হাসপাতালের নার্সিং সুপারভাইজার রেবা রাণী দেবনাথ জানান, হাসপাতালে শয্যার চেয়ে রোগী বেশি। ডায়রিয়া ও নিউমোনিয়ার রোগী ছাড়াও ৫০ শয্যার এই হাসপাতালে সাধারণ রোগী ভর্তি আছে ৬৭ জন। অনেকে শয্যা না পেয়ে বারান্দায় বিছানা করে সেখানে চিকিৎসা নিচ্ছেন।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, গ্রামাঞ্চলে পল্লী চিকিৎসকদের কাছে প্রতিদিন অসংখ্য ডায়রিয়া ও নিউমোনিয়া রোগী চিকিৎসা নিচ্ছে। খোন্তাকাটা বাজারের চিকিৎসক নাজমুল ইসলাম, চালিতাবুনিয়া সিএসবি বাজারের সুজন মজুমদার, পহলান বাড়ি বাজারের হুমায়ুন আহমেদ জানান, সাধারণ রোগীর চেয়ে বর্তমানে ডায়রিয়া ও নিউমোনিয়া রোগী বেশি আসছে তাদের কাছে। অনেকেই তাদের চিকিৎসায় সুস্থ হচ্ছে। আর যাদের অবস্থা বেশি খারাপ তাদেরকে হাসপাতালে যাওয়ার পরামর্শ দিচ্ছেন।
হাসপাতালের আবাসিক স্বাস্থ্য কর্মকর্তা (আরএমও) ডা. এসএম ফয়সাল আহমেদ বলেন, পরিস্থিতি দিন দিন খারাপ হচ্ছে। ডায়রিয়া ও নিউমোনিয়া পাল্লা দিয়ে বাড়ছে। ডায়রিয়া আক্রান্তদের মধ্যে নারী ও শিশু বেশি। এছাড়া, আবহাওয়া পরিবর্তন এবং গ্রামে মায়েদের অসচেতনতায় নিউমোনিয়ায় আক্রান্ত হচ্ছে শিশুরা। শিশুদের শরীরে ঘাম বসে তাদের শ্বাসকষ্ট বাড়ছে। হাসপাতালে আসার পর আমরা মায়েদের এসব বিষয়ে আরো সচেতন হওয়ার পরামর্শ দিই।
Md.Liton 











