আন্তর্জাতিক ডেস্ক: শ্রীলঙ্কায় চলমান অস্থিরতার মধ্যেই নতুন অর্থমন্ত্রী নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে সেন্ট্রাল ব্যাংক অব শ্রীলঙ্কা (সিবিএসএল) বা কেন্দ্রীয় ব্যাংকের গভর্নর পদেও এসেছে নতুন মুখ।
অন্যদিকে শ্রীলঙ্কার কেন্দ্রীয় ব্যাংকের গভর্নর হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন সিবিএসএলের সাবেক কর্মকর্তা পি. নন্দলাল বীরাসিংহে। তিনি নিজেই বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, আমি কেন্দ্রীয় ব্যাংকের পরবর্তী গভর্নর হওয়ার জন্য রাজাপাকসের কাছ থেকে পাওয়া একটি প্রস্তাব গ্রহণ করেছি। তবে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের পক্ষ থেকে এই নিয়োগের বিষয়টি এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে জানানো হয়নি।
এদিকে জরুরি অবস্থার মধ্যেও শ্রীলঙ্কায় সরকারবিরোধী বিক্ষোভ অব্যাহত রয়েছে। আর বিক্ষোভ দমনে কঠোর অবস্থান নিয়েছে নিরাপত্তাবাহিনী। রাজধানী কলম্বোসহ বিভিন্ন শহর থেকে কয়েকশ’ বিক্ষোভকারীকে আটকও করেছে পুলিশ। স্বাধীনতার পর সবচেয়ে বড় আর্থিক সংকটে পড়া শ্রীলঙ্কায় চলছে চরম হাহাকার, অসহায় অবস্থায় দিন কাটাচ্ছেন অনেকে। দেশটির রিজার্ভে অর্থ নেই বললেই চলে। ডলার সংকটের কারণে পণ্য আমদানিও প্রায় বন্ধ। অন্যদিকে তেলের অভাবে দেশজুড়ে নেমে এসেছে অন্ধকার।
সংকট মোকাবিলায় সরকারের ব্যর্থতার প্রতিবাদে শুরু হওয়া বিক্ষোভ দমনে প্রথমে জরুরি অবস্থা, পরে কারফিউ জারি করেন শ্রীলঙ্কার প্রেসিডেন্ট গোতাবায়া রাজাপাকসে। বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে ফেসবুক, টুইটারও। এর মধ্যেই একযোগে পদত্যাগ করেছেন দেশটির ২৬ মন্ত্রী। পদত্যাগ করেন কেন্দ্রীয় ব্যাংকের গভর্নরও। এর পরিপ্রেক্ষিতেই নতুন অর্থমন্ত্রী ও গভর্নর নিয়োগ দিয়েছেন রাজাপাকসে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে ঐক্যের সরকারেরও ডাক দিয়েছিলেন প্রেসিডেন্ট গোতাবায়া রাজাপাকসে। সোমবার (৪ এপ্রিল) প্রেসিডেন্টের কার্যালয় থেকে দেওয়া এক বিবৃতিতে বলা হয়, প্রেসিডেন্ট গোতাবায়া রাজাপাকসে পার্লামেন্টে থাকা সব রাজনৈতিক দলকে মন্ত্রিসভায় পদ গ্রহণ এবং জাতীয় সংকট সমাধানের প্রচেষ্টায় নিজেদের সম্পৃক্ত করার জন্য আমন্ত্রণ জানিয়েছেন। তবে প্রেসিডেন্টের এ উদ্যোগকে ‘অযৌক্তিক’ অভিহিত করে তার আহ্বান প্রত্যাখ্যান করেছেন বিরোধী নেতারা।
Md.Liton 











