Dhaka , Friday, 18 September 2026
শিরোনাম :
বাগেরহাটে বসতবাড়ির তালা ভেঙে মূল্যবান মালামাল ও দলিলপত্র লুটের অভিযোগ বাগেরহাটে জাতীয়তাবাদী মহিলা দলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আলোচনা সভা বাগেরহাটে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ও আহতদের পরিবারের মাঝে ক্ষতিপূরণের চেক বিতরণ ৪০ কোটি টাকার পানি প্রকল্প অচল, পচা দিঘিতে মাছ শিকারের উৎসব ড্রেন না থাকায় জলাবদ্ধতা, হুমকির মুখে ব্রিজ ঋণের বোঝা, আ.লীগের ‘দায়’ বিএনপির ‘ঘাড়ে’ সমাজবিরোধী অপশক্তির বিরুদ্ধে সর্তক থাকার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর বগুড়ায় প্রতিমন্ত্রীর গাড়ির ধাক্কায় আহত নারীর মৃত্যু বাগেরহাটে শিক্ষার্থীদের মাঝে ক্রীড়া সামগ্রী বিতরণ তানজিন তিশার বিরুদ্ধে মামলার সত্যতা পায়নি পিবিআই, বাদীপক্ষের নারাজি

সুন্দরবনে আবিষ্কৃত হল শূকরের বাসা

  • Md.Liton
  • আপডেট টাইম : 06:05:38 pm, Thursday, 22 September 2022
  • 93 বার

তৌহিদুস সালাম:
সুন্দরবনের মত ম্যানগ্রোভ অরন্যের বিরূপ পরিবেশে কীভাবে প্রাণীরা টিকে আছে সেটা একটা রহস্য। বেশ কিছু কাল যাবত সুন্দরবনের ভূমিতে ঘুরে বেরিয়ে এযাবত কালে আমার মনে একটাই প্রশ্ন উদয় হয়েছে। কিভাবে এমন পরিবেশে ওরা টিকে আছে বছরের পর বছর ধরে। ঝড়, জলচ্ছ্বাস, বৃষ্টি বা শীতের মধ্যে ওরা কি করে ? জোয়ারের জলে যখন বনের ভেতর হাঁটু সমান পানি তখন ওরা কোথাই থাকে, কি করে। নিরন্তর খুঁচিয়ে চলা এই প্রশ্নের উত্তর খুঁজতেই পায়ে হেঁটে সুন্দরবন ভ্রমণের চিন্তা আমার মাথায় আসে।

