Dhaka , Friday, 18 September 2026
শিরোনাম :
বাগেরহাটে বসতবাড়ির তালা ভেঙে মূল্যবান মালামাল ও দলিলপত্র লুটের অভিযোগ বাগেরহাটে জাতীয়তাবাদী মহিলা দলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আলোচনা সভা বাগেরহাটে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ও আহতদের পরিবারের মাঝে ক্ষতিপূরণের চেক বিতরণ ৪০ কোটি টাকার পানি প্রকল্প অচল, পচা দিঘিতে মাছ শিকারের উৎসব ড্রেন না থাকায় জলাবদ্ধতা, হুমকির মুখে ব্রিজ ঋণের বোঝা, আ.লীগের ‘দায়’ বিএনপির ‘ঘাড়ে’ সমাজবিরোধী অপশক্তির বিরুদ্ধে সর্তক থাকার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর বগুড়ায় প্রতিমন্ত্রীর গাড়ির ধাক্কায় আহত নারীর মৃত্যু বাগেরহাটে শিক্ষার্থীদের মাঝে ক্রীড়া সামগ্রী বিতরণ তানজিন তিশার বিরুদ্ধে মামলার সত্যতা পায়নি পিবিআই, বাদীপক্ষের নারাজি

শিক্ষক প্রশিক্ষণ নিচ্ছে তৃতীয় শ্রেণীর কর্মচারী

  • Md.Liton
  • আপডেট টাইম : 01:52:46 pm, Monday, 25 December 2023
  • 179 বার

বাগেরহাট প্রতিনিধি:বাগেরহাটের চিতলমারীতে মোঃ শাকিল হাসান মুন্না নামে তৃতীয় শ্রেণীর এক কর্মচারী নতুন কারিকুলামের সহকারি শিক্ষক প্রশিক্ষণ নিচ্ছেন। সে বড়বাড়িয়া রহমানিয়া ডিগ্রি মাদ্রাসার অফিস সহকারী কাম কম্পিউটার অপারেটর। শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের (সেসিপ’র) নির্দেশনাকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে ওই কর্মচারী ইতোমধ্যে জীবন ও জীবিকা বিষয়ে পাঁচদিন প্রশিক্ষণ নিয়েছেন। এ ঘটনায় চিতলমারী মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা ও বড়বাড়িয়া রহমানিয়া ডিগ্রি মাদ্রাসার অধ্যক্ষ একজন অন্য জনকে দোষারোপ করছেন।

চিতলমারী মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তার দপ্তর থেকে জানা গেছে, গত ১৯ ডিসেম্বর চিতলমারী হাসিনা বেগম মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়ে সাতদিন ব্যাপী অষ্টম ও নবম শ্রেণীর নতুন কারিকুলামের ১১ টি বিষয়ে সহকারি শিক্ষক প্রশিক্ষণ শুরু হয়। এতে উপজেলার মাধ্যমিক বিদ্যালয় ও মাদ্রসাসহ ৩৯ টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ৪১৫ জন সহকারি শিক্ষক অংশ গ্রহণ করেণ। প্রশিক্ষণ শেষে একজন শিক্ষক ৬ হাজার ৬২২ টাকা পাবেন। এখানে প্রশিক্ষক হিসেবে ৩০ জন প্রশিক্ষিত শিক্ষক প্রশিক্ষণ দিচ্ছেন। আগামী ২৬ ডিসেম্বর এ প্রশিক্ষণ শেষ হবে।

রোববার (২৪ ডিসেম্বর) জানা গেছে তথ্য গোপন করে বড়বাড়িয়া রহমানিয়া ডিগ্রি মাদ্রাসার অফিস সহকারী কাম কম্পিউটার অপারেটর মোঃ শাকিল হাসান মুন্না গত পাঁচদিন ধরে এ প্রশিক্ষণ নিয়েছেন।

এ ব্যপারে বড়বাড়িয়া রহমানিয়া ডিগ্রি মাদ্রাসার অফিস সহকারী কাম কম্পিউটার অপারেটর মোঃ শাকিল হাসান মুন্না বলেন, ‘আমার প্রশিক্ষণের বিষয়ে প্রতিষ্ঠান প্রধান ও উপজেলা শিক্ষা অফিস সব কিছুই জানেন। তারা না জানলে আমি কি সহকারি শিক্ষক প্রশিক্ষণে অংশ নিতে পারতাম?’

বড়বাড়িয়া রহমানিয়া ডিগ্রি মাদ্রাসার অধ্যক্ষ মাওলানা মোঃ মাশুকুর রহমান বলেন, ‘এমনটি হওয়ার কথা নয়। যদি এমনটি হয়ে থাকে তাহলে সে আমার প্রত্যয়ন পত্র জাল করেছে। আর সে যে তৃতীয় শ্রেণীর কর্মচারী এটাতো মাধ্যমিক শিক্ষা অফিস জানেন। তারা তাকে কিভাবে প্রশিক্ষণ দিলেন?’

