Dhaka , Monday, 2 November 2026
শিরোনাম :
বাগেরহাটে জমি দখল ও হামলার প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন বাগেরহাটে ইউনিয়ন বিএনপির মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত বাগেরহাটে গ্রীন হার্ট স্কুলের বৃত্তিপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা, নজরুল বর্ষ ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত বাগেরহাট পৌর যুবদলের আয়োজনে যুবদলের ৪৮ তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আনন্দ শোভাযাত্রা বাগেরহাটে ১১ দলীয় ঐক্যের গণমিছিল ৩১ অক্টোবর, অংশগ্রহণের আহ্বান বাগেরহাট জেলা কারাগারে সাজাপ্রাপ্ত বন্দিদের জন্য ‘বৈদ্যুতিক ওয়ারিং ও রিপেয়ারিং’ প্রশিক্ষণ কোর্সের শুভ উদ্বোধন বাগেরহাটে মোটর সাইকেলের গতি রোধ করে বাংলালিংক ডিস্ট্রিবিউটরকে ছুরিকাঘাত ও ছিনতাই বাগেরহাটে স্কুল থেকে ফিরে এসএসসি পরীক্ষার্থীর আত্মহত্যা ‘না বুঝে ভুল করেছি’ ক্ষমা চেয়ে শ্যালিকাকে ‘তালাকে’র ঘোষণা মাসুদের রাশিয়াকে বিচ্ছিন্ন করার পশ্চিমা চেষ্টা শোচনীয়ভাবে ব্যর্থ: মারিয়া জাখারোভা

১ সপ্তাহ ধরে বন্ধ পেঁয়াজ আমদানি

  • Md.Liton
  • আপডেট টাইম : 03:14:21 pm, Tuesday, 5 April 2022
  • 144 বার

স্টাফ রিপোটার: লোকসানের আশঙ্কায় গত এক সপ্তাহ ধরে পেঁয়াজ আমদানি বন্ধ রেখেছে হিলি স্থলবন্দরের আমদানিকারক ব্যবসায়ীরা। দিকে বন্দরের আড়তগুলোতে বিক্রির অপেক্ষায় আছে হাজার টনের বেশি পেঁয়াজ।  অতিরিক্ত গরমে পেঁয়াজ নষ্ট হতে বসেছে আড়তগুলোতে।মঙ্গলবার (৫ এপ্রিল) সকালে হিলি বন্দরে আড়তগুলোতে গিয়ে দেখা যায়  প্রতিটা ব্যবসায়ীর ঘরে পেঁয়াজ আছে, তবে ক্রেতা অনেকটাই কম। যারা পেঁয়াজ কিনছেন তারা অল্প করে কিনছেন। কেউ ১০ বস্তা, কেউবা ২০ বস্তা। কারণ চাহিদা কম। বাজারে প্রবেশ করতে চোখে পড়ল এক আড়তে ফ্যান দিয়ে পেঁয়াজ শুকানো হচ্ছে । আবার অন্য ঘরে অনেক পেঁয়াজের বস্তা, সেগুলোর অবস্থা অনেকটাই খারাপ । কোনো কোনো বস্তা দিয়ে পানি ঝরছে।
কথা হয় আড়তদাররের সঙ্গে। জানতে চাইলে বলেন, পেঁয়াজগুলো মূলত আমদানি হয়েছে গত মাসের ২৯ তারিখের আগে। তখন থেকে পেঁয়াজের ক্রেতা অনেকটাই কম। একই অবস্থা দেখা যায় অন্যান্য আড়তে। হিলি সিনেমা হলের সামনে দেখা যায় আড়তগুলোতে বস্তাবন্দি পেঁয়াজ। কিন্তু বেচাকেনা কম। আড়তের ভেতরে শ্রমিকরা পেঁয়াজের বস্তা খুলে পচা পেঁয়াজ আলাদা করছে।