শুক্রবারে নাকি বনে ঢুকতে নেই। সুন্দরবনের বনজীবিরা মেনে চলেন এ কথাটা। যদিও আমাদের এবারের অভিযানটিও ছিল শুক্রবারে। সকাল সকাল ঘুম থেকে উঠে রেডি হতে হতে চলে আসলো রাফসান ও শুকুর আলি কাকা। এবারের লক্ষ্য পায়ে হেঁটে সুন্দরবন ভ্রমণ। উদ্দেশ্য সুন্দরবনে প্রাণীদের আবাসস্থল খোঁজ করা। ঝড়, বৃষ্টি বা জোয়ারের জলে প্লাবিত এই ম্যানগ্রোভ বনে কীভাবে ওরা টিকে আছে সেটাই দেখা। সকাল দশটা নাগাদ আমি, তাজু, রাফসান ও অভিজ্ঞ শুকুর আলি শেখ রওনা হলাম সুন্দরবনের উদ্দেশ্যে। নেতৃত্বে শুকুর আলি শেখ যাকে আমি, নিরক্ষর মানুষ হওয়া সত্ত্বেও সুন্দরবন বিশেষজ্ঞ বলতে কুন্ঠা বোধ করি না। সুন্দরবন ও এর বন্য প্রাণীদের সম্পর্কে তার অগাধ জ্ঞান আমাকে মুগ্ধ করে প্রতিনিয়ত। সকাল থেকেই আকাশটা পরিষ্কার। গত তিন দিন যাবত নিম্ন চাপের প্রভাবে বৃষ্টি ঝরেছে অবিরাম। এর সাথে ভরা বর্ষার জলে প্লাবিত হচ্ছে সুন্দরবন দিনে দুইবার। সবমিলে স্যাত স্যাতে একটা পরিবেশ। জঙ্গলে প্রবেশ করার পর শুকুর আলি কাকা আমাদের কে সাবধান করে দিলেন, কোনও রকম কথা বার্তা বা শব্দ করা যাবে না। আমাদের সকলেরই খালি পা। বনতলে হাঁটার জন্য বিশেষ ধরনের জুতা পাওয়া যায়। তবে সেটা আমরা এবারে সংগ্রহ করতে পারিনি। প্রথম দিকে বেশ ফাঁকা দেখালেও কিছুক্ষণের মধ্যেই পথ সরু হতে লাগল। দুপাশেই কেওয়া কাটা, হরগোজা ও বিভিন্ন ফার্ণ জাতীয় ঝোপ ঝাঁড়। হাত ও পায়ের খোলা জায়গা, বিশেষ করে হাতে কাটার আঘাত সইতে হচ্ছে। আরও খানিকটা পথ চলার পর পায়ের নিচে কাদার পরিমাণ বাড়তে থাকলো। হাঁটু পর্যন্ত দেবে যাচ্ছিল আমাদের পা। অনভস্থ্য শহুরে শরীর মেনে নেবে কেন এই অত্যাচার। বারবার ভারসাম্য হারিয়ে চেপে ধরতে লাগলাম দুপাশের ঝোপ ঝাঁড়। আর তাতেই কাটাই ক্ষতবিক্ষত হতে থাকল হাত। কিছুক্ষণ আগেও আমরা দুপাশের ঝোপ ঝাঁড়ের উপর দিয়ে বেশ খানিক টা অঞ্চল দেখতে পারছিলাম। কিন্তু যতই বনের গভীরে প্রবেশ করতে থাকলাম ততই ঝোপ ঝাঁড়ের উচ্চতা আমাদের মাথার উপর দিয়ে চলতে থাকল।

এরপর শুরু হলো হুদোবন বা টাইগার ফার্ণের জঙ্গল। এতোদিন টাইগার ফার্ণ বলতে ছোট ছোট ফাঁকা ফাঁকা ঝোপ দেখেছি। কিন্তু এখানে কি দেখছি! বিশাল অঞ্চল জুড়ে টাইগার ফার্ণের জঙ্গল। আর তার কি বাড়বাড়ন্ত। না দেখলে বোঝানো সম্ভব না। কোথাও কোথাও তো দুই মানুষ সমান উঁচু। এক দুই ফুটের পর কিছুই দেখা যাচ্ছে না। দুপাশের ঘন জঙ্গল মনে করিয়ে দিচ্ছে, আমাজনের কোনও গহীন অরন্যের কথা বা তার থেকেও আরও বেশিই ভয়ংকর। এর মধ্যেই হঠাত সামনে থেকে শুকুর আলি কাকা উধাও। বনের পরিবেশে উনার সাবলীল গতির সাথে তাল মিলিয়ে চলতে আমাদের যথেষ্ট বেগ পেতে হচ্ছে। তিনজনে দাঁড়িয়ে একে অন্যের মুখ চাওয়া চায়ি করছি। জোরে ডাক দিতে সাহসে কুলাচ্ছে না। ইতিমধ্যে টাইগার ফার্ণের জঙ্গলের ভিতর আমরা ডুবে আছি। চারিপাশে শুধুই টাইগার ফার্ণ আর টাইগার ফার্ণ। চারিদিকে ভয়ংকর নির্জন। বনের একটা নিজস্ব শব্দ আছে। শন শন কেমন যেন। অনভস্থ্য মনে এ শব্দই অশরীরীর দোলা দিয়ে যায়। তবে তার থেকেও বড় ভয় বাঘের। এই বিস্তীর্ণ টাইগার ফার্ণের জঙ্গলের ভেতর কোথাই ওত পেতে আছে তার ঠিক নেই। এমন যখন অবস্থা, দূর থেকে কানে ভেসে আসে শুকুর আলি কাকার বলিষ্ঠ কন্ঠস্বর। শব্দ লক্ষ্য করে ছুটি। কাছাকাছি যেতেই শুকুর আলির উত্তেজিত ডাক। “আসেন আসেন দেখে যান কি পেয়েছি”। ওখানে পৌছেই দেখতে পাই, এই ঘন ফার্ণের জঙ্গলের মধ্যে এক টুকরো ফাঁকা জায়গা। তার মধ্যে একটা বড় বাইন গাছের গোরায় খড়ের পালার মতোন গোলাকৃতির শুকনো ঘাসের স্তুপ। দেখে অনেকটাই ঘরের মতোন লাগে। শুকুর আলি শেখ আমাদের জানালেন, এটা শূকরের বাসা।