চিতলমারী মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মোছাঃ কামরুননেছা বলেন, ‘প্রতিষ্ঠান প্রধান কিভাবে প্রত্যয়ন পত্র দিলেন এটা আমরা খতিয়ে দেখব। কারণ তাদের চিঠি দেওয়া হয়েছে যেন তথ্য গোপন বা নির্দেশনার বাইরে কোন শিক্ষক না পাঠায়।’

বাগেরহাট জেলা শিক্ষা কর্মকর্তা এস এম ছায়েদুর রহমান জানান, নতুন কারিকুলামের সহকারি শিক্ষক প্রশিক্ষণে কোন ভাবেই প্রধান শিক্ষক, সহকারি প্রধান শিক্ষক ও তৃতীয় শ্রেণীর কর্মচারী অংশ নিতে পারবেন না। তাদের জন্য সামনে প্রশাসনিক প্রশিক্ষণ হবে। বিষয়টি আমরা খতিয়ে দেখব।

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

জনপ্রিয় সংবাদ

বাগেরহাটে বসতবাড়ির তালা ভেঙে মূল্যবান মালামাল ও দলিলপত্র লুটের অভিযোগ

শিক্ষক প্রশিক্ষণ নিচ্ছে তৃতীয় শ্রেণীর কর্মচারী

আপডেট টাইম : 01:52:46 pm, Monday, 25 December 2023

বাগেরহাট প্রতিনিধি:বাগেরহাটের চিতলমারীতে মোঃ শাকিল হাসান মুন্না নামে তৃতীয় শ্রেণীর এক কর্মচারী নতুন কারিকুলামের সহকারি শিক্ষক প্রশিক্ষণ নিচ্ছেন। সে বড়বাড়িয়া রহমানিয়া ডিগ্রি মাদ্রাসার অফিস সহকারী কাম কম্পিউটার অপারেটর। শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের (সেসিপ’র) নির্দেশনাকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে ওই কর্মচারী ইতোমধ্যে জীবন ও জীবিকা বিষয়ে পাঁচদিন প্রশিক্ষণ নিয়েছেন। এ ঘটনায় চিতলমারী মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা ও বড়বাড়িয়া রহমানিয়া ডিগ্রি মাদ্রাসার অধ্যক্ষ একজন অন্য জনকে দোষারোপ করছেন।

চিতলমারী মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তার দপ্তর থেকে জানা গেছে, গত ১৯ ডিসেম্বর চিতলমারী হাসিনা বেগম মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়ে সাতদিন ব্যাপী অষ্টম ও নবম শ্রেণীর নতুন কারিকুলামের ১১ টি বিষয়ে সহকারি শিক্ষক প্রশিক্ষণ শুরু হয়। এতে উপজেলার মাধ্যমিক বিদ্যালয় ও মাদ্রসাসহ ৩৯ টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ৪১৫ জন সহকারি শিক্ষক অংশ গ্রহণ করেণ। প্রশিক্ষণ শেষে একজন শিক্ষক ৬ হাজার ৬২২ টাকা পাবেন। এখানে প্রশিক্ষক হিসেবে ৩০ জন প্রশিক্ষিত শিক্ষক প্রশিক্ষণ দিচ্ছেন। আগামী ২৬ ডিসেম্বর এ প্রশিক্ষণ শেষ হবে।

রোববার (২৪ ডিসেম্বর) জানা গেছে তথ্য গোপন করে বড়বাড়িয়া রহমানিয়া ডিগ্রি মাদ্রাসার অফিস সহকারী কাম কম্পিউটার অপারেটর মোঃ শাকিল হাসান মুন্না গত পাঁচদিন ধরে এ প্রশিক্ষণ নিয়েছেন।

এ ব্যপারে বড়বাড়িয়া রহমানিয়া ডিগ্রি মাদ্রাসার অফিস সহকারী কাম কম্পিউটার অপারেটর মোঃ শাকিল হাসান মুন্না বলেন, ‘আমার প্রশিক্ষণের বিষয়ে প্রতিষ্ঠান প্রধান ও উপজেলা শিক্ষা অফিস সব কিছুই জানেন। তারা না জানলে আমি কি সহকারি শিক্ষক প্রশিক্ষণে অংশ নিতে পারতাম?’

বড়বাড়িয়া রহমানিয়া ডিগ্রি মাদ্রাসার অধ্যক্ষ মাওলানা মোঃ মাশুকুর রহমান বলেন, ‘এমনটি হওয়ার কথা নয়। যদি এমনটি হয়ে থাকে তাহলে সে আমার প্রত্যয়ন পত্র জাল করেছে। আর সে যে তৃতীয় শ্রেণীর কর্মচারী এটাতো মাধ্যমিক শিক্ষা অফিস জানেন। তারা তাকে কিভাবে প্রশিক্ষণ দিলেন?’

চিতলমারী মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মোছাঃ কামরুননেছা বলেন, ‘প্রতিষ্ঠান প্রধান কিভাবে প্রত্যয়ন পত্র দিলেন এটা আমরা খতিয়ে দেখব। কারণ তাদের চিঠি দেওয়া হয়েছে যেন তথ্য গোপন বা নির্দেশনার বাইরে কোন শিক্ষক না পাঠায়।’

বাগেরহাট জেলা শিক্ষা কর্মকর্তা এস এম ছায়েদুর রহমান জানান, নতুন কারিকুলামের সহকারি শিক্ষক প্রশিক্ষণে কোন ভাবেই প্রধান শিক্ষক, সহকারি প্রধান শিক্ষক ও তৃতীয় শ্রেণীর কর্মচারী অংশ নিতে পারবেন না। তাদের জন্য সামনে প্রশাসনিক প্রশিক্ষণ হবে। বিষয়টি আমরা খতিয়ে দেখব।