জানতে চাইলে আমদানিকারক ব্যবসায়ীরা বলেন, ‘ভেবেছিলাম ২৯ মার্চ পর্যন্ত আইপির মেয়াদ আছে। হয়তো সরকার নতুন করে অনুমোদন দেবে না । যেহেতু রমজান মাসে পেঁয়াজের চাহিদা থাকে। এ জন্য বেশি করে পেঁয়াজ আমদানি করেছি।’
আরেক ব্যবসায়ী বলেন, মার্চের শুরুতে পেঁয়াজের চাহিদা থাকায় দামটাও ভালো ছিল। কিন্তু আমদানি বেশি হওয়ায় কারণে দাম অনেক কমে গেছে। প্রতি কেজি পেঁয়াজের দাম কেজিতে ১৫ টাকা পর্যন্ত কমেছে। তখন থেকে পেঁয়াজের দাম নিম্নমুখী।
পেঁয়াজ আমদানির বিষয়ে হিলি স্থলবন্দরের আমদানিকারক গ্রুপের সভাপতি হারুন-উর রশিদ বলেন, ‘প্রতিবছর মার্চের শুরুতে  দেশীয় পেঁয়াজের সরবরাহ কমে যায়। তখন পেঁয়াজের দাম বৃদ্ধি পায়। এ সময় আমরা হিলি স্থলবন্দরের ব্যবসায়ীরা প্রতি বছর ভারতসহ অন্যান্য দেশ থেকে পেঁয়াজ আমদানি করে থাকি । এবারও পেঁয়াজের আমদানি স্বাভাবিক ছিল। তবে আইপির মেয়াদ ২৯ মার্চ পর্যন্ত থাকায় পেঁয়াজের আমদানি বৃদ্ধি পায়।’
যেখানে প্রতিদিন ২০ ট্রাক পেঁয়াজের চাহিদা, সেখানে আমদানি হয়েছে গড়ে ৪০-৫০ ট্রাক। চাহিদার তুলনায় আমদানি বেশি হওয়ায় পেঁয়াজের দাম কমার পাশাপাশি বেচাবিক্রিও কমেছে। বন্দরের আড়তগুলোতে অনেক পেঁয়াজ বিক্রির অপেক্ষায় পড়ে আছে । ইতোমধ্যে অনেক পেঁয়াজ পচে গেছে।
হারুন-উর রশিদ বলেন, সবচেয়ে বড় সমস্যা হচ্ছে পেঁয়াজসহ কাঁচাপণ্য আমদানির পরে কয়েকদিন রাখার মতো পরিবেশ নেই। ব্যাবসায়ীদের গুদামগুলো এতটাই সংকীর্ণ যে ঘরে আলো বাতাসের স্বল্পতায় পণ্য নষ্ট হয়ে যায়।
হিলি কাষ্টমসের রাজস্ব কর্মকর্তা এসএম নুরুল আলম খান বলেন, ২৯ মার্চ পর্যন্ত হিলি স্থলবন্দরে ভারত থেকে পেঁয়াজ আমদানি হয়েছে। তারপর থেকে আর পেঁয়াজ আমদানি হয়নি। গত এক মাসে হিলি স্থলবন্দর দিয়ে পেঁয়াজ আমদানি হয়েছে ২২ হাজার ৭১৫ মেট্রিক টন। 

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

জনপ্রিয় সংবাদ

বাগেরহাটে জমি দখল ও হামলার প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন

১ সপ্তাহ ধরে বন্ধ পেঁয়াজ আমদানি

আপডেট টাইম : 03:14:21 pm, Tuesday, 5 April 2022

স্টাফ রিপোটার: লোকসানের আশঙ্কায় গত এক সপ্তাহ ধরে পেঁয়াজ আমদানি বন্ধ রেখেছে হিলি স্থলবন্দরের আমদানিকারক ব্যবসায়ীরা। দিকে বন্দরের আড়তগুলোতে বিক্রির অপেক্ষায় আছে হাজার টনের বেশি পেঁয়াজ।  অতিরিক্ত গরমে পেঁয়াজ নষ্ট হতে বসেছে আড়তগুলোতে।মঙ্গলবার (৫ এপ্রিল) সকালে হিলি বন্দরে আড়তগুলোতে গিয়ে দেখা যায়  প্রতিটা ব্যবসায়ীর ঘরে পেঁয়াজ আছে, তবে ক্রেতা অনেকটাই কম। যারা পেঁয়াজ কিনছেন তারা অল্প করে কিনছেন। কেউ ১০ বস্তা, কেউবা ২০ বস্তা। কারণ চাহিদা কম। বাজারে প্রবেশ করতে চোখে পড়ল এক আড়তে ফ্যান দিয়ে পেঁয়াজ শুকানো হচ্ছে । আবার অন্য ঘরে অনেক পেঁয়াজের বস্তা, সেগুলোর অবস্থা অনেকটাই খারাপ । কোনো কোনো বস্তা দিয়ে পানি ঝরছে।
কথা হয় আড়তদাররের সঙ্গে। জানতে চাইলে বলেন, পেঁয়াজগুলো মূলত আমদানি হয়েছে গত মাসের ২৯ তারিখের আগে। তখন থেকে পেঁয়াজের ক্রেতা অনেকটাই কম। একই অবস্থা দেখা যায় অন্যান্য আড়তে। হিলি সিনেমা হলের সামনে দেখা যায় আড়তগুলোতে বস্তাবন্দি পেঁয়াজ। কিন্তু বেচাকেনা কম। আড়তের ভেতরে শ্রমিকরা পেঁয়াজের বস্তা খুলে পচা পেঁয়াজ আলাদা করছে।