শূকর মা ঠান্ডা, বৃষ্টি ও বাঘের হাত থেকে তার বাচ্চাদের রক্ষা করতে টাইগার ফার্ণের জঙ্গলের ভেতর এই ধরনের বাসা তৈরি করে। আশেপাশের হুদো বন ছিঁড়ে ছিঁড়ে এনে তৈরি করে এধরণের এক একটা বাসা। এমন ভাবে তৈরি এ বাসায় কোনও ভাবেই বৃষ্টির জল প্রবেশ করতে পারবে না। সাথে সাথে বাঘ কেও বোকা বানাতে পারে। এর পাশ দিয়ে বাঘ চলে গেলেও কোনও ভাবেই বুঝতে পারবে না এর ভিতর তার শিকার আছে।

অভিজ্ঞ বনে চলা মানুষ ছাড়া কোনও ভাবেই এই ধরনের বাসা খুঁজে পাওয়া সম্ভব নয়। শুকুর আলি শেখের মতোন সুন্দরবন প্রেমি, বনচারী মানুষ না থাকলে আমাদের পক্ষে সম্ভব হত না বনের এতটা ভেতরে এসে শূকরের বাসা খোঁজা। শুকুর আলি কাকা ছাড়াও রাফসান, তাজু, সকলকেই ধন্যবাদ জানাই এমন সাহসী কর্মকান্ডে আমার সঙ্গে থাকার জন্য।

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

জনপ্রিয় সংবাদ

বাগেরহাটে বসতবাড়ির তালা ভেঙে মূল্যবান মালামাল ও দলিলপত্র লুটের অভিযোগ

সুন্দরবনে আবিষ্কৃত হল শূকরের বাসা

আপডেট টাইম : 06:05:38 pm, Thursday, 22 September 2022

তৌহিদুস সালাম:
সুন্দরবনের মত ম্যানগ্রোভ অরন্যের বিরূপ পরিবেশে কীভাবে প্রাণীরা টিকে আছে সেটা একটা রহস্য। বেশ কিছু কাল যাবত সুন্দরবনের ভূমিতে ঘুরে বেরিয়ে এযাবত কালে আমার মনে একটাই প্রশ্ন উদয় হয়েছে। কিভাবে এমন পরিবেশে ওরা টিকে আছে বছরের পর বছর ধরে। ঝড়, জলচ্ছ্বাস, বৃষ্টি বা শীতের মধ্যে ওরা কি করে ? জোয়ারের জলে যখন বনের ভেতর হাঁটু সমান পানি তখন ওরা কোথাই থাকে, কি করে। নিরন্তর খুঁচিয়ে চলা এই প্রশ্নের উত্তর খুঁজতেই পায়ে হেঁটে সুন্দরবন ভ্রমণের চিন্তা আমার মাথায় আসে।

