স্টাফ রিপোটার: লোকসানের আশঙ্কায় গত এক সপ্তাহ ধরে পেঁয়াজ আমদানি বন্ধ রেখেছে হিলি স্থলবন্দরের আমদানিকারক ব্যবসায়ীরা। দিকে বন্দরের আড়তগুলোতে বিক্রির অপেক্ষায় আছে হাজার টনের বেশি পেঁয়াজ। অতিরিক্ত গরমে পেঁয়াজ নষ্ট হতে বসেছে আড়তগুলোতে।মঙ্গলবার (৫ এপ্রিল) সকালে হিলি বন্দরে আড়তগুলোতে গিয়ে দেখা যায় প্রতিটা ব্যবসায়ীর ঘরে পেঁয়াজ আছে, তবে ক্রেতা অনেকটাই কম। যারা পেঁয়াজ কিনছেন তারা অল্প করে কিনছেন। কেউ ১০ বস্তা, কেউবা ২০ বস্তা। কারণ চাহিদা কম। বাজারে প্রবেশ করতে চোখে পড়ল এক আড়তে ফ্যান দিয়ে পেঁয়াজ শুকানো হচ্ছে । আবার অন্য ঘরে অনেক পেঁয়াজের বস্তা, সেগুলোর অবস্থা অনেকটাই খারাপ । কোনো কোনো বস্তা দিয়ে পানি ঝরছে।
কথা হয় আড়তদাররের সঙ্গে। জানতে চাইলে বলেন, পেঁয়াজগুলো মূলত আমদানি হয়েছে গত মাসের ২৯ তারিখের আগে। তখন থেকে পেঁয়াজের ক্রেতা অনেকটাই কম। একই অবস্থা দেখা যায় অন্যান্য আড়তে। হিলি সিনেমা হলের সামনে দেখা যায় আড়তগুলোতে বস্তাবন্দি পেঁয়াজ। কিন্তু বেচাকেনা কম। আড়তের ভেতরে শ্রমিকরা পেঁয়াজের বস্তা খুলে পচা পেঁয়াজ আলাদা করছে।
আরেক ব্যবসায়ী বলেন, মার্চের শুরুতে পেঁয়াজের চাহিদা থাকায় দামটাও ভালো ছিল। কিন্তু আমদানি বেশি হওয়ায় কারণে দাম অনেক কমে গেছে। প্রতি কেজি পেঁয়াজের দাম কেজিতে ১৫ টাকা পর্যন্ত কমেছে। তখন থেকে পেঁয়াজের দাম নিম্নমুখী।
পেঁয়াজ আমদানির বিষয়ে হিলি স্থলবন্দরের আমদানিকারক গ্রুপের সভাপতি হারুন-উর রশিদ বলেন, ‘প্রতিবছর মার্চের শুরুতে দেশীয় পেঁয়াজের সরবরাহ কমে যায়। তখন পেঁয়াজের দাম বৃদ্ধি পায়। এ সময় আমরা হিলি স্থলবন্দরের ব্যবসায়ীরা প্রতি বছর ভারতসহ অন্যান্য দেশ থেকে পেঁয়াজ আমদানি করে থাকি । এবারও পেঁয়াজের আমদানি স্বাভাবিক ছিল। তবে আইপির মেয়াদ ২৯ মার্চ পর্যন্ত থাকায় পেঁয়াজের আমদানি বৃদ্ধি পায়।’
Md.Liton 











