কেউ বলে না। বাংলাদেশের সঙ্গে শ্রীলঙ্কার কোনো তুলনা হয় না।’