জানতে চাইলে আমদানিকারক ব্যবসায়ীরা বলেন, ‘ভেবেছিলাম ২৯ মার্চ পর্যন্ত আইপির মেয়াদ আছে। হয়তো সরকার নতুন করে অনুমোদন দেবে না । যেহেতু রমজান মাসে পেঁয়াজের চাহিদা থাকে। এ জন্য বেশি করে পেঁয়াজ আমদানি করেছি।’
আরেক ব্যবসায়ী বলেন, মার্চের শুরুতে পেঁয়াজের চাহিদা থাকায় দামটাও ভালো ছিল। কিন্তু আমদানি বেশি হওয়ায় কারণে দাম অনেক কমে গেছে। প্রতি কেজি পেঁয়াজের দাম কেজিতে ১৫ টাকা পর্যন্ত কমেছে। তখন থেকে পেঁয়াজের দাম নিম্নমুখী।
পেঁয়াজ আমদানির বিষয়ে হিলি স্থলবন্দরের আমদানিকারক গ্রুপের সভাপতি হারুন-উর রশিদ বলেন, ‘প্রতিবছর মার্চের শুরুতে  দেশীয় পেঁয়াজের সরবরাহ কমে যায়। তখন পেঁয়াজের দাম বৃদ্ধি পায়। এ সময় আমরা হিলি স্থলবন্দরের ব্যবসায়ীরা প্রতি বছর ভারতসহ অন্যান্য দেশ থেকে পেঁয়াজ আমদানি করে থাকি । এবারও পেঁয়াজের আমদানি স্বাভাবিক ছিল। তবে আইপির মেয়াদ ২৯ মার্চ পর্যন্ত থাকায় পেঁয়াজের আমদানি বৃদ্ধি পায়।’
যেখানে প্রতিদিন ২০ ট্রাক পেঁয়াজের চাহিদা, সেখানে আমদানি হয়েছে গড়ে ৪০-৫০ ট্রাক। চাহিদার তুলনায় আমদানি বেশি হওয়ায় পেঁয়াজের দাম কমার পাশাপাশি বেচাবিক্রিও কমেছে। বন্দরের আড়তগুলোতে অনেক পেঁয়াজ বিক্রির অপেক্ষায় পড়ে আছে । ইতোমধ্যে অনেক পেঁয়াজ পচে গেছে।
হারুন-উর রশিদ বলেন, সবচেয়ে বড় সমস্যা হচ্ছে পেঁয়াজসহ কাঁচাপণ্য আমদানির পরে কয়েকদিন রাখার মতো পরিবেশ নেই। ব্যাবসায়ীদের গুদামগুলো এতটাই সংকীর্ণ যে ঘরে আলো বাতাসের স্বল্পতায় পণ্য নষ্ট হয়ে যায়।
হিলি কাষ্টমসের রাজস্ব কর্মকর্তা এসএম নুরুল আলম খান বলেন, ২৯ মার্চ পর্যন্ত হিলি স্থলবন্দরে ভারত থেকে পেঁয়াজ আমদানি হয়েছে। তারপর থেকে আর পেঁয়াজ আমদানি হয়নি। গত এক মাসে হিলি স্থলবন্দর দিয়ে পেঁয়াজ আমদানি হয়েছে ২২ হাজার ৭১৫ মেট্রিক টন।