ক্রেতা আব্দুস সালাম বলেন, পাইকার, আড়তদার ও খুচরা ব্যবসায়ীরা মিলে সিন্ডিকেট করে তরমুজের দাম বাড়িয়েছেন। বাধ্য হয়েই বেশি দামে ও কেজি দরে আমাদের তরমুজ কিনতে হচ্ছে। বাজারে প্রশাসনিক কোনও নজরদারি ও তদারকি না থাকায় এ অবস্থার সৃষ্টি হয়েছে বলে অভিযোগ করেন তিনি।
এদিকে মোংলার আশপাশ এলাকা লাউডোব, বাজুয়া, পিরোজপুর, বাগেরহাট ও মোড়েলগঞ্জ এলাকার কয়েকজন চাষির সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, জমি থেকে তোলা তরমুজ তারা কেজিতে বিক্রি করছেন না। বেশিরভাগ চাষি তরমুজ শ’ হিসেবে বিক্রি করেন। এক্ষেত্রে চার-পাঁচ কেজি ওজনের প্রতি পিস তরমুজের দাম পড়ে ৪০-৫০ টাকা। তবে সেই তরমুজই খুচরা বাজারে চার-পাঁচগুণ বেশি দামে বিক্রি হচ্ছে।
জানতে চাইলে এ বিষয়ে মোংলা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) কমলেশ মজুমদার বলেন, প্রথম দিকে তরমুজ নিয়ে কোনও অভিযোগ পাইনি। তবে এখন বিভিন্ন অভিযোগ আসছে। শিগগিরই তরমুজ সিন্ডিকেটের বিরুদ্ধে অভিযান পরিচালনা করা হবে।
Md.Liton 