শুক্রবারে নাকি বনে ঢুকতে নেই। সুন্দরবনের বনজীবিরা মেনে চলেন এ কথাটা। যদিও আমাদের এবারের অভিযানটিও ছিল শুক্রবারে। সকাল সকাল ঘুম থেকে উঠে রেডি হতে হতে চলে আসলো রাফসান ও শুকুর আলি কাকা। এবারের লক্ষ্য পায়ে হেঁটে সুন্দরবন ভ্রমণ। উদ্দেশ্য সুন্দরবনে প্রাণীদের আবাসস্থল খোঁজ করা। ঝড়, বৃষ্টি বা জোয়ারের জলে প্লাবিত এই ম্যানগ্রোভ বনে কীভাবে ওরা টিকে আছে সেটাই দেখা। সকাল দশটা নাগাদ আমি, তাজু, রাফসান ও অভিজ্ঞ শুকুর আলি শেখ রওনা হলাম সুন্দরবনের উদ্দেশ্যে। নেতৃত্বে শুকুর আলি শেখ যাকে আমি, নিরক্ষর মানুষ হওয়া সত্ত্বেও সুন্দরবন বিশেষজ্ঞ বলতে কুন্ঠা বোধ করি না। সুন্দরবন ও এর বন্য প্রাণীদের সম্পর্কে তার অগাধ জ্ঞান আমাকে মুগ্ধ করে প্রতিনিয়ত। সকাল থেকেই আকাশটা পরিষ্কার। গত তিন দিন যাবত নিম্ন চাপের প্রভাবে বৃষ্টি ঝরেছে অবিরাম। এর সাথে ভরা বর্ষার জলে প্লাবিত হচ্ছে সুন্দরবন দিনে দুইবার। সবমিলে স্যাত স্যাতে একটা পরিবেশ। জঙ্গলে প্রবেশ করার পর শুকুর আলি কাকা আমাদের কে সাবধান করে দিলেন, কোনও রকম কথা বার্তা বা শব্দ করা যাবে না। আমাদের সকলেরই খালি পা। বনতলে হাঁটার জন্য বিশেষ ধরনের জুতা পাওয়া যায়। তবে সেটা আমরা এবারে সংগ্রহ করতে পারিনি। প্রথম দিকে বেশ ফাঁকা দেখালেও কিছুক্ষণের মধ্যেই পথ সরু হতে লাগল। দুপাশেই কেওয়া কাটা, হরগোজা ও বিভিন্ন ফার্ণ জাতীয় ঝোপ ঝাঁড়। হাত ও পায়ের খোলা জায়গা, বিশেষ করে হাতে কাটার আঘাত সইতে হচ্ছে। আরও খানিকটা পথ চলার পর পায়ের নিচে কাদার পরিমাণ বাড়তে থাকলো। হাঁটু পর্যন্ত দেবে যাচ্ছিল আমাদের পা। অনভস্থ্য শহুরে শরীর মেনে নেবে কেন এই অত্যাচার। বারবার ভারসাম্য হারিয়ে চেপে ধরতে লাগলাম দুপাশের ঝোপ ঝাঁড়। আর তাতেই কাটাই ক্ষতবিক্ষত হতে থাকল হাত। কিছুক্ষণ আগেও আমরা দুপাশের ঝোপ ঝাঁড়ের উপর দিয়ে বেশ খানিক টা অঞ্চল দেখতে পারছিলাম। কিন্তু যতই বনের গভীরে প্রবেশ করতে থাকলাম ততই ঝোপ ঝাঁড়ের উচ্চতা আমাদের মাথার উপর দিয়ে চলতে থাকল।

এরপর শুরু হলো হুদোবন বা টাইগার ফার্ণের জঙ্গল। এতোদিন টাইগার ফার্ণ বলতে ছোট ছোট ফাঁকা ফাঁকা ঝোপ দেখেছি। কিন্তু এখানে কি দেখছি! বিশাল অঞ্চল জুড়ে টাইগার ফার্ণের জঙ্গল। আর তার কি বাড়বাড়ন্ত। না দেখলে বোঝানো সম্ভব না। কোথাও কোথাও তো দুই মানুষ সমান উঁচু। এক দুই ফুটের পর কিছুই দেখা যাচ্ছে না। দুপাশের ঘন জঙ্গল মনে করিয়ে দিচ্ছে, আমাজনের কোনও গহীন অরন্যের কথা বা তার থেকেও আরও বেশিই ভয়ংকর। এর মধ্যেই হঠাত সামনে থেকে শুকুর আলি কাকা উধাও। বনের পরিবেশে উনার সাবলীল গতির সাথে তাল মিলিয়ে চলতে আমাদের যথেষ্ট বেগ পেতে হচ্ছে। তিনজনে দাঁড়িয়ে একে অন্যের মুখ চাওয়া চায়ি করছি। জোরে ডাক দিতে সাহসে কুলাচ্ছে না। ইতিমধ্যে টাইগার ফার্ণের জঙ্গলের ভিতর আমরা ডুবে আছি। চারিপাশে শুধুই টাইগার ফার্ণ আর টাইগার ফার্ণ। চারিদিকে ভয়ংকর নির্জন। বনের একটা নিজস্ব শব্দ আছে। শন শন কেমন যেন। অনভস্থ্য মনে এ শব্দই অশরীরীর দোলা দিয়ে যায়। তবে তার থেকেও বড় ভয় বাঘের। এই বিস্তীর্ণ টাইগার ফার্ণের জঙ্গলের ভেতর কোথাই ওত পেতে আছে তার ঠিক নেই। এমন যখন অবস্থা, দূর থেকে কানে ভেসে আসে শুকুর আলি কাকার বলিষ্ঠ কন্ঠস্বর। শব্দ লক্ষ্য করে ছুটি। কাছাকাছি যেতেই শুকুর আলির উত্তেজিত ডাক। “আসেন আসেন দেখে যান কি পেয়েছি”। ওখানে পৌছেই দেখতে পাই, এই ঘন ফার্ণের জঙ্গলের মধ্যে এক টুকরো ফাঁকা জায়গা। তার মধ্যে একটা বড় বাইন গাছের গোরায় খড়ের পালার মতোন গোলাকৃতির শুকনো ঘাসের স্তুপ। দেখে অনেকটাই ঘরের মতোন লাগে। শুকুর আলি শেখ আমাদের জানালেন, এটা শূকরের বাসা।

শূকর মা ঠান্ডা, বৃষ্টি ও বাঘের হাত থেকে তার বাচ্চাদের রক্ষা করতে টাইগার ফার্ণের জঙ্গলের ভেতর এই ধরনের বাসা তৈরি করে। আশেপাশের হুদো বন ছিঁড়ে ছিঁড়ে এনে তৈরি করে এধরণের এক একটা বাসা। এমন ভাবে তৈরি এ বাসায় কোনও ভাবেই বৃষ্টির জল প্রবেশ করতে পারবে না। সাথে সাথে বাঘ কেও বোকা বানাতে পারে। এর পাশ দিয়ে বাঘ চলে গেলেও কোনও ভাবেই বুঝতে পারবে না এর ভিতর তার শিকার আছে।

অভিজ্ঞ বনে চলা মানুষ ছাড়া কোনও ভাবেই এই ধরনের বাসা খুঁজে পাওয়া সম্ভব নয়। শুকুর আলি শেখের মতোন সুন্দরবন প্রেমি, বনচারী মানুষ না থাকলে আমাদের পক্ষে সম্ভব হত না বনের এতটা ভেতরে এসে শূকরের বাসা খোঁজা। শুকুর আলি কাকা ছাড়াও রাফসান, তাজু, সকলকেই ধন্যবাদ জানাই এমন সাহসী কর্মকান্ডে আমার সঙ্গে থাকার জন্য।